খুঁজুন
, ,

কুড়িগ্রামে গরু চুরির চেষ্টার অভিযোগে ছাত্রদল নেতাকে শোকজ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২৫ পূর্বাহ্ণ
কুড়িগ্রামে গরু চুরির চেষ্টার অভিযোগে ছাত্রদল নেতাকে শোকজ

কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলার মোহনগঞ্জ ইউনিয়নে গরু চুরির চেষ্টার অভিযোগে মো. মফিজুল হক নামে এক ছাত্রদল নেতাকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছে উপজেলা ছাত্রদল। একই সঙ্গে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

অভিযুক্ত মফিজুল হক মোহনগঞ্জ ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি।

বুধবার (৭ অক্টোবর) রাজিবপুর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোখলেছুর রহমান ও সদস্য সচিব নাজমুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

শোকজ নোটিশে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে মফিজুল হককে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের সামনে জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শামীম আহমেদকে প্রধান করে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র ও অভিযোগপত্রের বরাত দিয়ে জানা যায়, গত রোববার (৪ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ২টার দিকে মোহনগঞ্জ ইউনিয়নের ভোটাং পাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. ওমর আলীর গোয়ালঘরে চুরির উদ্দেশ্যে মফিজুলসহ কয়েকজন প্রবেশ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। বিষয়টি টের পেয়ে ওমর আলী বাইরে বের হলে মফিজুলকে ধরে ফেলেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। পরে মফিজুল তার হাতের আঙুল মুচড়ে দিয়ে পালিয়ে যান বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

পরদিন সোমবার (৫ অক্টোবর) সকালে স্থানীয় বাজারে ওমর আলীকে গালিগালাজ এবং কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগও ওঠে মফিজুলের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় ওমর আলীর ছেলে মো. দুলাল হোসেন (৩৮) বাদী হয়ে মফিজুলসহ চারজনের বিরুদ্ধে ঢুষমারা থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।

দুলাল হোসেন অভিযোগ করেন, মফিজুল মাদক ও অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িত এবং মাদকের টাকা জোগাড় করতে তাদের পরিবারের গোয়ালঘরে চুরির চেষ্টা করেছিলেন। বাধা দেওয়ায় তার বাবাকে নির্যাতন এবং পরে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মফিজুল হকের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ঢুষমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

লালমাইয়ে স্কুলছাত্রী তাজমিন হত্যা: চট্টগ্রাম থেকে একজন গ্রেপ্তার

কুমিল্লা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৩৭ অপরাহ্ণ
লালমাইয়ে স্কুলছাত্রী তাজমিন হত্যা: চট্টগ্রাম থেকে একজন গ্রেপ্তার

কুমিল্লার লালমাইয়ে ধানক্ষেত থেকে উদ্ধার হওয়া সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিন (১৫) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। চট্টগ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় প্রকাশ করেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। নিহতকে বহনকারী সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক সুমনকে শনাক্ত করেছে পুলিশ। তবে গ্রেপ্তার ব্যক্তি সুমন কি না, তা নিশ্চিত করা হয়নি।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সুমনের বাড়ি চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায়। তিনি লালমাই উপজেলার বাগমারা দক্ষিণের জয়নগর গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে থাকতেন। প্রায় এক মাস আগে বসতঘর বিক্রি করে সেখান থেকে চলে যান তিনি। সূত্রের দাবি, সুমন মাদকাসক্ত ছিলেন।

সুমনকে শনাক্ত করার পর তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার বোন, বোনের স্বামী ও খালাশাশুড়িকে হেফাজতে নেওয়া হয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয় বলে তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সুমনের একটি রিল ছড়িয়ে পড়েছে।

সিসিটিভি ফুটেজে তাজমিনের চলাচলের চিত্র

বৃহস্পতিবার ভোরে কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কসংলগ্ন লালমাই উপজেলার জগতপুর গ্রামের একটি ধানক্ষেত থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মরদেহের পাশে একটি পরিত্যক্ত সিএনজিচালিত অটোরিকশা পাওয়া যায়। অটোরিকশাটির মালিক জানিয়েছেন, সেটির চালক সুমন। গাড়িটির নিবন্ধনও রয়েছে।

পুলিশ তাজমিনের মৃত্যুর আগের রাতের কিছু সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে। ফুটেজে দেখা যায়, বুধবার (৭ অক্টোবর) রাত পৌনে ১২টার দিকে কক্সবাজার থেকে ফেরা আইকনিক পরিবহনের একটি বাস থেকে কুমিল্লার পদুয়ার বাজারে নূরজাহান হোটেলের সামনে নামে তাজমিন।

এরপর তাকে হোটেলের পাশের খাবারের দোকান এবং পশ্চিম পাশের কয়েকটি স্টেশনারি দোকানের দিকে যেতে দেখা যায়। একটি দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে দোকানির সঙ্গে কথা বলতেও দেখা যায় তাকে। এ সময় দোকানিকে তাজমিনকে কিছু দেখাতে বা কোনো দিকনির্দেশনা দিতে দেখা যায়।

ফুটেজ অনুযায়ী, রাত ১২টার দিকে দোকানের সামনে কিছু দেখার পর সেখান থেকে অন্য পাশে চলে যায় তাজমিন। পরে রাত সোয়া ১২টার দিকে তাকে নূরজাহান হোটেল এলাকা ছেড়ে যেতে দেখা যায়। এরপর বাড়ি ফেরার জন্য সে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠে।

বাবাকে পাঠিয়েছিল লাইভ লোকেশন

নিহত তাজমিনের বাবা আবদুল আলীম জানান, গত ৪ অক্টোবর কুমিল্লা নগরীর রেসকোর্স এলাকার ধানমন্ডিপাড়ার ভাড়া বাসা থেকে বের হয় তার একমাত্র মেয়ে। শহরে এক বান্ধবীর বাসায় যাওয়ার কথা বলে বের হলেও পরে ওই বান্ধবীর সঙ্গে কক্সবাজারে যায় তাজমিন। সেখান থেকে বুধবার রাতে কুমিল্লার উদ্দেশে রওনা হয় সে।

বুধবার রাতে মেয়ের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করেন আবদুল আলীম। কিন্তু ফোন রিসিভ না করায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন।

আবদুল আলীম বলেন, বুধবার রাত আনুমানিক পৌনে ২টার দিকে তার মেয়ে মোবাইল ফোনে একটি বার্তা ও লাইভ লোকেশন পাঠায়। বার্তায় তাকে গিয়ে নিয়ে আসতে বলে তাজমিন।

তিনি বলেন, “তখন আমি ঘুমে ছিলাম। পরে সকালে মেসেজ দেখি। তারপর লাইভ লোকেশনে এসে মেয়ের মরদেহ উদ্ধার হচ্ছে দেখতে পাই।”

মৃত্যুর কারণ এখনো নিশ্চিত নয়

লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, তাজমিনের মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। প্রথমে মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব না হলেও পরে তা নিশ্চিত করা হয়।

ওসি জানান, ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা উদ্ঘাটনে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক সুমন মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন না এবং তার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নেই বলে জানা গেছে।

তাজমিনের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং এ ঘটনায় কারা জড়িত, তা তদন্ত শেষে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ইসলামী ছাত্র আন্দোলন থেকে জেলা যুবদলের দপ্তর সম্পাদক আশিক

রবিউল মোল্লা শরীয়তপুর জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ২:২৪ অপরাহ্ণ
ইসলামী ছাত্র আন্দোলন থেকে জেলা যুবদলের দপ্তর সম্পাদক আশিক

ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর ও যোগাযোগ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করা আশিক মাদবরকে শরীয়তপুর জেলা যুবদলের দপ্তর সম্পাদক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। এদিক পদ পাওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসতেই স্থানীয় যুবদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন এমপির অনুমতিক্রমে এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়ার স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে শরীয়তপুর জেলা যুবদলের নতুন দপ্তর সম্পাদক হিসেবে আশিক মাদবরের নাম ঘোষণা করা হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আশিক মাদবর এর আগে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ শরীয়তপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৪ সেশনে তিনি সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যনির্বাহী সদস্য এবং ২০২৫ সেশনে স্কুল ও কলেজ সম্পাদক ছিলেন। সর্বশেষ ২০২৬ সেশনে কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর ও যোগাযোগ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

তবে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের শরীয়তপুর জেলা শাখার সভাপতি ইমন সরদার জানান, ২০২৬ সালের মার্চ মাসে আশিক মাদবরকে সংগঠন থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

আশিক মাদবরের ফেসবুক প্রোফাইলেও ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের কার্যক্রমে তার অংশগ্রহণের বিভিন্ন ছবি ও ভিডিও রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন জেলায় সংগঠনটির কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার ছবিও দেখা গেছে বলে জানা গেছে।

এদিকে আশিককে জেলা যুবদলের দপ্তর সম্পাদক করার সিদ্ধান্তে আপত্তি জানিয়েছেন স্থানীয় যুবদলের একাংশের নেতাকর্মীরা। তাদের দাবি, দীর্ঘদিন দলের সঙ্গে থাকা ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন না করে অন্য রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত একজনকে গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারা দ্রুত আশিকের নাম কমিটি থেকে প্রত্যাহার করে ওই পদে ত্যাগী ও যোগ্য নেতাকে দায়িত্ব দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

শরীয়তপুর সদর উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আক্তার মাঝি বলেন, গত মাসে জেলা যুবদলের পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। সেখানে আমাদের মতো ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করা হয়নি। পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে ত্যাগী নেতারা মূল্যায়িত হবেন বলে আশা করেছিলাম। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ পদে আশিক মাদবরের নাম দেখে আমরা হতাশ হয়েছি।

তিনি আরও বলেন, দলের এত ত্যাগী নেতাকর্মী থাকতে কীভাবে অন্য দলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকা একজনের নাম কমিটিতে আসে? এটা আমরা তৃণমূলের নেতাকর্মীরা মেনে নিতে পারি না। অনতিবিলম্বে তার নাম কমিটি থেকে প্রত্যাহার করতে হবে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে আশিক মাদবরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। ফলে এ বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে শরীয়তপুর জেলা যুবদলের সভাপতি জামাল উদ্দিন বিদ্যুৎ বলেন, আশিক শিক্ষিত ও ভদ্র। তার যোগ্যতা বিবেচনা করেই কেন্দ্র থেকে তাকে দপ্তর সম্পাদক পদ দেওয়া হয়েছে। তবে তিনি অন্য কোনো দলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন—এমন তথ্য তার জানা নেই।

আশিক মাদবরের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এগুলো হয়তো কেউ এআই দিয়ে তৈরি করতে পারে।

দাউদকান্দিতে বিদেশি পিস্তল-গুলি ও ৩৬ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার, পিকআপসহ গ্রেপ্তার ১

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫৩ অপরাহ্ণ
দাউদকান্দিতে বিদেশি পিস্তল-গুলি ও ৩৬ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার, পিকআপসহ গ্রেপ্তার ১

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে পুলিশের চেকপোস্টে তল্লাশি চালিয়ে একটি বিদেশি পিস্তল, সাত রাউন্ড গুলি, একটি ম্যাগাজিন ও ৩৬ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ইয়াবা পরিবহনে ব্যবহৃত একটি পিকআপ জব্দ করা হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে মো. জাকারিয়া ইদ্রীস (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাত ২টা ১০ মিনিটে দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মেঘনা-গোমতী টোল প্লাজার প্রায় ১০০ গজ পশ্চিমে ঢাকামুখী লেনে চেকপোস্ট পরিচালনা করে। এ সময় একটি পিকআপে তল্লাশি চালিয়ে এসব অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, পিকআপটির চালকের আসনের নিচ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, সাত রাউন্ড গুলি ও একটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া পিকআপের বডির ওপরের স্টিলের পাত কেটে বিশেষ কৌশলে তৈরি করা গোপন স্থানে ইয়াবা পাওয়া যায়।

গোপন স্থান থেকে ৩৩টি জ্যামিতি বক্সের মধ্যে রাখা মোট ১৮০টি প্যাকেটে ৩৬ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত পিকআপটিও জব্দ করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার মো. জাকারিয়া ইদ্রীস কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানার রাঙ্গাখালী এলাকার বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম মৃত শফিকুর রহমান এবং মায়ের নাম ফাতেমা খাতুন।

পুলিশ জানায়, উদ্ধার করা অস্ত্র, গুলি, ম্যাগাজিন ও ইয়াবা এবং জব্দ করা পিকআপের বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।