খুঁজুন
, ,

গণভোট যদি অবৈধ হয়, ধানের শীষের বিজয়ও অবৈধ’-আল্লামা ম|মুনুল হক

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ণ
গণভোট যদি অবৈধ হয়, ধানের শীষের বিজয়ও অবৈধ’-আল্লামা ম|মুনুল হক
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর আল্লামা ম|মুনুল হক বলেছেন, “একই দিনে, একই নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে, একই তফসিলের অধীনে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংসদ নির্বাচনের ফলাফল বৈধ হলে গণভোটের ফলাফল কীভাবে অবৈধ হয়? গণভোট যদি অবৈধ হয়, তাহলে ধানের শীষের বিজয়ও অবৈধ।”
আজ ২৭ আগস্ট ২০২৬ ইং , বৃহস্পতিবার খুলনার নিউমার্কেটস্থ বাইতুল নূর মসজিদ চত্বরে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস খুলনা জেলা ও মহানগরের উদ্যোগে আয়োজিত নাগরিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আল্লামা ম|মুনুল হক বলেন, বিগত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মধ্য দিয়ে নতুন সরকার ক্ষমতায় এসেছে। কিন্তু নির্বাচনের মাত্র দুই মাসের ব্যবধানে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সারাদেশে নাগরিক সমাবেশের কর্মসূচি পালন করছে। এর কারণ সরকারকে অস্থিতিশীল করা নয়; বরং জনগণের অধিকার, গণভোটের রায় এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবি জনগণের কাছে তুলে ধরা।
তিনি বলেন, “আমরা বলছি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে। বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রীও বিভিন্ন বক্তব্যে বলেছেন, সরকার অক্ষরে অক্ষরে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে। তাহলে আমাদের সঙ্গে সরকারের মতপার্থক্য কোথায়—এই প্রশ্নের উত্তর জনগণকে বুঝতে হবে।”
তিনি বলেন, একই দিনে জনগণের হাতে দুটি ব্যালট ছিল। একটি সংসদ নির্বাচনের জন্য, যেখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর প্রতীক ছিল। অন্যটি ছিল গণভোটের ব্যালট, যেখানে ছিল ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’। অর্থাৎ একই নির্বাচন কমিশন, একই তফসিল ও একই দিনে দুটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আল্লামা ম|মুনুল হক বলেন, “সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ও তাদের মিত্ররা আসন সংখ্যার ভিত্তিতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করেছে। আর গণভোটে প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছে। তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে—৫০ শতাংশের কিছু বেশি ভোটের ফলাফল যদি বৈধ হয়, প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষের গণভোটের রায় কেন অবৈধ হবে?”
তিনি আরও বলেন, “একই মায়ের গর্ভে একই দিনে দুই সন্তান জন্ম নিয়েছে। এক সন্তান—সংসদ—বৈধ, আরেক সন্তান—সংবিধান সংস্কার পরিষদ—অবৈধ, এটা কীভাবে হয়? যদি গণভোট অবৈধ হয়, তাহলে ধানের শীষের বিজয়ও অবৈধ। আর সংবিধান সংস্কার পরিষদ অবৈধ হলে বিএনপি সরকারও বৈধ থাকতে পারে না।”
তিনি বলেন, বিএনপি সংবিধান সংশোধন করতে চায়, আর বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস চায় সংবিধানের সংস্কার। সংশোধন ও সংস্কার এক বিষয় নয়। সংসদে সংবিধান সংশোধন একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া; কিন্তু জুলাই বিপ্লবের শহীদদের রক্ত কোনো সাময়িক সংশোধনীর জন্য নয়, বরং স্থায়ী পরিবর্তনের জন্য।
তিনি বলেন, “জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে মানুষ ফ্যাসিবাদকে চিরতরে বিদায় করতে চেয়েছে। ফ্যাসিবাদের পথ বন্ধ করতে হলে স্থায়ী সংস্কার করতে হবে। দুর্বল সংশোধনীর মাধ্যমে এমন পরিবর্তন সম্ভব নয়।”
আল্লামা ম|মুনুল হক বলেন, ঐকমত্য কমিশনে ৩৩টি রাজনৈতিক দল নয় মাসে ৮৩টি অধিবেশনে দীর্ঘ আলোচনার মাধ্যমে জুলাই সনদ প্রণয়নের ব্যাপারে ঐকমত্যে পৌঁছেছিল। নির্বাচনের আগে বিএনপিও এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে একমত হয়েছিল। কিন্তু নির্বাচনের পর সেই অবস্থান থেকে সরে আসা জনগণের সঙ্গে প্রতারণার শামিল।
তিনি বলেন, “বাংলাদেশের মানুষ ১৯৭১ সালে জনগণের ম্যান্ডেট অস্বীকারকারী শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধ করেছে। পরবর্তীতে দীর্ঘ ১৫ বছর জনগণের ভোটাধিকার হরণকারী ফ্যাসিবাদী শাসনেরও অবসান ঘটিয়েছে। জনগণের ভোটের সঙ্গে যারা প্রতারণা করেছে, ইতিহাস তাদের ক্ষমা করেনি।”
তিনি বর্তমান সরকারকে উদ্দেশ করে বলেন, “সংবিধান সংস্কার করুন। বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিমকে স্থায়ীভাবে সংবিধানে স্থান দিন। আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাসকে স্থায়ীভাবে সংবিধানে প্রতিষ্ঠা করুন। তা না হলে ইতিহাস আপনাদের ক্ষমা করবে না।”
জাতীয় সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে রাজনৈতিক মতপার্থক্যের ঊর্ধ্বে ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “সরকারের সঙ্গে আমাদের দ্বিমত ও বিরোধ রয়েছে। কিন্তু দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে এবং দিল্লির আধিপত্যবাদের মোকাবিলায় আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই করতে প্রস্তুত।”
তিনি বিএনপির বর্তমান নেতৃত্বের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, অতীতের নেতৃত্বের আদর্শের প্রতি অটল থেকে জুলাইয়ের রাজপথের ঐক্যকে দুর্বল না করতে হবে। সংস্কার ও সংশোধন নিয়ে চলমান বিতর্কের সুরাহা না হলে তা সরকারের জন্যই বিপর্যয়ের কারণ হয়ে দাঁড়াবে।
তিনি বলেন, “ক্ষমতার মসনদ কারও জন্য চিরস্থায়ী নয়। নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী জনগণের কাছে ‘হ্যাঁ’ ভোট চেয়ে যে অঙ্গীকার করেছিলেন, আমরা আশা করি তিনি সেই অঙ্গীকার রক্ষা করবেন। জনগণের ম্যান্ডেট ও গণভোটের রায়ের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করতে হবে।”
খুলনা জেলা সভাপতি মাওলানা মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা শরীফ সাইদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি নেয়ামতুল্লাহ কাসেমী, অফিস সম্পাদক মাওলানা রুহুল ইসলাম খাঁন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য মুফতি ওয়ালিউল্লাহ ও মাওলানা শহীদুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় সহ-প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা মোল্লা খালিদ সাইফুল্লাহ, বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি পরিষদ সদস্য মুহাম্মাদ দিদারুল ইসলাম এবং কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুশতাক আহমাদ।

দাউদকান্দিতে স্বপ্নছোঁয়া যুব ফাউন্ডেশনের মেধাবী অন্বেষণ ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

হোসাইন মোহাম্মদ দিদার:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৩৫ অপরাহ্ণ
দাউদকান্দিতে স্বপ্নছোঁয়া যুব ফাউন্ডেশনের মেধাবী অন্বেষণ ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

‘শিক্ষাই গড়বে সোনার বাংলা’ স্লোগানকে সামনে রেখে কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলায় ‘স্বপ্নছোঁয়া মেধাবী অন্বেষণ ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে নোয়াগাঁও স্বপ্নছোঁয়া যুব ফাউন্ডেশন।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় উপজেলার নোয়াগাঁও ক্যামব্রিয়ান স্কুলে এ আয়োজন করা হয়।

স্বপ্নছোঁয়া যুব ফাউন্ডেশনের সভাপতি মো. ইমরান হোসেন বাবুর সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিটেশ্বর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি ও বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. বাবুল খন্দকার।

এ সময় শিক্ষার্থীদের হাতে শিক্ষা উপকরণ তুলে দিয়ে তাদের পড়াশোনায় আরও মনোযোগী হওয়ার এবং ভবিষ্যতে সুশিক্ষিত ও আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানানো হয়।

আয়োজকেরা বলেন, শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তাদের মেধা বিকাশ, শিক্ষার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি এবং পড়াশোনা চালিয়ে যেতে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে স্বপ্নছোঁয়া যুব ফাউন্ডেশনের এ উদ্যোগ। শুধু শিক্ষা উপকরণ বিতরণ নয়, বরং শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন দেখতে শেখানো, তাদের সম্ভাবনাকে বিকশিত করা এবং একটি শিক্ষিত ও মানবিক সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখাই সংগঠনটির অন্যতম উদ্দেশ্য।

এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সমাজসেবক মো. জাকির হোসেন, আলমগীর হোসেন, মো. শাকিল চৌধুরী, মো. আল আমিন, মো. রেজাউল করিম , মো. মাজহারুল ইসলাম প্রমূখ।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন স্বপ্নছোঁয়া যুব ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক রাসেল এনাম রনি।

শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে উৎসাহিত করা এবং শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে সহযোগিতা করাই এ ধরনের উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

আশুলিয়ায় ডিবির অভিযানে ৫২ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১, পিকআপ জব্দ

মোঃ হাফিজুর রহমান, আশুলিয়া প্রতিনিধিঃ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:২৪ অপরাহ্ণ
আশুলিয়ায় ডিবির অভিযানে ৫২ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১, পিকআপ জব্দ

ঢাকার আশুলিয়ায় ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি-উত্তর) বিশেষ অভিযানে ৫২ কেজি গাঁজাসহ মো. জামাল মিয়া ওরফে সেলিম (৪৩) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি নীল রঙের পিকআপ জব্দ করা হয়।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে সাভারে ঢাকা জেলা ডিবি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিবি পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম খান।

তিনি জানান, শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে আশুলিয়া থানাধীন কবিরপুর রেডিও কলোনী জামে মসজিদের সামনে সড়কে অভিযান চালিয়ে ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ডিবি পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে একটি পিকআপে গাঁজা নিয়ে চন্দ্রা থেকে বাইপাইলের দিকে আসা হচ্ছে। পরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে কবিরপুর রেডিও কলোনী এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এ সময় পিকআপ থেকে ৫২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধার করা গাঁজার আনুমানিক বাজারমূল্য ১৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এ ছাড়া জব্দ করা নীল রঙের নম্বরপ্লেটবিহীন ফোটন পিকআপটির আনুমানিক মূল্য ছয় লাখ টাকা।

গ্রেপ্তার জামাল মিয়া ওরফে সেলিম ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া থানার বনগজ এলাকার বাসিন্দা। ডিবি পুলিশের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে আগে তিনটি মাদকদ্রব্য-সংক্রান্ত মামলা ও একটি চুরির মামলা রয়েছে।

ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনের নির্দেশনায় ঢাকা জেলা ডিবি-উত্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইদুল ইসলামের নেতৃত্বে এসআই শেখ মফিজুর রহমানসহ পুলিশের একটি দল এ অভিযান পরিচালনা করে।

পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

আশুলিয়ায় সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি, থানায় জিডি

মোঃ হাফিজুর রহমান, আশুলিয়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫৯ অপরাহ্ণ
আশুলিয়ায় সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি, থানায় জিডি

ঢাকার আশুলিয়ায় সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম প্রধানকে পথরোধ করে মারধরের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে। এ ঘটনায় জামাল হোসেন মুকুলের স্ত্রী মোছা. আলো বেগম (৪০) ও অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক।তিনি দৈনিক বাংলাবাজার পত্রিকায় কর্মরত আছেন।

জিডি সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ অক্টোবর রাত আনুমানিক ১০টার দিকে মোটরসাইকেলে বাসায় ফেরার পথে আশুলিয়ার বাইপাইল শান্তিনগর এলাকায় সিদ্দিকের বাড়ির সামনে পৌঁছালে একদল ব্যক্তি তাঁর পথরোধ করেন। এ সময় তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও মারধরের চেষ্টা করা হয়। পাশাপাশি প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।

সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম প্রধানের দাবি, ওই সময় এলাকাটি নির্জন ছিল এবং আশপাশের দোকানপাট বন্ধ ছিল। পরিস্থিতি বুঝে তিনি সিদ্দিকের বাড়িতে আশ্রয় নেন এবং চিৎকার করলে বাড়ি থেকে লোকজন বেরিয়ে আসেন। পরে অভিযুক্তরা সেখান থেকে সরে যান। এ সময় অন্ধকারে আরও কয়েকজন সশস্ত্র অবস্থায় ছিলেন বলে দাবি তাঁর। তাঁদের নেতৃত্বে কাউছার নামে এক ব্যক্তি ছিলেন বলেও জানান তিনি।

জাহাঙ্গীর আলম প্রধানের অভিযোগ, জামাল হোসেন মুকুলের বিরুদ্ধে অতীতে প্রতারণার অভিযোগসংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের পর থেকেই তাঁকে হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছিল। ওই সংবাদ প্রকাশের জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে তাঁর সন্দেহ।

এ ঘটনায় নিজের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জড়িতদের শনাক্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তিনি। এ বিষয়ে আশুলিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি করে পুলিশের সহযোগিতা চেয়েছেন ওই সাংবাদিক।

আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ ফেরদৌস আলী বলেন, খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছি। আশপাশের লোকজনের সাথে কথা বলে ঘটনার সত্যতা পেয়েছি।

তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পুলিশি তদন্তে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যাবে।