November 29, 2020 9:55 pm

করোনায় দেশে আরও ৫৪ জনের মৃত্যু

দেশে করোনাভাইরাসের আক্রান্ত হয়ে আরও ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে, আর নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ২ হাজার ২৭৫ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনে অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা রোববার দেশে করোনাভাইরাস পরিস্থিতির এই সবশেষ তথ্য তুলে ধরেন।

এদিন সকাল ৮টা পর্যন্ত শনাক্ত ২ হাজার ২৭৫ জনকে নিয়ে দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ২৩ হাজার ৪৫৩ জন হল।

আর ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৫৪ জনকে নিয়ে দেশে করোনাভাইরাসে মোট মৃতের সংখ্যা ২ হাজার ৯২৮ জনে পৌঁছাল।

আইইডিসিআরের ‘অনুমিত’ হিসাবে বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ১ হাজার ৭৯২ জন রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন গত ২৪ ঘণ্টায়। তাতে সুস্থ রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল মোট ১ লাখ ২৩ হাজার ৮৮২ জন।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল ৮ মার্চ, তা দুই লাখ পেরিয়ে যায় ১৮ জুলাই। এর মধ্যে ২ জুলাই ৪ হাজার ১৯ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়, যা এক দিনের সর্বোচ্চ।

আর ১৮ মার্চ বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে প্রথম মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ১৭ জুলাই তা আড়াই হাজার ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৩০ জুন এক দিনে রেকর্ড ৬৪ জনের মৃত্যুর খবর জানানো হয়।

ডাঃ নাসিমা সুলতানা বলেন, গত এক দিনে যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে পুরুষ ৪০ জন ও নারী ১৪ জন। তাদের ৪৮ জন হাসপাতালে এবং ৬ জন বাড়িতে মারা গেছেন।

মৃত ৫৪ জনের মধ্যে ৩ জনের বয়স ছিল ৮০ বছরের বেশি। এছাড়া ৭ জনের বয়স ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে, ১৭ জনের বয়স ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে, ১৫ জনের বয়স ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে, ৮ জনের বয়স ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে, ৩ জনের বয়স ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে এবং ১ জনের বয়স ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ছিল। তাদের ১৯ জন ঢাকা বিভাগের, ১০ জন চট্টগ্রাম বিভাগের, ৭ জন রাজশাহী বিভাগের, ৮ জন খুলনা বিভাগের, ৬ জন সিলেট বিভাগের, ৩ জন রংপুর বিভাগের ও ১ জন বরিশাল বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন।

তিনি আরো জানান, এ পর্যন্ত যে ২ হাজার ৯২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে, তাদের মধ্যে ২ হাজার ৩০৬ জন পুরুষ এবং ৬২২ জন নারী।

তাদের মধ্যে এক হাজার ৩৩৩ জনের বয়স ছিল ৬০ বছরের বেশি। এছাড়া ৮৫২ জনের বয়স ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে, ৪১৫ জনের বয়স ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে, ১৯৭ জনের বয়স ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে, ৮৩ জনের বয়স ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে, ৩০ জনের বয়স ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে এবং ১৮ জনের বয়স ছিল ১০ বছরের নিচে।

এক হাজার ৪০৮ জন ঢাকা বিভাগের, ৭২১ জন চট্টগ্রাম বিভাগের, ১৭৪ জন রাজশাহী বিভাগের, ২০৬ জন খুলনা বিভাগের, ১১০ জন বরিশাল বিভাগের, ১৪০ জন সিলেট বিভাগের, ১০৮ জন রংপর বিভাগের এবং ৬১ জন ময়মনসিংহ বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন।

বুলেটিনে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ৮১টি ল্যাবে ১০ হাজার ৭৮টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১১ লাখ ১১ হাজার ৫৫৮টি।

২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ২২ দশমিক ৫৭ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৫৪ দশমিক ৪৪ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৩১ শতাংশ।

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এই সম্পর্কিত আরো খবর...