About Us!

 মিউজিক টেলিভিশন বাংলা লি. (এমটিভি বাংলা)

‘২৪ ঘন্টায় গান, প্রাণের অপর নাম গান’ এই স্লোগানে বাংলা ভাষা আর সংস্কৃতিকে ধারণ করে ২১ মে ২০১৮ সালে  মোহাম্মদ ফজলে রাব্বী প্রতিষ্ঠা করেন দেশের প্রথম অটোমেশন-ভিত্তিক অনলাইন মিউজিক টেলিভিশন চ্যানেল মিউজিক টেলিভিশন বাংলা লি. (এমটিভি বাংলা)।

এক সাগর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের এই বাংলাদেশ। সুখী, সমৃদ্ধ, বৈষম্যহীন, অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে বাংলার আপামর জনসাধারণ ঝাঁপিয়ে পড়েছিল মুক্তিযুদ্ধে। ৩০ লাখ প্রাণ, বহু ত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি লাল-সবুজের পতাকা। দেশের দিগন্তে উদিত হয়েছে স্বাধীনতার রক্তিম সূর্য। তবে দেশ গড়ার সংগ্রাম চলছে এখনো। আমাদের কাঙ্ক্ষিত স্বপ্নের দেশ গড়ে তুলতে প্রয়োজন সমাজের চিন্তা, তথ্য, মত ও আলোচনা-সমালোচনার অবাধ প্রবাহ। প্রয়োজন নীতিভিত্তিক, জবাবদিহিমূলক ও সর্বোচ্চ মানের পেশাদারি সাংবাদিকতা। দেশের সেই সংগ্রামের সারথী হতে এমটিভি বাংলা অঙ্গীকারবদ্ধ।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধকে ধারণ করেএমটিভি বাংলা একঝাঁক তরুণ নিয়ে দেশে ও দেশের বাইরে কোটি দর্শকের কাছে বস্তুনিষ্ঠসংবাদ ও মানসম্মত অনুষ্ঠান তুলেধরছে। আদর্শ, নীতি, সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বকে প্রাধান্য দিয়ে আমরা প্রচার করি সংবাদ ওঅনুষ্ঠান। নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ এনটিভির অন্যতম বৈশিষ্ট্য। আমরা পক্ষপাতহীন সংবাদও অনুষ্ঠানে বিশ্বাসী।

শুধু সংবাদ নয়,সমসাময়িক ঘটনা, আলোচনা অনুষ্ঠান, প্রামাণ্যচিত্র, খেলাধুলার খবর, ব্যবসা-বাণিজ্যবিষয়ক অনুষ্ঠান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির খবর এনটিভি সম্প্রচার করে আসছে।এনটিভি প্রতিদিন ভিন্নধর্মী বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানে বিশ্বাসী।বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে ধারণ করে নির্মিত এনটিভির নাটক, টেলিফিল্ম, সংগীতানুষ্ঠান, ধর্মীয় অনুষ্ঠান,কেরাতপ্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, স্বাস্থ্যবিষয়ক অনুষ্ঠান, কুইজ ও ভ্রমণবিষয়ক শো ব্যাপক জনপ্রিয়।ঈদ উৎসব, স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবসের মতো বছরের বিশেষ দিনেব্যতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠান দর্শকদের কাছে তুলে ধরার চেষ্টা করে এনটিভি।

বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে সাড়াজাগানো রিয়েলিটিশো ক্লোজআপ ওয়ান এনটিভিতে সম্প্রচারিত হয়। ওই সময় মানুষের মুখেমুখে ছিল ক্লোজ আপতারকাদের গান।এছাড়া মার্কসঅলরাউন্ডার, সুপারহিরো সুপারহিরোইন, বিজিদেরইজিশো, হাশো ও ব্যাপকজনপ্রিয়তা লাভ করে।

মানুষের অপার আগ্রহ আর আস্থা-ভালোবাসায় খুব দ্রুতই এমটিভি বাংলা পরিণত হয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে যেমন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্যসহ সারা বিশ্বে সম্প্রচারিত হয় এনটিভি। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের দর্শকদের আশা পূরণে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

টিভির পাশাপাশি এমটিভি অনলাইন বিশ্বের যেখানে যখনই কোনো ঘটনা ঘটছে, তখনই সেটি তুলে আনছে। টেলিভিশন যেমন তাৎক্ষণিক এনটিভি অনলাইনও তেমন। অনলাইনের খবর পৌঁছে যাচ্ছে পাঠকের কাছে কম্পিউটার, ল্যাপটপ, কিংবা স্মার্টফোনে। এনটিভি অনলাইনে ভিডিও, ছবি দেখা যাবে। সাথে সাথে ফেসবুক, টুইটার, জি-প্লাসসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমেও পাওয়া যাবে এনটিভির সর্বশেষ সংবাদ। পৃথিবীর সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি হয়েছে এনটিভি অনলাইনের ওয়েবসাইট। এতে খবর, ছবি এবং অডিও-ভিডিও, অর্থাৎ মাল্টিমিডিয়ার সংযুক্তি এক কথায় অনন্য। এছাড়া অনলাইনে পর্যায়ক্রমে পাওয়া যাবে এনটিভির ১২ বছর ধরে আর্কাইভে থাকা সব অনুষ্ঠান। যা কিছু আনন্দ দেয়, উৎসাহ জাগায়, বেদনাহত বা বিস্মিত করে, প্রশ্ন ওঠায়, স্বস্তি দেয় তার সবকিছুই আমরা সবার সামনে তুলে ধরতে কাজ করে চলেছি অবিরাম।

এছাড়া সেবামূলক কার্যক্রমে রয়েছে এনটিভির অনন্য দৃষ্টান্ত। চ্যারিটি ফান্ডের মাধ্যমে এনটিভি শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করে থাকে। তাছাড়া প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় সিডরে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা ও পুনর্বাসনে অংশ নেয় চ্যানেলটি। ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় নির্মাণ করে স্কুল। কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ এনটিভি ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশের প্রথম টিভি চ্যানেল হিসাবে ‘আইএসও ৯০০১:২০০৮ সনদ লাভ করে। এরই মধ্যে এনটিভি পেয়েছে দেশ ও দেশের বাইরে বহু পুরস্কার।

তরুণ প্রজন্ম, আগামীর পৃথিবীর জন্য আমরা একটি বস্তুনিষ্ঠ, উন্নয়নকামী গণমাধ্যম গড়ে তুলছি। নীতির প্রশ্নে আমরা সব সময়ই আপসহীন ছিলাম, আছি, থাকব। সত্যনিষ্ঠ তথ্য উপস্থাপন ও বস্তুনিষ্ঠ বিনোদন দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য। সময়, ইতিহাসকে সাক্ষী করে আমরা এগিয়ে যেতে চাই। এনটিভি দেশ ও জনগণের টেলিভিশন। এনটিভি আপনার টেলিভিশন। আপনার সহযোগিতা, মতামত নিয়ে আমরা এগিয়ে যেতে চাই বহুদূর। আপনার সুচিন্তিত মতামত আমাদের সমৃদ্ধ করবে সব সময়।


পরিচালনা পর্ষদ

মোহাম্মদ ফজলে রাব্বী

প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সম্পাদক

মোহাম্মদ ফজলে রাব্বী মিউজিক টেলিভিশন বাংলা লি. (এমটিভি বাংলা) এর প্রতিষ্ঠাতা এবং চেয়ারম্যান ও  বর্তমান সম্পাদক। ইতিবাচক রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজসংস্কার ও সংস্কৃতিরক্ষার নিরলস কর্মী তিনি। পথশিশুদের লালন-পালন, উন্নয়নসহ সমাজসেবামূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে রেখেছেন অগ্রণী ভূমিকা।

মোহাম্মদ ফজলে রাব্বীর জন্ম বাংলাদেশের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে, ১৯৯৫ সালের ২১ শে মে। পড়াশোনা করেছেন স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে। একবিংশ শতাব্দির মাঝামাঝি সময় আইটি কোম্পানি প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে তিনি ব্যবসা শুরু করেন। এরপর সাফল্যের ধারাবাহিকতায় তিনি আরো অনেক শিল্প ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন।

العربية বাংলা English हिन्दी