May 18, 2022, 8:57 am

অঞ্জনের হাত ধরে সিনেমায় বেলা বোস

Spread the love

‘এটা কি ২৪৪১১৩৯
বেলা বোস তুমি পারছ কি শুনতে?…’
গান দিয়ে মনের জগতে বেলা বোসের নাম লিখিয়েছিলেন অঞ্জন দত্ত। সেই বেলা বোসকে এবার দেখা যাবে রুপালি পর্দায়। এমনটাই শোনা যাচ্ছে। এই খবর জানিয়েছেন প্রযোজক রানা সরকার।

অঞ্জন দত্তের গানের চরিত্র রঞ্জনা, বেলা বোস, ম্যারি অ্যানকে নিয়ে অঞ্জন–ভক্তদের কৌতূহলের শেষ নেই। তাই একেক করে এই চরিত্রগুলো আসতে যাচ্ছে রুপালি পর্দায়। ২০১১ সালে প্রথমবার রুপালি পর্দায় এসেছিল ‘রঞ্জনা’। ‘রঞ্জনা আমি আর আসব না’ ছবি দিয়ে এই চরিত্রে সিনেমায় নাম লিখিয়েছিলেন পার্নো মিত্র। সেই ছবির ১০ বছর হলো। অন্যদিকে পার্নোরও অভিনয়জীবন ছুঁয়ে ফেলেছে ১০ বছর। দশে দশ মিলিয়ে একটা উদ্‌যাপন তো হতেই পারে।

সেই সূত্র ধরেই ‘রঞ্জনা আমি আর আসব না’ ছবির প্রযোজক জানালেন বেলা বোসকে নিয়ে ছবি তৈরির খবর। বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) রানা সরকার জানান, ‘রঞ্জনা আমি আর আসব না’ ছবির ১০ বছরের উদ্‌যাপনে আবার একসঙ্গে অঞ্জন-রানা জুটি। তাঁদের হাত ধরে এবার সামনে আসবেন বেলা বোস। এটি কি ‘রঞ্জনা’র সিকুয়েল হতে যাচ্ছে? সেটা এখনই জানা যাচ্ছে না। ছবি দেখেই বলা যাবে, দাবি প্রযোজকের। নতুন ছবির নাম ‘বেলা বোসের জন্য’।

রানা বলেন, ‘অঞ্জন দত্তের রঞ্জনা, বেলা বোস, ম্যারি অ্যানকে নিয়ে সাধারণ মানুষ বরাবর কৌতূহলী। সেই কৌতূহল মেটাতেই এই আয়োজন। এখন পর্যন্ত শুধু বিষয় বাছাই করা হয়েছে। অঞ্জনদা চিত্রনাট্য লেখা শেষ করেছেন। এখনো অভিনেতা বাছাই করা হয়নি।’

অঞ্জন দত্তের ‘রঞ্জনা’কে পর্দায় জীবন্ত করেছিলেন পার্নো মিত্র। বেলা বোসকে কে ফুটিয়ে তুলবেন? প্রযোজকের দাবি, এখনো সেসব ঠিক হয়নি। পার্নোও থাকতে পারেন। আবার অন্য কাউকেও দেখা যেতে পারে। বেলা বোসের নায়ক, যিনি বারবার ফোনে ডাক পাঠান, তিনি কে হবেন? প্রযোজক জানালেন, আগের ছবির মতো এই ছবিতেও নায়ক না–ও থাকতে পারেন। তবে অঞ্জন দত্ত থাকবেন।

‘রঞ্জনা আমি আর আসব না’র গান বেশ আলোচনা তুলেছিল। তাই এবারও বাবার ছবির গানে ছেলেই থাকছেন। নীল দত্তের কাঁধেই গানের ভারটা থাকছে। নতুন গানের পাশাপাশি পুরোনো গানও ব্যবহার করা হবে ছবিতে। তবে নতুন গান কারা গাইবেন, সেটাও এখনো ঠিক হয়নি। ছবির শুটিং হবে পশ্চিম বাংলার উত্তরবঙ্গে।

প্রধানত রানা সরকারের উদ্যোগের ফলেই যে বেলা বোসকে বড় পর্দায় আনতে রাজি হয়েছেন অঞ্জন, সে কথা নিজেই জানিয়েছেন। অবশ্য এ ব্যাপারে তাঁর নিজেরও বহুদিনের ইচ্ছা ও তাগিদ ছিল, সে কথাও অস্বীকার করেননি এই অভিনেতা-পরিচালক। কিন্তু এই যে এত বড় একটি আইকনিক চরিত্র, যিনি বাস করেন নব্বইয়ের দশকের সব বাঙালির স্বপ্নে ও কল্পনায়, তাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার কাজটা কি ভীষণ চ্যালেঞ্জিং নয়? ভারতীয় গণমাধ্যমের কাছে অঞ্জনের জবাব, ‘ভীষণ কঠিন! তবে চ্যালেঞ্জটা আমি নিচ্ছি। ৬৬ বছর বয়সে এসেও যে এই চ্যালেঞ্জ নিতে পারছি, তার কারণ রানা আমার সঙ্গে আছে বলেই।’

ভক্তদের কল্পনার সেই বেলা বোস রুপালি পর্দায় কেমন হবেন? জানা গেল সে কথাও। ‘গায়ক’ অঞ্জনের গানে এত দিন বেলা বোসকে যেমন ভেবে এসেছেন শ্রোতারা, ছবির বেলায় বেলা সে রকম একেবারেই নয়। গানে জানা গিয়েছিল, প্রেমিক চাকরি পাচ্ছেন না দেখে পরিবারের পছন্দে অন্য জায়গায় বিয়েতে রাজি হয়ে গিয়েছিল বেলা। ছবিতে মোটেও তেমনটি থাকছে না। অঞ্জন আরও জানিয়েছেন, সোশিও পলিটিক্যাল প্রেক্ষাপটে বেলাকে সম্পূর্ণ অন্য রকমভাবে হাজির করবেন তিনি। আর হ্যাঁ, এবারে কিন্তু সেখানে টেলিফোন থাকবে, তোলাও হবে এবং প্রেমও থাকবে। তবে তা সম্পূর্ণ নতুন এক মোড়কে হাজির করা হবে দর্শকের কাছে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published.

     এই সম্পর্কিত আরো খবর...
العربية বাংলা English हिन्दी