শাহীন ডাকাতের পর উঠে এলো আরেক নাম — গর্জনিয়া সীমান্তের গরু চোরাচালানের মূলহোতা রাজিব

শামসুদ্দিন। রামু প্রতিনিধি
প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫ । ৫:৫৯ অপরাহ্ণ

কক্সবাজারের বাংলাদেশ–মায়ানমার সীমান্তে চোরাচালান যেন থামছেই না। শাহীন ডাকাতের পর এবার আলোচনায় এসেছে নতুন এক চোরাকারবারি—রাজিব। অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, রাজিব দীর্ঘদিন ধরে মায়ানমারের আরাকান আর্মির সঙ্গে গোপন নেটওয়ার্ক তৈরি করে গরু চোরাচালান ও ইয়াবা ব্যবসার বিশাল এক সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন।

তথ্য অনুযায়ী, গত সাত বছর ধরে রাজিব গোপনে সীমান্তের দুর্গম পথ ব্যবহার করে মায়ানমার থেকে প্রায় ৪০ হাজার টাকায় গরু কিনে তা বাংলাদেশে এক লক্ষ টাকার বেশি দামে বিক্রি করে আসছেন। শুধু গরুই নয়—গরুর চালানের সঙ্গে একই পথে নিয়মিতই ঢুকছে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের নাকের ডগায় এ অবৈধ ব্যবসা অবাধে চললেও রহস্যজনক কারণে কেউই মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না। রাজিবের সিন্ডিকেট এতটাই শক্তিশালী যে, সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্টে তাদের লোকজন সবসময় সক্রিয় থাকে। আর আরাকান আর্মির সহযোগিতা থাকায় মিয়ানমার এলাকায় তারা পুরোপুরি নিরাপদে চোরাচালান চালিয়ে যাচ্ছে।

দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তে রাজিবের এই আধিপত্য কেবল রাষ্ট্রের রাজস্ব ক্ষতিই করছে না—মাদক প্রবাহ বাড়িয়ে দেশের যুব সমাজকেও বিপদের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত এ সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

সম্পাদক: সোহেল আহম্মেদ নির্বাহী সম্পাদক: মোস্তফা কামাল সুমন কপিরাইট © এম টিভি বাংলা সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন