পর্যটন নগরী কক্সবাজারে প্রশাসনের স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে সৈকতজুড়ে আবারও চলছে আতশবাজি ও ফানুশ ওড়ানোর উল্লাস।
বিশেষ করে সন্ধ্যার পর পর্যটন এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে প্রকাশ্যে আতশবাজি ফোটানো ও আকাশে ফানুশ ওড়াতে দেখা যাচ্ছে, যা পরিবেশ ও জননিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠছে।
পরিবেশবিদদের মতে, আতশবাজি ও ফানুশ থেকে নির্গত বিষাক্ত ধোঁয়া বায়ুদূষণ বাড়ানোর পাশাপাশি সৈকতের জীববৈচিত্র্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে সামুদ্রিক পাখি ও কাছাকাছি আবাসস্থলগুলোর জন্য এটি মারাত্মক ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফানুশ পড়ে আগুন লাগার আশঙ্কাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না তারা।
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন নাগরিকরা বলছেন, অতিরিক্ত শব্দদূষণে শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ রোগীরা চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন। পাশাপাশি অসাবধানতাবশত আগুন লাগলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কাও রয়েছে, যা পর্যটকদের নিরাপত্তাকেও প্রশ্নের মুখে ফেলছে।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আগে থেকেই আতশবাজি ও ফানুশ ওড়ানো নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলেও মাঠপর্যায়ে তদারকির ঘাটতির কারণে একশ্রেণির অসাধু ব্যক্তি তা অমান্য করে চলেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
সচেতন মহল দ্রুত কঠোর অভিযান চালিয়ে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, কক্সবাজার শুধু পর্যটনের শহর নয়—এটি আমাদের পরিবেশ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও সংরক্ষণ করা জরুরি।

মো:আরিফুল ইসলাম | কক্সবাজার জেলা স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারি, ২০২৬ । ১২:১৭ পূর্বাহ্ণ