অতিরিক্ত চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে। আক্রান্তের মধ্যে বেশিরভাগ শিশু ও বৃদ্ধ রয়েছেন।
গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে ঠান্ডাজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে ৫৭৫ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন এবং ১৫ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। এর মধ্যে অ্যাজমা ও নিউমোনিয়ার রোগীর সংখ্যা বেশি রয়েছে। শীতে বিভিন্ন রোগ থেকে সুরক্ষা পেতে সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এছাড়া গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালের হিসাবের বাইরে বিভিন্ন ক্লিনিকে ও স্থানীয় গ্রাম্য চিকিৎসকের মাধ্যমে অনেক রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন।
গত বছরের তুলনায় চলতি শীত মৌসুমে গোপালগঞ্জে নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। এসব রোগীর মধ্যে অধিকাংশ শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তি। ফলে বাড়তি রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে।
সরেজমিনে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেছে বহির্বিভাগে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন অনেক রোগীর অভিভাবকরা তাদের শিশু সন্তানদের নিয়ে। এর মধ্যে আবার অনেক বয়স্করাও এসেছেন। তবে বিপুল রোগীর চাপে চিকিৎসক সংকটের কারণে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে রোগীদের।
এ বিষয়ে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালের কর্মকর্তারা বলেন “প্রচন্ড শীতের কারণে ঠান্ডাজনিত রোগের সংক্রমণ বেড়েছে। গত এক সপ্তাহে ৫৭৫ জন রোগী হাসপাতালের বহির্বিভাগ থেকে চিকিৎসা নিয়েছে। শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ১৫ রোগী ভর্তি রয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালে সবচেয়ে বেশি আসছে নিউমোনিয়া ও অ্যাজমা রোগে আক্রান্ত শিশু ও বয়স্করা।” তিনি আরও বলেন, “জনবল ও চিকিৎসক সংকট রয়েছে। কাঙ্ক্ষিত সেবা দিতে আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। তবুও সাধ্যের মধ্যে চিকিৎসক ও নার্সরা সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছেন।”

মাসুম হাসান । গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশের সময়: সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬ । ৪:৫৬ অপরাহ্ণ