অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশের সময়: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬ । ১২:১১ পূর্বাহ্ণ
শুক্রবার (২২ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে নিজের ফেসবুক পোস্টে হামলার বিষয়টি জানান নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। পোস্টে তিনি লেখেন, “থানার গেট ভেঙে বিএনপি-ছাত্রদল-যুবদল হামলা করেছে।” একই সঙ্গে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন, যেখানে থানার সামনে পুলিশ সদস্য, গাড়ি এবং বিপুল সংখ্যক মানুষের উপস্থিতি দেখা যায়। আরেকটি স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, “প্লিজ, সেভ আস।”
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বের হওয়ার সময় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে কথা বলতে এগিয়ে যান। একপর্যায়ে সাহেদের পেছন দিক থেকে কয়েকজন যুবক নাসীরুদ্দীনকে লক্ষ্য করে ডিম নিক্ষেপ করে। এ ঘটনায় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং হাতাহাতি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে এনসিপির কয়েকজন স্থানীয় নেতাকর্মী আহত হন।
ঘটনার পর বিক্ষোভ শুরু করেন এনসিপির নেতাকর্মীরা। পরে হামলার ঘটনায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে ঝিনাইদহ সদর থানায় যান নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। এ সময় থানার বাইরে অবস্থান নেন এনসিপি, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা।
হামলার জন্য ঝিনাইদহ বিএনপির সভাপতি ও আইনমন্ত্রী আব্দুল মজিদ-এর অনুসারীদের দায়ী করেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তিনি বলেন, “তারা আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে, ডিম নিক্ষেপ করেছে। আমাদের ৩ থেকে ৪ জন আহত হয়েছেন। আমরা এই ন্যক্কারজনক হামলার বিচার চাই। আইনমন্ত্রীর এলাকাতেই যদি আইনশৃঙ্খলার এমন অবস্থা হয়, তাহলে তার মন্ত্রী থাকার প্রয়োজন নেই।”
এ বিষয়ে ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদউজ্জামান জানান, পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
মামলা গ্রহণে গড়িমসির অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সার্ভার ডাউন থাকায় অভিযোগ অনলাইনে এন্ট্রি করা সম্ভব হয়নি। তবে এটি আমলযোগ্য অপরাধের অভিযোগ হওয়ায় অভিযোগ গ্রহণ না করার কোনো সুযোগ নেই। সার্ভার স্বাভাবিক হলেই অভিযোগ নথিভুক্ত করা হবে।”
