ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি আবু সাদিক কায়েম বলেছেন, ভিপি, জিএস ও এজিএসের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বরাদ্দ দেওয়া অর্থের কোনো অংশই তারা গ্রহণ করেননি। ডাকসুর আর্থিক ব্যবস্থাপনায় শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ডাকসু নির্বাচনের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে ডাকসু ভবনের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন সাদিক কায়েম।
তিনি বলেন, ‘অডিট রিপোর্ট গঠন করে দেওয়া হয়েছে। সেই অডিট রিপোর্ট আপনাদের কাছে পেশ করা হবে। আমরা ডাকসুর দায়িত্ব নেওয়ার পর ফাইন্যান্সিয়াল ট্রান্সপারেন্সি শতভাগ নিশ্চিত করেছি। ডাকসুর ভিপি, জিএস, এজিএস, আমরা কেউই ডাকসু থেকে একটি পয়সাও গ্রহণ করিনি। আমাদের অ্যাকাউন্ট পুরোপুরি জিরো।’
সাদিক কায়েম আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডাকসু নেতাদের জন্য যে সুবিধা দেওয়া হয়েছিল, সেটিও তারা গ্রহণ করেননি। কার্যনির্বাহী সদস্যরাও ডাকসুর আয়-ব্যয়ের হিসাব সংরক্ষণ করেছেন। অডিটের মাধ্যমে এসব হিসাবের প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।
ডাকসু নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘গণতান্ত্রিকভাবে আমাদের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। কিন্তু আমরা সে সময় ক্ষমতায় থাকতে চাই না। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়কে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছি, দ্রুত সময়ের মধ্যে ডাকসু নির্বাচনের রূপরেখা ও তফসিল ঘোষণা করতে হবে। নির্বাচন হবে এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিরা এই ক্যাম্পাসে নেতৃত্ব দেবেন। আমরা এখানে কেউ ক্ষমতার চেয়ার আঁকড়ে বসে থাকতে চাই না।’
এ বিষয়ে ডাকসুর জিএস এস এম ফরহাদ বলেন, ‘আমাদের জন্য যে বরাদ্দ ছিল, তা আমরা গ্রহণ করিনি। আমাদের জন্য দেওয়া বরাদ্দ আমরা নাকচ করেছি। চাইলে আমরা নিতে পারতাম, নিইনি।’
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত ডাকসু নির্বাচনে সাদিক-ফরহাদ নেতৃত্বাধীন ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’ ২৮টি পদের মধ্যে ২৩টিতে জয় পায়। নির্বাচনের এক বছর পূর্তি হয়েছে ৯ সেপ্টেম্বর। তবে নির্বাচিত নেতারা শপথ নেন ১৪ সেপ্টেম্বর।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ । ৮:৫৫ অপরাহ্ণ