শেরপুর-নকলায় পাখি শিকারবিরোধী বিশেষ অভিযান, ১২ বক উদ্ধার, শিকারির ৭ দিনের কারাদণ্ড

‎জান্নাতুল বাকী, স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশের সময়: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ । ৫:৪১ অপরাহ্ণ

পাখি শিকার বন্ধ ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে শেরপুর সদর ও নকলা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে পাখি শিকারের সরঞ্জাম উদ্ধারসহ ১২টি বক জীবিত উদ্ধার করে প্রকৃতিতে অবমুক্ত করা হয়েছে।
‎
‎বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ভোর থেকে প্রায় ছয় ঘণ্টাব্যাপী এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, শেরপুর,শেরপুর বার্ড ক্লাব এবং প্রকৃতি ও পরিবেশবাদী সংগঠন শাইন-এর উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
‎
‎অভিযানকালে পাখি শিকারের ৮টি ফাঁদসহ ১২টি বক উদ্ধার করা হয়। পরে উদ্ধার করা বকগুলো নিরাপদে প্রকৃতিতে অবমুক্ত করা হয়। একই সঙ্গে পাখি সংরক্ষণে জনসচেতনতা বাড়াতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে লিফলেট ও স্টিকার বিতরণ করা হয়।
‎
‎এ সময় নকলার গৌড়দ্বার ইউনিয়নের আদমপুর গ্রামের মৃত সুরুজ আলীর ছেলে পাখি শিকারি মো. আব্দুর রাজ্জাককে (৪৫) তিনটি বক ও পাখি শিকারের সরঞ্জামসহ আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
‎
‎ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নকলা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাদিয়া আফরিন। তিনি বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন, ২০২৬-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় এ দণ্ড প্রদান করেন।
‎
‎অভিযানে শেরপুরের বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা সুমন সরকার, ওয়াইল্ডলাইফ রেঞ্জার মো. আব্দুল্লাহ আল আমিন, শেরপুর বার্ড ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং প্রকৃতি ও পরিবেশবাদী সংগঠন শাইন-এর নির্বাহী পরিচালক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মো. মুগনিউর রহমান মনিসহ স্বেচ্ছাসেবক ও সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
‎
‎বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা সুমন সরকার জানান, আটক পাখি শিকারি মো. আব্দুর রাজ্জাককে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা দিয়ে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পাখি শিকার বন্ধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে বলেও জানান তিনি।
‎

সম্পাদক: সোহেল আহম্মেদ নির্বাহী সম্পাদক: মোস্তফা কামাল সুমন কপিরাইট © এম টিভি বাংলা সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন