খুঁজুন
, ,

তিন দফা দাবিতে উপাচার্য বরাবর ইবি ছাত্রদলের স্মারকলিপি

ইবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৭:২০ অপরাহ্ণ
তিন দফা দাবিতে উপাচার্য বরাবর ইবি ছাত্রদলের স্মারকলিপি

শিক্ষার্থীবান্ধব নীতিমালা প্রণয়ন ও বৈষম্যমূলক সিদ্ধান্ত বাতিলসহ তিন দফা দাবিতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উপাচার্য স্মারকলিপি দিয়েছে শাখা ছাত্রদল।

সোমবার (১১ মে) উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বরাবর স্মারকলিপি দেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
এ সময় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ, সদস্য সচিব মাসুদ রুমি মিথুন, সদস্য সাব্বির হোসেন, রাফিজ আহমেদ, নুর উদ্দিনসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

স্মারকলিপিতে শিক্ষার্থীবান্ধব নীতিমালা প্রণয়নে তিন দফা দাবি তুলে ধরা হয়। সকল ধর্মের শিক্ষার্থীদের জন্য ইসলামিক স্টাডিজ এবং বাংলাদেশ স্টাডিজ কোর্স বাধ্যতামূলক করার সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিল করতে হবে, আল-ফিকহ অ্যান্ড ল’ বিভাগে ভর্তির ক্ষেত্রে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের জন্য ৫০% কোটা নির্ধারণের সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে এবং শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি নিরসনে এনালগ পদ্ধতির কারণে ভর্তি প্রক্রিয়ায় জটিলতা, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তর থেকে শিক্ষার্থীদের মূল ও সাময়িক সনদ, ট্রান্সক্রিপ্ট এবং সেমিস্টার/বার্ষিক নম্বরপত্র উত্তোলনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম দ্রুত সম্পূর্ণ ডিজিটালাইজড করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

স্মারকলিপি গ্রহণ করে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, “নন-ক্রেডিট কোর্স হিসেবে ‘ইসলামিক স্টাডিজ’ এমনভাবে রাখা হয়েছে, যাতে সকল শিক্ষার্থী এটি পড়তে পারে। কোর্সটি এমনভাবে ডিজাইন করা হবে, যা ইসলামি শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক শিক্ষাকেও অন্তর্ভুক্ত করবে এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে প্রতিফলিত করবে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া অমুসলিম শিক্ষার্থীরাও যেন কোর্সটি সহজে সম্পন্ন করতে পারে, সেদিকটিও বিবেচনায় রাখা হবে।”

তিনি আরও বলেন, “বিভিন্ন কোটাপদ্ধতি বাতিলের বিষয়ে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সঙ্গে বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমাতে এবারের ভর্তি কার্যক্রমে ‘ওয়ান স্টপ পেমেন্ট সিস্টেম’ চালু করা হয়েছে।”

গাজীপুর কোনাবাড়ী থানার ওসির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ

গাজীপুর প্রতিনিধি: শেখ মোরশেদ আলম জিসান
প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:২৯ অপরাহ্ণ
গাজীপুর কোনাবাড়ী থানার ওসির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক তরুণীকে ধর্ষণ, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কোনাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইফতেখার হোসেনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সোহেল নামের আরও এক ব্যক্তির সম্পৃক্ততার অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী ওই তরুণী।

এ বিষয়ে চলতি বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী। তার বাড়ি গাজীপুর মহানগরের কাশিমপুর এলাকায়। অভিযোগের পর থেকে ওসি ও তাঁর সহযোগীদের হুমকিতে আতঙ্কে দিন কাটছে বলে দাবি করেছেন ওই তরুণী ও তাঁর পরিবার।

অভিযোগ দেওয়ার প্রায় দেড় মাস পেরিয়ে গেলেও বিষয়টি এখনো তদন্তাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

লিখিত অভিযোগে তরুণী উল্লেখ করেন, প্রায় এক বছর পাঁচ মাস আগে ইফতেখার হোসেন কাশিমপুর থানায় কর্মরত থাকাকালে একটি ব্যক্তিগত অভিযোগ নিয়ে তিনি থানায় যান। ওই সময় ওসি তাঁর মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করেন এবং পরবর্তী সময়ে নিয়মিত ফোনালাপের মাধ্যমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। সম্পর্ক চলাকালে ইফতেখার নিজেকে অবিবাহিত পরিচয় দিয়ে তাঁকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেন বলে অভিযোগ করেন ওই তরুণী।

তাঁর অভিযোগ, সম্পর্ক চলাকালে ওসি ইফতেখার হোসেন তাঁকে বিভিন্ন সময় তাঁর বন্ধু সোহেলের বাসায় নিয়ে যেতেন। সেখানে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করতেন। এ ঘটনায় সোহেল সরাসরি সহযোগিতা করেছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। সোহেল নিয়মিত তাঁদের দেখা করানোর ব্যবস্থা করতেন এবং নিজের বাসা ব্যবহারের সুযোগ করে দিতেন বলে দাবি ভুক্তভোগীর।

অভিযোগে আরও বলা হয়, পরবর্তী সময়ে বিয়ের জন্য চাপ দিলে ওসি ইফতেখার তাঁকে পাঁচ বছর অপেক্ষা করতে বলেন। পরে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান। বিষয়টি জানাজানি হলে ওসির বাবা ফোন করে তাঁর পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতা নিয়ে কটূক্তি ও অপমান করেন বলে অভিযোগ করেন তরুণী। এর প্রতিবাদ করায় ওসি তাঁকে গালিগালাজ, মানসিক নির্যাতন ও প্রাণনাশের হুমকি দেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীর দাবি, গত ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ওসি ইফতেখার হোসেনের নির্দেশে তাঁর বন্ধু সোহেল ও কথিত এক আত্মীয় তাঁর বাসায় যান। এ সময় তাঁকে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক মোবাইল ফোন নিয়ে ওসির বিরুদ্ধে থাকা কল রেকর্ড ও মেসেজ মুছে ফেলা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

বর্তমানে ওসি ও তাঁর সহযোগীরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারেন, এমনকি মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর আশঙ্কাও করছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেছেন ওই তরুণী। তাঁর দাবি, ওসি তাঁর মা-বাবার কাছেও বার্তা পাঠিয়েছেন, যেন তাঁকে বিয়ে দিয়ে দেওয়া হয় এবং বিয়ের জন্য কিছু টাকা দেওয়া হবে।

ভুক্তভোগী তরুণী বলেন, “কমিশনারের কাছে অভিযোগ দেওয়ার পর থেকে ওসি ইফতেখার হোসেন আমাকে ও আমার পরিবারকে হুমকি দিচ্ছেন। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে আমার সঙ্গে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক করেছেন। তাঁদের ভয়ে বাসা থেকেও বের হতে পারছি না। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।”

তিনি অভিযুক্ত ওসি ইফতেখার হোসেন ও তাঁর সহযোগী সোহেলের বিরুদ্ধে দ্রুত নিরপেক্ষ বিভাগীয় তদন্ত এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. তাহেরুল হক চৌহান জানান, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগটি তদন্তের জন্য একজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে অভিযুক্ত ওসি ইফতেখার হোসেন ও সোহেলের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

উচ্চশিক্ষিত চরিত্রহীন ব্যক্তি পেশাদার চোর-ডাকাতের চেয়েও ভয়ংকর: ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ণ
উচ্চশিক্ষিত চরিত্রহীন ব্যক্তি পেশাদার চোর-ডাকাতের চেয়েও ভয়ংকর: ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ

পটুয়াখালীর বাউফলে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৫২ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা

পটুয়াখালীর বাউফলে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জনকারী ৫২ জন কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে বাউফল উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা ইসলামী ছাত্রশিবির আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনের সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, “একজন পেশাদার চোর অথবা ডাকাতের চেয়ে একজন উচ্চশিক্ষিত চরিত্রহীন মানুষ বেশি ভয়ংকর। কারণ, তার মধ্যে নীতি-নৈতিকতা নেই। আজকাল অনেকের ক্যারিয়ার আছে, কিন্তু ক্যারেক্টার নেই।”

তিনি বলেন, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ব্যারিস্টার কিংবা বড় কর্মকর্তা হওয়াই জীবনের প্রকৃত সফলতা নয়। অর্জিত শিক্ষাকে ভালো কাজে ব্যবহার করতে হবে। দুনিয়ায় একজন ভালো মানুষ হতে পারাই প্রকৃত সফলতা। দেশে উচ্চশিক্ষিত মানুষের অভাব না থাকলেও নৈতিকতা ও ভালো মানুষের অভাব রয়েছে। বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ভালো মানুষ তৈরির প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, পবিত্র কোরআনের প্রথম নির্দেশনা ‘ইকরা বিসমি রব্বিকাল্লাজি খালাক’। পড়াশোনা একটি ইবাদত এবং নারী-পুরুষ সবার জন্য শিক্ষা অর্জন ফরজ। এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পেছনে পিতা-মাতা ও শিক্ষকদের অবদানের পাশাপাশি মহান আল্লাহর রহমত রয়েছে।

সংবর্ধনা নিতে আসা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে সংসদ সদস্য বলেন, “তোমাদের কাউকে শিবির করতে ডাকা হয়নি, ডাকা হয়েছে ভালো মানুষ হতে।” এ সময় তিনি জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের রাজনীতি এবং ধর্মীয় অনুশীলন নিয়ে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন।

উচ্চশিক্ষার বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, ভবিষ্যতে যারা উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যেতে চায়, তাদের সহযোগিতা করবে ছাত্রশিবির। গত কয়েক মাসে বাউফলের ছয়জন শিক্ষার্থীকে দেশের বাইরে পাঠাতে পেরেছেন বলেও জানান তিনি। শিক্ষার্থীদের বড় স্বপ্ন দেখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের মধ্য থেকেই কেউ একদিন জাতিসংঘের মহাসচিব হতে পারে। স্বপ্ন বাস্তবায়নে পাশে থাকার আশ্বাসও দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাউফল উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আরিফুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জাকারিয়া ইসলাম, বাউফল উপজেলা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মো. আব্দুল্লাহ, উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা রফিকুল ইসলাম ও উপজেলা জামায়াতের অর্থ সম্পাদক মাহমুদুল্লাহসহ অন্যরা।

অনুষ্ঠান শেষে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৫২ শিক্ষার্থীর হাতে ক্রেস্ট, ফুল, পবিত্র কোরআন শরিফ, বই, কলম ও প্যাড তুলে দেওয়া হয়। পরে তাদের জন্য নাশতার আয়োজন করা হয়।

এর আগে শনিবার সকাল ১১টায় সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বাউফলের কালাইয়া বাজার ও হাইস্কুল-সংলগ্ন ৪৫০ ফুট দীর্ঘ ও ১২ ফুট প্রশস্ত সড়কের উন্নয়নকাজ উদ্বোধন করেন। দুপুর ১২টায় কনকদিয়া ইউনিয়নের ব্রাহ্মণবিল এলাকায় নবনির্মিত একটি সেতু উদ্বোধন করেন তিনি। এ সময় একই ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামীর চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে মাহমুদ খানের নাম ঘোষণা করেন সংসদ সদস্য।

মেঘনায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

হোসাইন মোহাম্মদ দিদার :
প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ২:৪২ অপরাহ্ণ
মেঘনায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী অ্যাডভোকেট ড. খন্দকার মারুফ হোসেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরেন। দিবসটির ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব নিয়ে তিনি আলোচনা করেন।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, জনপ্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মৌসুমী আক্তারের সভাপতিত্বে এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন মেঘনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শহিদুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল ওয়াদুদ মুন্সি, সদস্য সচিব এসএম সালাউদ্দিন সরকারসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী এবং উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।
আলোচনা সভায় বক্তারা জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র ও জাতীয় ঐক্য সুসংহত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।