খুঁজুন
, ,

পঞ্চগড়ে ওলামা দলের ভিডিও-ছবি জামায়াতের নামে প্রচার, ছাত্রদলের ৬ নেতাকর্মীর নামে মামলা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:০৬ অপরাহ্ণ
পঞ্চগড়ে ওলামা দলের ভিডিও-ছবি জামায়াতের নামে প্রচার, ছাত্রদলের ৬ নেতাকর্মীর নামে মামলা

পঞ্চগড়ের এক ওলামা দলের নেতার সঙ্গে এক নারীর আপত্তিকর অবস্থার ভিডিও ও ছবি কুড়িগ্রামের কয়েকজন ছাত্রদল নেতাকর্মী তাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর এক নেতা ও ২৫ কুড়িগ্রাম-১ আসনের সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত সহকারী (এপিএস) পরিচয়ে প্রচারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ছয় নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে নাগেশ্বরী থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।

গত ২০ সেপ্টেম্বর (রোববার) ২৫ কুড়িগ্রাম-১ আসনের সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত সহকারী (এপিএস) মো. এরশাদুল হক নাগেশ্বরী থানায় এ অভিযোগ করেন।

অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ভূরুঙ্গামারী সদর ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মো. আব্দুল্লাহ আল লেমন, ভূরুঙ্গামারী উপজেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক সেলিম মিয়া, ভূরুঙ্গামারী সদর ইউনিয়ন শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আরমান, জিয়া সাইবার ফোর্স কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সহ-সভাপতি ও ভূরুঙ্গামারী উপজেলা শাখা ছাত্রদলের মো. জাহাঙ্গীর আলম, এছাড়া মো. সাইদুল ইসলাম এবং ‘ন্যাশনালিস্ট ফাইদার’ নামের ফেসবুক পেজ পরিচালনাকারী বলে জানা গেছে।

অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক তরুণীকে ঘিরে আপত্তিকর অবস্থার একটি ভিডিও ও ছবি ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটির প্রকৃত ঘটনা পঞ্চগড় জেলার ওলামা দলের এক সদস্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। ওই ব্যক্তিকে ঘিরেই ভিডিও ও ছবিটি ধারণ ও প্রচার করা হয়েছে কিন্তু ঘটনার প্রকৃত পরিচয় আড়াল করে কতিপয় ব্যক্তি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ওই ভিডিও ও ছবিকে ২৫ কুড়িগ্রাম-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. আনোয়ারুল ইসলামের ব্যক্তিগত সহকারী এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একজন নেতার ছবি ও পরিচয় হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করছেন। এতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সামাজিক ও রাজনৈতিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে।

ভিডিও ও ছবির প্রকৃত উৎস এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিচয় যাচাই না করে এভাবে প্রচার অব্যাহত থাকলে তা আরও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এ কারণে ভাইরাল ভিডিও ও ছবির প্রকৃত উৎস, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিচয় এবং কারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তা প্রচার করছে—এসব বিষয় তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

এদিকে, অভিযোগে নাম থাকা কয়েকজনের বিরুদ্ধে স্থানীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক দলের নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন সরকারি অফিসে মানুষের কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে টাকা নেওয়া, স্থানীয় বিচার-শালিশে অর্থের বিনিময়ে অসহায় ব্যক্তিদের প্রতি অবিচার করা এবং অবৈধভাবে প্রশাসনকে ম্যানেজ করে নদী বা পুকুর থেকে বালু উত্তোলনের মতো অভিযোগও রয়েছে। স্থানীয়ভাবে এসব বিষয়ে একাধিক অভিযোগ থাকলেও অনেকে ভয় বা বিভিন্ন কারণে প্রকাশ্যে কথা বলতে পারছেন না।

অভিযোগকারী মো. এরশাদুল হক বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমাকে ঘিরে যে ভিডিও, ছবি ছড়ানো হয়েছে তাতে অনেকেই আমাকে মিন করে বাজে কমেন্ট করেছে, দলের ভাবমুর্তী নষ্ট করেছে। আমি সামাজিক ও মানষিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হয়েছি। সরকার গুজব ছড়ানো বন্ধ করতে বলছে আর এদিকে সরকারি দলের ব্যক্তিরা গুজব ছড়াচ্ছে। তাই বিষয়টি পরামর্শ করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ফেসবুক লিংক ও অন্যান্য তথ্য সহকারে অভিযোগ দাখিল করে প্রচলিত আইনে বিচার চেয়েছি।

নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তবে অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের অভিযোগের বিষয়ে তাদের বক্তব্য জানা যায়নি। অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।

উল্লেখ্য, ইতোমধ্যে ‘দ্য ডিসেন্ট’ জামায়াতের নামে প্রচারিত ভিডিওটি ফ্যাক্টচেক করে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পঞ্চগড়ে এক তরুণীসহ আটক ব্যক্তি মো. শহিদুল ইসলাম জামায়াতে ইসলামীর নেতা নন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের পঞ্চগড় জেলা শাখার সদস্য এবং পঞ্চগড় সুগার মিল জামে মসজিদের খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

নাসিরউদ্দীন পাটোয়ারীর বক্তব্য বিকৃত উপস্থাপনের অভিযোগ, এনসিপির নিন্দা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১১ পূর্বাহ্ণ
নাসিরউদ্দীন পাটোয়ারীর বক্তব্য বিকৃত উপস্থাপনের অভিযোগ, এনসিপির নিন্দা

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়কারী নাসিরউদ্দীন পাটোয়ারীর বক্তব্য খণ্ডিত ও বিকৃতভাবে উপস্থাপনের অভিযোগ তুলে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে দলটি।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দলটির দফতর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনের বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নাসিরউদ্দীন পাটোয়ারীর বক্তব্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিকৃত করে বিএনপি ও তাদের অনুসারীরা রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছে এনসিপি।

দলটির দাবি, পাটোয়ারীর প্রকৃত বক্তব্য ছিল, ‘আওয়ামী লীগকে বাংলাদেশ থেকে বাদ দিতে হলে সংস্কার দরকার, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও জুলাই গণহত্যার বিচার—এই তিনটি দাবি মানলেই আর ককটেল ফুটবে না ঢাকা শহরে।’

এনসিপি বলছে, বক্তব্যটির মূল উদ্দেশ্য ছিল ফ্যাসিবাদের স্থায়ী বিলোপ এবং দেশে আইনশৃঙ্খলা ও শান্তি ফিরিয়ে আনার প্রস্তাব তুলে ধরা।

বিবৃতিতে আরও অভিযোগ করা হয়, নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের নাশকতা দমনে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ব্যর্থ হয়েছে। সেই ব্যর্থতা আড়াল করতেই এনসিপি ও বিরোধী দলগুলোর ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

এনসিপি জানিয়েছে, জুলাই গণহত্যার বিচার, প্রয়োজনীয় সংস্কার এবং গণভোটের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টার প্রতিবাদে শেরপুরে যুবদলের  মিছিল-সমাবেশ

‎জান্নাতুল বাকী জেলা প্রতিনিধি শেরপুর
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ণ
দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টার প্রতিবাদে শেরপুরে যুবদলের  মিছিল-সমাবেশ

পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টার প্রতিবাদে শেরপুরে মিছিল ও সমাবেশ করেছে জেলা যুবদল।
‎মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জেলা যুবদলের উদ্যোগে শহরের থানা মোড় থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় থানা মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
‎সমাবেশে শেরপুর জেলা যুবদলের সদ্য গঠিত কমিটির সভাপতি মো. আতাহারুল ইসলাম আতা, সাধারণ সম্পাদক মো. শওকত হোসেন, সিনিয়র সহসভাপতি মবিনুজ্জামান মিল্টন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মানিক ও হাশেম আহমেদ সিদ্দিকীসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
‎সমাবেশে বক্তারা বলেন, পতিত ফ্যাসিস্ট ও তাদের সহযোগীরা দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করছে বলে তারা মনে করেন। তারা বলেন, দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং যেকোনো ধরনের সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের অপচেষ্টা প্রতিহত করতে যুবদলের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ ও প্রস্তুত রয়েছে

টাঙ্গাইলের বাসাইলে ১০ কোটি টাকার সেতুতে রডের বদলে বাঁশ, সাব-ঠিকাদার গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ণ
টাঙ্গাইলের বাসাইলে ১০ কোটি টাকার সেতুতে রডের বদলে বাঁশ, সাব-ঠিকাদার গ্রেপ্তার

টাঙ্গাইলের বাসাইলে ১০ কোটি ৯ লাখ ৯২ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন একটি সেতুর ফুটপাতের স্ল্যাব তৈরিতে রডের পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহারের অভিযোগে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় সাব-ঠিকাদার শাহ আলমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাসাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর কবির। এর আগে মঙ্গলবার দুপুরে বাসাইল পৌরসভার মাইজখাড়া সেতুর কাছ থেকে শাহ আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার শাহ আলম (৪৪) রংপুরের পীরগাছা উপজেলার বালাপাড়া এলাকার মৃত নবুর উদ্দিনের ছেলে। বাসাইল উপজেলা প্রকৌশলী কাজী ফাত্তাউর রহমান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে ঠিকাদার এসএম জাহাঙ্গীর আলমকে। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

জানা গেছে, বাসাইল জিসি-কাউলজানী ইউপি অফিস ভায়া মাইজখাড়া জিপিএস সড়কে ৯০ দশমিক ৬ মিটার দীর্ঘ পিএসসি গার্ডার সেতু নির্মাণের কাজ পায় মেসার্স ইউনুছ আল মামুন-মেসার্স জাকির এন্টারপ্রাইজ (জেবি)। ১০ কোটি ৯ লাখ ৯২ হাজার টাকা ব্যয়ে সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে। পরে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হয়।

সেতুটির প্রায় ৮০ শতাংশ কাজ শেষ হলেও বাকি রয়েছে ২০ শতাংশ কাজ। গত রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন সেতুর ফুটপাতের স্ল্যাব তৈরিতে রডের পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহার করে ঢালাই শুরু করেন বলে অভিযোগ ওঠে। স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে বাধা দিলে কাজ বন্ধ হয়ে যায়। স্থানীয়রা মোবাইল ফোনে ওই কাজের ভিডিও ধারণ করেন। পরে তারা চলে গেলে রাতেই আবার ঢালাইয়ের কাজ শেষ করা হয় বলে অভিযোগ।

পরবর্তীতে স্থানীয়দের ধারণ করা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে তৎপর হয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেনের স্বাক্ষরে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (অতিরিক্ত) মো. আহাদি হোসেনকে আহ্বায়ক করে কমিটিতে বাসাইল পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী রবিউল আলম ও উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. আলতাব হোসেনকে সদস্য করা হয়েছে। কমিটিকে এক দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

এ ছাড়া ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। কাজের ত্রুটি সংশোধন (রেকটিফিকেশন) এবং গাফিলতির বিষয়ে কৈফিয়ত তলব করা হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) ঢাকা অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবুল মনজুর মুহাম্মদ ছাদেক।

বাসাইল উপজেলা প্রকৌশলী কাজী ফাত্তাউর রহমান বলেন, নিয়ম অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের উপস্থিতি ও তদারকির মাধ্যমে সেতুর কাজ সম্পন্ন করার কথা। কিন্তু প্রকৌশল বিভাগের অনুপস্থিতিতে ঠিকাদার ও সাব-ঠিকাদার রাতের আঁধারে গোপনে ওয়াকওয়ে ও ফুটপাতের ঢালাইয়ের কাজ করেন। বিষয়টি তারা অত্যন্ত ত্রুটিপূর্ণ ও অসামঞ্জস্যপূর্ণ হিসেবে দেখছেন।

তিনি জানান, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করার পর তাদের পরামর্শে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। ঢাকা অঞ্চল থেকে প্রকৌশলীদের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করছে। ল্যাব টেস্টসহ প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে বিস্তারিত প্রতিবেদন দেওয়া হবে। প্রতিবেদন অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাসাইল থানার ওসি আলমগীর কবির বলেন, সেতুতে রডের পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহারের ঘটনায় দুইজনের নাম উল্লেখ করে মামলা হয়েছে। মামলার প্রধান আসামি ঠিকাদার এসএম জাহাঙ্গীর আলম এবং সাব-ঠিকাদার শাহ আলম। শাহ আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে।