খুঁজুন
, ,

রায়পুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শাহরিয়ার ফয়সাল এর উদ্যোগে হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

মো ইউনুচ ,রায়পুর
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৩৫ অপরাহ্ণ
রায়পুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শাহরিয়ার ফয়সাল এর উদ্যোগে হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

 

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২৫ অক্টোবর) রায়পুর উপজেলা মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেন উত্তর কেরোয়া আল আমিন হাফেজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ফরহাদ হাসান। তিনি স্বর্ণপদক ও নগদ ১৫ হাজার টাকা পুরস্কার পান। দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন রায়পুর দারুল কুরআন ইসলামিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী ওমর ফারুক। তিনি স্বর্ণপদক ও নগদ ১০ হাজার টাকা পুরস্কার পান। তৃতীয় স্থান অর্জনকারীর জন্য ছিল রৌপ্যপদক ও নগদ ৭ হাজার টাকা। এ ছাড়া চতুর্থ থেকে দশম স্থান অর্জনকারীদের সম্মাননা ক্রেস্ট দেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়।

লক্ষ্মীপুরে মাদরাসাছাত্রকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে শিক্ষক আটক

মোহাম্মদ জাকির শাহ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:০৫ অপরাহ্ণ
লক্ষ্মীপুরে মাদরাসাছাত্রকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে শিক্ষক আটক

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ থানার মান্দারী ইউনিয়নের গন্ধব্যপুর এহ্ইয়াউল উলুম হাফিজিয়া মাদ্রাসার এক আবাসিক শিক্ষার্থীকে দীর্ঘদিন ধরে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মাওলানা ইব্রাহিম নামে এক শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ। অপর অভিযুক্ত মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষকের ছেলে মোহাম্মদকে আটক করা যায়নি।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) শিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় অভিযোগ করলে ওই দিন বিকেল ৪টার দিকে মাদ্রাসা থেকে মাওলানা ইব্রাহিমকে আটক করে পুলিশ।
অভিযোগ অনুযায়ী, মাদ্রাসার আবাসিক শিক্ষার্থী মো. (ছদ্মনাম) (৯) সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে পালাক্রমে যৌন নিপীড়নের ঘটনা ঘটেছে।
শিক্ষার্থীর মা বলেন, ছেলেকে কোরআনে হাফেজ করার উদ্দেশ্যে মাদ্রাসাটির আবাসিক বিভাগে ভর্তি করেছিলেন। ইতোমধ্যে তার ছেলে পবিত্র কোরআনের চার পারা হিফজ করেছে। কিন্তু দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ছেলেকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের কঠোর শাস্তি দাবি করেন।
চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রব বলেন অভিযোগের ভিত্তিতে মাওলানা ইব্রাহিমকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তাঁকে আদালতে পাঠানো হবে।

ভূরুঙ্গামারীতে ভিক্ষুক পুনর্বাসনে ১১টি গরু বিতরণের তালিকা ও বরাদ্দ তথ্য দিতে নারাজ; তদন্তের দাবি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:০৩ অপরাহ্ণ
ভূরুঙ্গামারীতে ভিক্ষুক পুনর্বাসনে ১১টি গরু বিতরণের তালিকা ও বরাদ্দ তথ্য দিতে নারাজ; তদন্তের দাবি

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে ভিক্ষুকদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে সরকারি কর্মসূচির আওতায় ১১টি গরু বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে গরু কেনার জন্য কত টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, কারা উপকারভোগী এবং তাঁদের নাম-ঠিকানা কী—এসব তথ্য জানতে চেয়েও পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তথ্য দিতে অনীহার ঘটনায় কর্মসূচির স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছেন অনেকে। কেউ কেউ সরকারি বরাদ্দ ও বিতরণ কার্যক্রম তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

রোববার (২৫ অক্টোবর) উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের মাধ্যমে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়। এ সময় উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. শামছুজ্জামান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমৃত দেবনাথ, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কাজী আলাউদ্দিন মন্ডল, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো. রফিকুল ইসলাম, ছাত্রদলের জাহাঙ্গীরসহ সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, উপজেলার ১১ জন ভিক্ষুকের মধ্যে ১১টি গরু বিতরণের পরিকল্পনা ছিল। তবে উপকারভোগীদের তালিকা, গরু কেনার ব্যয় ও সরকারি বরাদ্দের পরিমাণ জানতে চাইলে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. শামছুজ্জামান তথ্য দিতে রাজি হননি।

তিনি বলেন, শুধু ১১টি গরু বিতরণের বিষয়টি উল্লেখ করে প্রতিবেদন করতে। উপকারভোগীদের নামের তালিকা ও সরকারি বরাদ্দের তথ্য কেন প্রয়োজন, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। প্রতিবেদনে সঠিক তথ্য থাকা প্রয়োজন জানালে তিনি বলেন, ১১ জনের মধ্যে তিনজন উপস্থিত হননি এবং তালিকায় ইউএনওর স্বাক্ষর নেওয়া হয়নি। পরদিন স্বাক্ষর নিয়ে দিবেন বলেন তিনি। তবে সরকারি বরাদ্দের তথ্য কোনভাবেই দিতে রাজি না।

অন্যদিকে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমৃত দেবনাথ বলেন, ১১ জন ভিক্ষুকের মধ্যে ১১টি গরু বিতরণের কথা ছিল। একজন উপস্থিত না হওয়ায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে ১০ জনের মধ্যে গরু বিতরণ করা হয়েছে। বাকি একজন উপস্থিত হলে তাঁকেও গরু দেওয়া হবে। তবে তিনিও উপকারভোগীদের তালিকা ও সরকারি বরাদ্দের বিষয়ে তথ্য জানতে চাইলেও জানাননি।

এখানে বিতরণসংক্রান্ত বক্তব্যে সংখ্যাগত অসংগতি রয়েছে। সমাজসেবা কর্মকর্তার বক্তব্য অনুযায়ী, তিনজন উপস্থিত হননি। অন্যদিকে ইউএনও জানিয়েছেন, একজন অনুপস্থিত থাকায় ১০ জনের মধ্যে গরু বিতরণ করা হয়েছে।

সমাজসেবা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে সরকার ২০১০ সালের আগস্টে এ কর্মসূচি শুরু করে। পরবর্তী সময়ে কর্মসূচিটি সুশৃঙ্খলভাবে বাস্তবায়নের জন্য ২০১৯ সালে ‘ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থান বাস্তবায়ন নীতিমালা’ প্রণয়ন করা হয়।

সমাজসেবা অধিদপ্তরের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এ কর্মসূচির জন্য ১২ কোটি টাকা বরাদ্দের কথা উল্লেখ রয়েছে। তবে এই অর্থ জাতীয় পর্যায়ের কর্মসূচির বরাদ্দ; ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় ১১টি গরু বিতরণের জন্য কত টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, তা এ তথ্য থেকে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ কে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। তবে বিষয়টি তাকে হোয়াটসঅ্যাপে জানানো হয়।

এ বিষয়ে উপস্থিত স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকার বরাদ্দ দিয়েছে। সরকারি বরাদ্দের যথাযথ বাস্তবায়ন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। সাংবাদিকেরা এসব তথ্য নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করলেই সাধারণ মানুষ সরকারের বরাদ্ধ এবং কতটুকু ব্যবহার হচ্ছে তা সম্পর্কে জানতে পারবেন।

ভিক্ষুকদের স্বাবলম্বী করে তোলার লক্ষ্যে নেওয়া এ ধরনের উদ্যোগে প্রকৃত উপকারভোগী নির্বাচন, গরু কেনার ব্যয়, বিতরণের তালিকা এবং বরাদ্দের হিসাব স্বচ্ছ রাখা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তাই ভূরুঙ্গামারীতে কত টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, কী দামে গরু কেনা হয়েছে, কারা গরু পেয়েছেন এবং বিতরণসংক্রান্ত নথিতে কী তথ্য রয়েছে—এসব বিষয় যাচাই করে প্রয়োজনীয় তদন্তের দাবি উঠেছে।

কক্সবাজারের ঈদগড়-ঈদগাঁও সড়কের ডাকাতি মামলার সন্দেহভাজন আসামিকে গ্রেফতার করেছে এসআরবি-১৫

আহনাফ হামিম, বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৫৬ অপরাহ্ণ
কক্সবাজারের ঈদগড়-ঈদগাঁও সড়কের ডাকাতি মামলার সন্দেহভাজন আসামিকে গ্রেফতার করেছে এসআরবি-১৫

কক্সবাজারের বহুল আলোচিত ঈদগাঁও–ঈদগড় সড়কের হিমছড়ি ঢালা এলাকায় সংঘটিত ডাকাতির ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে মো. ইমাম হোসাইন (৩২) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১৫ (এসআরবি-১৫)।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিকেল ৪টা ২০ মিনিটের দিকে রামু উপজেলার ঈদগড় ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম হাসনাকাটা এলাকায় ‘হাসনাকাটা সবুজ বাংলা যুব সমাজ’ কার্যালয়ের সামনে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি ব্যবহৃত অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে।

এসআরবি-১৫-এর প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ব্যাটালিয়নটির সদর দপ্তরের একটি আভিযানিক দল এ অভিযান পরিচালনা করে।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে গ্রেপ্তার ব্যক্তির গত ১৯ অক্টোবর ঈদগাঁও–ঈদগড় সড়কের হিমছড়ি ঢালা নামক পাহাড়ি এলাকায় সংঘটিত ডাকাতির ঘটনায় সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে ব্যাটালিয়নটি। এ ঘটনায় ঈদগাঁও থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার মো. ইমাম হোসাইন রামু উপজেলার ঈদগড় ইউনিয়নের হাসনাকাটা এলাকার মৃত মোক্তার আহাম্মদের ছেলে।

পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে কক্সবাজারের ঈদগাঁও থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে এসআরবি-১৫।

সূত্র: এসআরবি-১৫-এর প্রেস বিজ্ঞপ্তি, ২৪ অক্টোবর ২০২৬।