খুঁজুন
, ,

সাভারে যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল

মোঃ রবিউল ইসলাম সিয়াম স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২৯ অপরাহ্ণ
সাভারে যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল

বাংলাদেশকে পরিকল্পিত সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও সহিংসতার মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টার প্রতিবাদে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল। আজ শুক্রবার বিকেলে সাভারের থানা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আইয়ুব খান।

সভাপতিত্ব করেন ঢাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক নাজমুল হাসান অভি। প্রধান বক্তা ছিলেন ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সভাপতি মোহাম্মদ তমিজ উদ্দিন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল হাসেম বেপারি, ঢাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান মোহন এবং ঢাকা জেলা দক্ষিণ ছাত্রদলের সভাপতি পাভেল মোল্লা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ ইকবাল এবং ঢাকা জেলা দক্ষিণ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম নিরব।

এ ছাড়া কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সাবেক ঢাকা জেলা বিএনপির যুগ্মসাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম মন্ডল, আশুলিয়া থানা যুবদলের সাবেক সভাপতি রাকিব দেওয়ান রকি এবং ঢাকা জেলা যুবদল নেতা শাওন সরকারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার স্বাভাবিক অংশ। তবে মতপার্থক্যকে কেন্দ্র করে সহিংসতা, সন্ত্রাস কিংবা জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। পরিকল্পিতভাবে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করে দেশের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত করার যেকোনো অপচেষ্টা প্রতিহত করতে হবে।

তারা আরও বলেন, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক দলগুলোর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। কোনো পক্ষ যাতে সন্ত্রাস, নৈরাজ্য বা সহিংসতার মাধ্যমে জনজীবনে অস্থিরতা তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।

বক্তারা রাজনৈতিক কর্মীদের দায়িত্বশীল আচরণ এবং শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মাধ্যমে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তারা অভিযোগ করেন, পরিকল্পিতভাবে সন্ত্রাস ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবেশ অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।

সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল সাভারের বিভিন্ন স্থান ঘুরে সাভার সিটি সেন্টারের সামনে এসে শেষ হয়।

কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩-এর এলাকা পরিচালক পদে রানা সরকারকে পেতে চায় এলাকাবাসী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪১ পূর্বাহ্ণ
কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩-এর এলাকা পরিচালক পদে রানা সরকারকে পেতে চায় এলাকাবাসী

 

কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩-এর এলাকা পরিচালক নির্বাচনে এলাকা–০১ থেকে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন রানা সরকার। এলাকা–০১-এর আওতাধীন পল্লী বিদ্যুতের সম্মানিত সদস্যদের মতামত, পরামর্শ ও সহযোগিতা নিয়ে দায়িত্বশীলভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।
এলাকা–০১-এর আওতায় রয়েছে—দাউদকান্দি পৌরসভা, দাউদকান্দি উত্তর, মারুকা, গোয়ালমারী, পদুয়া, সুন্দলপুর, দৌলতপুর ও পাঁচগাছিয়া।
রানা সরকার বলেন, তিনি এলাকা–০১-এর সদস্যদের মতামত ও পরামর্শকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে চান। সদস্যদের প্রত্যাশা ও সমস্যাগুলো যথাযথভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরার পাশাপাশি বিদ্যুৎ-সেবা সংক্রান্ত বিষয়ে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
এলাকার সদস্যদের সঙ্গে সমন্বয়, তাদের মতামত গ্রহণ এবং সেবার মানোন্নয়নে ভূমিকা রাখার লক্ষ্যেই তিনি এলাকা পরিচালক পদে প্রার্থী হতে চান বলে জানান।
রানা সরকার এলাকা–০১-এর সম্মানিত সদস্যদের দোয়া, শুভকামনা, মতামত ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছেন।
এ বিষয়ে তাঁর সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, নির্বাচিত হলে সদস্যদের স্বার্থ ও প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে দায়িত্ব পালন করতে চান। তিনি বলেন, “সদস্যদের মতামত ও পরামর্শকে গুরুত্ব দিয়ে দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে চাই। সবার সহযোগিতা ও দোয়া প্রত্যাশা করছি।”
এদিকে স্থানীয় কয়েকজন পল্লী বিদ্যুৎ সদস্যের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এলাকা পরিচালক হিসেবে এমন একজনকে তারা চান, যিনি সদস্যদের বিভিন্ন সমস্যা ও ভোগান্তির কথা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরবেন এবং সেবার মানোন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন।
স্থানীয় এক সদস্য বলেন, “রানা সরকার দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তিনি দাউদকান্দি উপজেলা ছাত্রদল ও পৌরসভা যুবদলের রাজনীতিতে যুক্ত আছেন। তিনি এলাকা পরিচালক নির্বাচিত হলে সদস্যদের কথা গুরুত্ব দিয়ে শুনবেন—এমন প্রত্যাশা আমাদের রয়েছে।”
আরেক সদস্য বলেন, “বিদ্যুৎ-সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা দ্রুত সমাধানে সদস্যদের একজন দায়িত্বশীল প্রতিনিধি প্রয়োজন। রানা সরকার প্রার্থী হলে আমরা তাঁর সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নিতে চাই।”
এলাকার সদস্যদের প্রত্যাশা, বিদ্যুৎ সেবার মানোন্নয়ন, গ্রাহক হয়রানি কমানো এবং সদস্যদের বিভিন্ন সমস্যা দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপনে এলাকা পরিচালক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।
উল্লেখ্য, কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩-এর এলাকা পরিচালক নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন এলাকায় সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে সদস্যদের মধ্যে আলোচনা চলছে।

শেরপুরের শ্রীবরদীতে ফলবান কলাগাছ কর্তন, গ্রেপ্তার ২

‎জান্নাতুল বাকী জেলা প্রতিনিধি শেরপুর
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩৩ অপরাহ্ণ
শেরপুরের শ্রীবরদীতে ফলবান কলাগাছ কর্তন, গ্রেপ্তার ২

শেরপুরের শ্রীবরদীতে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রায় ৩০ শতাংশ জমির ফলবান কলাগাছ কেটে ফেলার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উপজেলার রানীশিমুল ইউনিয়নের পশ্চিম বিলবরাট এলাকার মো. সোলায়মান মোল্লাসহ সাতজনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী আরাফাত আল বেহেস্তী হক ওরফে রিংকু।
‎অভিযোগে অন্য আসামিরা হলেন—মেহেদী হাসান প্রিন্স, ঝাবরু, কালু মিয়া, মুসলিম, শুটকু মিয়া ও খোকা মিয়া।
‎অভিযোগ আমলে নিয়ে গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে প্রধান আসামি সোলায়মান মোল্লার ছেলে মেহেদী হাসান প্রিন্স ও খোকা মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।
‎সরেজমিনে গিয়ে এলাকাবাসী ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ১টার দিকে রিংকুর কলাবাগানে থাকা প্রায় ৪ শতাধিক কলাগাছ কেটে ফেলা হয়। এর মধ্যে অধিকাংশ গাছই ছিল ফলবান। একই সঙ্গে সাথী ফসল হিসেবে লাগানো বেগুন, মরিচ, লাউ, পুঁইশাকসহ বিভিন্ন গাছের চারাও নষ্ট করা হয়। এতে প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ভুক্তভোগীর।
‎গাছ কাটার খবর পেয়ে রিংকু ও তার স্ত্রী ঘটনাস্থলে গেলে তাদের বাধা দেওয়া এবং ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগও রয়েছে। পরে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে পৌঁছালে অভিযুক্তরা সেখান থেকে চলে যায়।
‎ভুক্তভোগী ও স্থানীয়দের অভিযোগ, সোলায়মান মোল্লা অতীতে ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি থাকাকালে রাজনৈতিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করেছেন। তার বিরুদ্ধে জমি দখল, বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে চাপ সৃষ্টি, মিথ্যা মামলা দেওয়ার ভয় দেখানো, এলাকায় মাদক ব্যবসা ও চুরি-ডাকাতির নেতৃত্ব দেওয়াসহ প্রতিপক্ষকে মারধরের অভিযোগ রয়েছে।
‎পশ্চিম বিলবরাট এলাকার খোরশেদ আলম বলেন, সোলায়মান মোল্লাকে কেন্দ্র করে এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অসন্তোষ রয়েছে। জমি সংক্রান্ত বিরোধে প্রভাব বিস্তার ও চাপ প্রয়োগের অভিযোগও শোনা যায়। এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা বের করার দাবি জানান তিনি।
‎স্থানীয় দুলদুল আহমেদ বলেন, জমি নিয়ে কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে মামলা দেওয়ার ভয় দেখানোর অভিযোগ রয়েছে কৃষক লীগের নেতা সোলায়মান মোল্লার বিরুদ্ধে। অতীতেও তার নানার জমি দখলের অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান দুলদুল।
‎তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে সোলায়মান মোল্লা বলেন, জমি নিয়ে বিরোধ থাকলেও কলাগাছ কাটার ঘটনায় তিনি জড়িত নন।
‎এ বিষয়ে শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নুরুল আলম বলেন, এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্ত দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সাভারে আত্মগোপনে থাকা দণ্ডপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগ নেতা মোবাইল মনির গ্রেফতার

মোঃ রবিউল ইসলাম সিয়াম স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৫৩ অপরাহ্ণ
সাভারে আত্মগোপনে থাকা দণ্ডপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগ নেতা মোবাইল মনির গ্রেফতার

নিষিদ্ধ ঘোষিত সাভার সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো: মনির হোসেন ওরফে মোবাইল মনিরকে গ্রেপ্তার করেছে সাভার মডেল থানা পুলিশ।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫ টায়
আশুলিয়ার নবীনগর সেনা শপিং কমপ্লেক্স এলাকা থেকে সাভার মডেল থানা পুলিশের অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অভিযানের নেতৃত্ব দেওয়া সাভার মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো: আশরাফুল ইসলাম।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গ্রেপ্তার মো: মনির হোসেন (৪৬) সাভার পৌরসভার উত্তর রাজাসন এলাকার বাসিন্দা মোঃ ইউনুস খানের ছেলে। তিনি সাভার সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এবং সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পলাতক উপজেলা চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম রাজীবের ঘনিষ্ঠ অনুসারী।

জানা যায়, মনিরের বিরুদ্ধে ২০১৯ সালে আদালতে জাল জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগে সি.আর মামলা দায়ের হয়। ঘটনাস্থল রাজধানীর কোতোয়ালী থানা এলাকা হওয়ায় সংশ্লিষ্ট থানার ওসিকে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন মেট্রোপলিটন বিশেষ ট্রাইবুনাল আদালত।

এ সময় ওই মামলায় প্রাথমিকভাবে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ। দীর্ঘ ৭ বছর আইনি প্রক্রিয়া শেষে জাল জালিয়াতি ও প্রতারণার সাথে যুক্ত প্রমাণিত হওয়ায় ২০২৫ সালে আদালত মনিরের এক বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেন।

তিনি আদালতে হাজির না হয়ে পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে আদালত। এরপর থেকে তাকে ধরতে তৎপরতা বাড়ায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। শুক্রবার বিকালে আশুলিয়া থানাধীন নবীনগর সেনা শপিং কমপ্লেক্স এলাকায় তার অবস্থান জানতে পেরে স্থানীয় থানা পুলিশের সহায়তায় সাভার মডেল থানা পুলিশের একটি বিশেষ টিম অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।

জানা যায়, সাভার সিটি সেন্টারে মনিরের মোবাইল দোকান ছিলো। এজন্য তাকে মোবাইল মনির বলে অনেকে ডাকে। আবার অনেকে সিটি মনির নামেও চিনে।

এ বিষয়ে সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল আলম বলেন, “ মনির হোসেনের বিরুদ্ধে সাভারে সংঘটিত ছাত্র হত্যা ও আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার অভিযোগ রয়েছে। তিনি সাভার মডেল থানায় দায়ের হওয়া একাধিক হত্যা মামলাসহ রাজধানীর কোতোয়ালী থানার মামলায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি। আজ শনিবার তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।