খুঁজুন
, ,

আটঘরিয়ায় পরিদর্শন কক্ষ উদ্বোধন: ‘জনগণের সেবা নিশ্চিত করতে এমপিদের পরিদর্শন কক্ষ গুরুত্বপূর্ণ’এমপি আবু তালেব মন্ডল,

(বাঁধন হোসাইন পাবনা)
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২০ অপরাহ্ণ
আটঘরিয়ায় পরিদর্শন কক্ষ উদ্বোধন: ‘জনগণের সেবা নিশ্চিত করতে এমপিদের পরিদর্শন কক্ষ গুরুত্বপূর্ণ’এমপি আবু তালেব মন্ডল,

পাবনার আটঘরিয়া উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ে পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডলের জন্য নির্ধারিত পরিদর্শন কক্ষ উদ্বোধন করা হয়েছে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) সকালে ফিতা কেটে এ পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন করেন সংসদ সদস্য অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল।

উদ্বোধন শেষে তিনি বলেন, “জনপ্রতিনিধিদের মূল দায়িত্ব হচ্ছে জনগণের কাছে থাকা এবং তাদের সমস্যার কথা শুনে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া। উপজেলা পরিষদে সংসদ সদস্যদের জন্য পরিদর্শন কক্ষ থাকলে সরকারি বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ ও তাদের সেবা দেওয়ার সুযোগ আরও বাড়বে।”

তিনি আরও বলেন, “জনগণের কল্যাণে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম সঠিকভাবে বাস্তবায়ন এবং মানুষের প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই পরিদর্শন কক্ষ সেই সমন্বয়কে আরও কার্যকর করবে বলে আমি আশা করি।”

আটঘরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. তাহমিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে এসময় আটঘরিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা জহুরুল ইসলাম খান, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুনতাসির মাহফুজ রিফাত, জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সহ-সভাপতি হাফেজ মো. আমিরুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা নকিবুল্লাহ, পৌর মেয়র প্রার্থী সাইদুল ইসলাম মোল্লাসহ উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, সরকারী সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশের প্রত্যেক সংসদ সদস্যের জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ে একটি করে পরিদর্শন কক্ষ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকার সংশ্লিষ্ট উপজেলায় গেলে এসব কক্ষে অবস্থান করবেন। পাশাপাশি সরকারি বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ, প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় এবং সাধারণ জনগণের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রয়োজনের কথা শোনার কাজে এসব কক্ষ ব্যবহার করা হবে,

চট্টগ্রামে শেখ হাসিনাসহ ১৮৭ জনের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩২ পূর্বাহ্ণ
চট্টগ্রামে শেখ হাসিনাসহ ১৮৭ জনের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার

চট্টগ্রামে গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৮৭ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা বহুল আলোচিত একটি মামলা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন বাদী কফিল উদ্দিন। বাদী নিজে যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে করা ওই মামলা নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়।

গত ১৭ সেপ্টেম্বর মামলা প্রত্যাহারের আবেদন করেন কফিল উদ্দিন। পরে ২৯ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম আদালত তার আবেদন মঞ্জুর করে মামলার কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেন।

চট্টগ্রাম মহানগর আদালতের জিআরও শাখায় কর্মরত কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, মামলাটির তদন্তের দায়িত্বে ছিল পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। বাদীর প্রত্যাহারের আবেদন পাওয়ার পর ২৯ সেপ্টেম্বর আদালত তা মঞ্জুর করে মামলার কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেন।

নথি সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় চট্টগ্রাম নগরের নিউ মার্কেট মোড়ে হামলায় আহত হওয়ার অভিযোগে কফিল উদ্দিন গত বছরের ১৮ নভেম্বর মামলাটি করেন। আদালত তার আবেদন গ্রহণ করে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন।

মামলায় শেখ হাসিনা ছাড়াও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইজিপি আবদুল্লাহ আল মামুন, পিবিআইয়ের সাবেক প্রধান বনজ কুমার মজুমদার, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, সাবেক সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান, ডিএমপির সাবেক ডিবিপ্রধান হারুন অর রশীদ, পুলিশ কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার সরকার এবং সিএমপির সাবেক কমিশনার সাইফুল ইসলামসহ ২৬ পুলিশ কর্মকর্তাকে আসামি করা হয়েছিল।

এ ছাড়া স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদেরও মামলায় আসামি করা হয়। সব মিলিয়ে মামলায় আসামির সংখ্যা ছিল ১৮৭ জন।

নদীভাঙন রোধে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার তাগিদ হুইপ নূরুদ্দিন অপুর

রবিউল মোল্লা শরীয়তপুর জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৪০ অপরাহ্ণ
নদীভাঙন রোধে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার তাগিদ হুইপ নূরুদ্দিন অপুর

নদীভাঙন রোধে স্বল্পমেয়াদি ও পুনরাবৃত্তিমূলক ব্যয়ের পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই নদী ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটির সদস্য ও হুইপ মিয়া নূরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু।

বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটির তৃতীয় বৈঠকে তিনি এ বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। বৈঠকে কমিটির সভাপতি ও চীফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির সভাপতিত্বে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং পানি সম্পদ পরিকল্পনা সংস্থার চলমান কার্যক্রম, সমস্যা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা পর্যালোচনা করা হয়।

বৈঠকে নদী শাসনে আধুনিক প্রযুক্তি ও গবেষণালব্ধ অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো, পলি ব্যবস্থাপনা, ড্রেজিংয়ের কার্যকারিতা মূল্যায়ন এবং নাব্যতা রক্ষায় সমন্বিত কৌশল গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

এ ছাড়া ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমাতে গভীর নলকূপ স্থাপন কমানো, ভূউপরিস্থ পানির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং পানির পুনঃব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। নদী, খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচিও সমন্বিতভাবে বাস্তবায়নের সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের দীর্ঘদিনের পাঁচ হাজারের বেশি অডিট আপত্তি দ্রুত নিষ্পত্তি, প্রকল্প বাস্তবায়নে বছরের শুরুতেই প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ এবং সংস্থাটির প্রাতিষ্ঠানিক ও কারিগরি সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।

কুড়িগ্রাম কমিটি অনুমোদনে ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি ক্ষোভ, ‘কমিটি থাকবে, কর্মী খুঁজে পাওয়া যাবে না’

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৩২ অপরাহ্ণ
কুড়িগ্রাম কমিটি অনুমোদনে ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি ক্ষোভ, ‘কমিটি থাকবে, কর্মী খুঁজে পাওয়া যাবে না’

গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) কুড়িগ্রাম জেলার আংশিক কমিটি আগামী এক বছরের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কমিটি অনুমোদনের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে কমিটি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভূরুঙ্গামারী উপজেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ফরহাদ।

৫ অক্টোবর গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর ও সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) আল মামুন হাসানের স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কুড়িগ্রাম জেলা কমিটি অনুমোদনের কথা জানানো হয়। পরে নুরুল হক নুর তার ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) কুড়িগ্রাম জেলার আংশিক কমিটি আগামী ১ (এক) বছরের জন্য অনুমোদন দেওয়া হলো।’

অনুমোদিত কমিটিতে সভাপতি করা হয়েছে আবুল কালাম আজাদকে। সহসভাপতি হিসেবে রয়েছেন মমিনুল হক সরকার রানা, মোফাখখারুল ইসলাম (মিঠুন) ও ডা. এম এ সোহেল।

সাধারণ সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত (সবুজ।) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাহুল আহমেদ আকুল ও ডা. কে এম গোলাম কিবরিয়া।

সাংগঠনিক সম্পাদক খাদেমুল ইসলাম আকাশ এবং সহসাংগঠনিক সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক। দপ্তর সম্পাদক মো. শিমুল মাহমুদ এবং সহদপ্তর সম্পাদক মো. মাহফুজার রহমান মাহফুজ।

অর্থ সম্পাদক মো. আবু তালিব (টিয়া), প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. মাহফুজার রহমান মাহফুজ, গণমাধ্যম ও সম্প্রচার সম্পাদক মো. জয়নাল আবেদীন এবং সহগণমাধ্যম ও সম্প্রচার সম্পাদক মো. মোকসেদ আলী।

এ ছাড়া মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক মো. মোশারফ হোসেন মজনু, শিক্ষা সম্পাদক প্রভাষক মো. আব্দুস সবুর সরকার, নারী বিষয়ক সম্পাদক মোছা. আদুরি আক্তার আঁখি, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. মো. আনারুল হক, সহস্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক মো. হারুন অর রশিদ, স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক মো. আব্দুল কাইয়ুম এবং নিরাপদ সড়ক ও যোগাযোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মো. এনামুল হককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

কমিটি অনুমোদনের পোস্টে মন্তব্য করতে গিয়ে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি ফরহাদ লেখেন, ‘হয়তো কমিটিটা কুড়িগ্রাম জেলার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কিন্তু কেমন জানি মনে হচ্ছে কমিটি থাকবে, কিন্তু গণঅধিকার পরিষদের কর্মী খুঁজে পাওয়া যাবে না। দুঃখজনক হলেও সত্যি।’

তিনি আরও মন্তব্য করেন, ‘এভাবেই হয়তো কমিটি হয়, যার জন্য দিন যাচ্ছে গণঅধিকার পরিষদ কর্মী হারাচ্ছে।’

এদিকে কমিটি নিয়ে অন্যদের মন্তব্যেও সমালোচনার সুর দেখা যায়। একজন লিখেছেন, ‘যারা কমিটিতে আছে তারা নিজেরাই জানে না।’ আরেকজন মন্তব্য করেন, ‘দলের চেয়ারম্যান নিজেই অন্য দল করে।’ অপর এক মন্তব্যে নুরুল হক নুরকে ইঙ্গিত করে লেখা হয়, ‘তাকে চেনা বড় কঠিন, সে বড় পল্টিবাজ।’

তবে সমালোচনার পাশাপাশি অনেকেই নতুন কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। ফলে কমিটি অনুমোদনের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমর্থন ও সমালোচনা—দুই ধরনের প্রতিক্রিয়াই দেখা যাচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এসব মন্তব্য চলছে। তবে কারো এখন পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।