খুঁজুন
, ,

শৈলকূপাতে দুই নারী ছিনতাইকারী আটক

এইচ এম রাহুল ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১:৪৯ অপরাহ্ণ
শৈলকূপাতে দুই নারী ছিনতাইকারী আটক

 

ঝিনাইদহের শৈলকূপা বাজারে ছিনতাইয়ের চেষ্টাকালে চক্রের দুই নারী সদস্যকে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। পরে তাদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

ছিনতাইকারী দুইজন জামালপুর জেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের তাকতাপাড়া গ্রামের ফরিদা বেগম (২১) এবং একই গ্রামের নিপা আক্তার (২৬) । তারা উভয়েই বেদে সম্প্রদায়ের ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) উপজেলার উমেদপুর ইউনিয়নের পার্বতীপুর গ্রামের বাসিন্দা ইসহাক হোসেন পরিবারের সদস্যদের নিয়ে শৈলকূপা বাজারের পূবালী ব্যাংকে টাকা উত্তোলন করতে আসেন। ব্যাংক থেকে এক লাখ টাকা উত্তোলন শেষে বের হয়ে পুরাতন সোনালী ব্যাংকের সামনে পৌঁছালে ছিনতাইকারী চক্রের চার সদস্য তাকে ঘিরে ধরে টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় বৃদ্ধ ইসহাকের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে চক্রের দুই সদস্য পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় জনতা দুই নারী সদস্যকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

শৈলকূপা থানার ওসি হুমায়ুন কবির মোল্লা বলেন, জনতার হাতে আটক দুই নারীকে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

ঋণের টাকায় বিদেশ সফর নয়, আমলাদের মাসে একবার তুরাগ নদীতে গোসলের নিয়ম করে দিন, অল্প দিনেই দূষণমুক্ত হবে নদী: মোস্তফা কামাল সুমন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৪৮ অপরাহ্ণ
ঋণের টাকায় বিদেশ সফর নয়, আমলাদের মাসে একবার তুরাগ নদীতে গোসলের নিয়ম করে দিন, অল্প দিনেই দূষণমুক্ত হবে নদী: মোস্তফা কামাল সুমন

দেশের অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে বিশ্বব্যাংকের ঋণে ১৮৩ কোটি টাকার তুরাগ নদী পুনরুদ্ধার প্রকল্প এবং নদীদূষণ রোধের অভিজ্ঞতা অর্জনে বিদেশ প্রশিক্ষণের জন্য ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব নিয়ে নিজের ফেসবুক পেজে  মন্তব্য করেছেন এমটিভি বাংলার পরিচালক মোস্তফা কামাল সুমন।

নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, দেশের টাকা অহেতুক ব্যয় করে আমলাদের বিদেশে প্রশিক্ষণে না পাঠিয়ে প্রতিমাসে অন্তত একবার তুরাগ নদীতে গোসল করার নিয়ম করে দিন। দেখবেন, অল্প দিনেই তুরাগ নদী দূষণমুক্ত হয়ে যাবে। এতে বিদেশ সফরের পেছনে কোটি টাকা ব্যয়ও বাঁচবে, দেশের ঋণের বোঝাও বাড়বে না।

 

গাজীপুরে মাদক মামলার ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামি জিতুর বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসা অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:৩৬ অপরাহ্ণ
গাজীপুরে মাদক মামলার ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামি জিতুর বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসা অভিযোগ

মাদক মামলা একাধিকবার গ্রেপ্তার হওয়ার পরেও বন্ধ করেননি মাদক ব্যবসা

গাজীপুর মহানগরের গাছা থানাধীন ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের খাইলকুর গিরিগির মোড় এলাকায় ইমরান হোসেন জিতু নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদক কারবার, চুরি, ছিনতাই, প্রতারণা ও কিশোর গ্যাং পরিচালনাসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয় একাধিক সূত্রের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার কিছু উচ্ছৃঙ্খল যুবকের সঙ্গে চলাফেরা করেন জিতু। তাঁদের ব্যবহার করে মাদক কারবার পরিচালনার পাশাপাশি নিজেও এ ব্যবসায় জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এ ছাড়া পোশাক কারখানার শ্রমিকদের কর্মস্থল থেকে ফেরার পথে বাধা দিয়ে দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও করেছেন কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা।

স্থানীয়দের কেউ কেউ দাবি করেছেন, এর আগেও মাদকসংক্রান্ত মামলায় একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন জিতু। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মামলার নথি বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আংশিক পরিচয় প্রকাশে রাজি হওয়া মো. রবিউল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, কয়েক বছর ধরে জিতু মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত। তাঁর ভাষ্য, জিতুর বিরুদ্ধে কেউ কথা বললে তাঁকে হুমকি দেওয়া হয়। এমনকি হামলার আশঙ্কায় অনেকেই প্রকাশ্যে কথা বলতে চান না।

অন্যদিকে মানিক হোসেন নামের এক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, জিতু কখনো অটোরিকশাচালক, আবার কখনো পোশাক কারখানার শ্রমিক হিসেবে পরিচয় দেন। তবে এসব পরিচয়ের আড়ালে মাদক কারবার, চুরি, ছিনতাই ও প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। স্থানীয়দের কেউ কেউ তাঁকে ‘মাদক সম্রাট’ ও ‘কিশোর গ্যাংয়ের নেতা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক বাসিন্দা অভিযোগ করেন, সন্ধ্যার পর পোশাক কারখানার শ্রমিকদের যাতায়াতের সময় তাঁদের লক্ষ্য করে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। এ ছাড়া অটোরিকশা নিয়ে রাতের বিভিন্ন সময়ে সড়কে ঘোরাফেরা করে সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা ও মূল্যবান সামগ্রী ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি। এসব কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় এবং কথিত কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের দিয়ে হামলা করানো হয় বলেও দাবি তাঁর।

এলাকাবাসীর কয়েকজনের অভিযোগ, জিতু প্রশাসনের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি ও তথ্যদাতা হিসেবে কাজ করেন। এ কারণে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না বলে তাঁদের ধারণা। তবে এ বিষয়ে প্রশাসনের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় কয়েকজন আরও দাবি করেন, অতীতে তিনি যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং ৫ আগস্টের পর রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তন করেছেন।

এদিকে, অভিযোগগুলোর বিষয়ে বক্তব্য জানতে ইমরান হোসেন জিতুর সঙ্গে একাধিকবার সরাসরি যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে তাঁকে এলাকায় পাওয়া যায়নি। সংগ্রহ করা মোবাইল নম্বরে একাধিকবার ফোন করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। ফলে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য জানা যায়নি।

এলাকাবাসীর দাবি, অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে মাদক কারবার, চুরি ও ছিনতাইয়ের সঙ্গে কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে খাইলকুর এলাকার পোশাকশ্রমিক ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

ইমরান হোসেন জিতু এর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়গুলো আমলে নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে কাজ করছে আমাদের অনুসন্ধানী টিম।

ভূরুঙ্গামারীতে সন্ত্রাস বিরোধী মামলায় উপজেলা যুবলীগ সভাপতি রাজ্জাক গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুড়িগ্রাম:
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৮ অপরাহ্ণ
ভূরুঙ্গামারীতে সন্ত্রাস বিরোধী মামলায় উপজেলা যুবলীগ সভাপতি রাজ্জাক গ্রেফতার

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে দায়েরকৃত মামলার পলাতক আসামি ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও সোনাহাট স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রবিবার (১ নভেম্বর) দিবাগত রাতে উপজেলার দেওয়ানের খামার এলাকায় নিজ বাড়ির সামনে ভূরুঙ্গামারী-কুড়িগ্রাম রোডসংলগ্ন একটি দোকান থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ মে ২০২৫ তারিখে ভূরুঙ্গামারী থানায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনে দায়েরকৃত ১৬ নম্বর মামলায় তাকে আসামি করা হয়েছিল। দীর্ঘ দিন ধরে তিনি পলাতক ছিলেন।

আব্দুর রাজ্জাক শুধু ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন যুবলীগের উপজেলা সভাপতিই নন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে সোনাহাট স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কারক সমিতির (Sonahat Land Port Importer-Exporter Association) সাধারণ সম্পাদক হিসাবেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। সৈরাচার আন্দোলনের পর সমিতির কমিটির পরিবর্তন করা হয়েছে। এছাড়া তিনি স্থানীয় ভূরুঙ্গামারী সদর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। তবে সে সময় দলীয় নেতাকর্মীদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও ছলচাতুরির কারণে তাকে পরাজয় বরণ করতে হয়েছিল বলে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে।

গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশ জানায়, সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে কুড়িগ্রাম আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।