খুঁজুন
, ,

মোংলায় নিখোঁজের এক দিন পর জেলে মেহেদীর মরদেহ উদ্ধার

বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৩৭ অপরাহ্ণ
মোংলায় নিখোঁজের এক দিন পর জেলে মেহেদীর মরদেহ উদ্ধার

বাগেরহাটের মোংলায় পশুর নদে পড়ে নিখোঁজ হওয়ার এক দিন পর মেহেদী হাসান (২২) নামের এক জেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত মেহেদী হাসান বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার ফয়লা বাজারসংলগ্ন গোবিন্দপুর এলাকার বাসিন্দা। তিনি ওই এলাকার মো. শফিউল শেখের ছেলে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ভোরে মোংলার সিন্দুরতলা খালসংলগ্ন পশুর নদে এ দুর্ঘটনা ঘটে। সুন্দরবনের দুবলার চরে শুঁটকি আহরণ মৌসুমে কাজ করতে যাওয়ার পথে তিনি নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন।

স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, শুঁটকি আহরণের উদ্দেশ্যে দুবলার চরের দিকে যাওয়ার জন্য পশুর নদে ২০ থেকে ২৫টি মাছ ধরার ট্রলারের একটি বহর নোঙর করে অবস্থান করছিল। বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ছয়টার দিকে ট্রলারগুলো গন্তব্যের উদ্দেশ্যে যাত্রার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এ সময় মেহেদী ট্রলার থেকে উঠে পাশে দাঁড়ালে অসাবধানতাবশত পা পিছলে নদীতে পড়ে যান। পরে নদীর স্রোতে তিনি তলিয়ে যান।

ঘটনার পরপরই সহকর্মী জেলেরা তাঁকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে মোংলা ও খুলনা ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল, কোস্ট গার্ড, নৌবাহিনী এবং বন বিভাগের সদস্যরা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। নদীর তীব্র স্রোত ও গভীরতার কারণে বৃহস্পতিবার দিনভর অভিযান চালিয়েও তাঁকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। পরে রাতের অন্ধকারে অভিযান স্থগিত করা হয়।

শুক্রবার সকালে আবারও উদ্ধার তৎপরতা শুরু হয়। পরে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মেহেদীর নিখোঁজের ঘটনায় তাঁর পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। জীবিকার তাগিদে শুঁটকি আহরণ মৌসুমে কাজ করতে যাওয়ার পথেই তাঁর এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে এলাকায় শোকের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

দেবিদ্বারে ফ্যামিলি কার্ডের নামে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে, ইউএনওর পরিদর্শন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৫৯ অপরাহ্ণ
দেবিদ্বারে ফ্যামিলি কার্ডের নামে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে, ইউএনওর পরিদর্শন

কুমিল্লার দেবিদ্বারে সরকারি ফ্যামিলি কার্ড পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অসহায় নারীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ছাত্রদল নেতা ও সম্ভাব্য মেম্বার পদপ্রার্থী মহিউদ্দিন সরকারের বিরুদ্ধে।
​গুনাইঘর দক্ষিণ ইউনিয়নের মধুমুড়া গ্রামে ফ্যামিলি কার্ডের আবেদন ও তথ্য সংগ্রহের কথা বলে প্রথমে ৩০০ টাকা এবং কার্ড পাওয়ার পর আরও ২ হাজার টাকা করে নেওয়ার চুক্তি করা হয়। ইতিমধ্যে ৮-১০ জন নারীর কাছ থেকে টাকা নেওয়ার প্রমাণ মিলেছে। ভুক্তভোগী সুমি বেগম ও স্থানীয় বাসিন্দা রুহুল আমিন ও আব্দুল আউয়াল সরকার জানান, মহিউদ্দিন ছাত্রদল পরিচয়ে এই প্রতারণা চালাচ্ছেন। অভিযুক্ত মহিউদ্দিন টাকা নেওয়ার কথা অস্বীকার করলেও, ফ্যামিলি কার্ডের সুপারভাইজার মো. রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, ফ্যামিলি কার্ড সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেওয়া হয়, টাকা নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
​এদিকে ঘটনাটি জানার পর দেবিদ্বার উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অশোক বিক্রম চাকমা সরেজমিন এলাকা পরিদর্শন করেছেন। তিনি জানান, সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে মাইকিং করা হচ্ছে এবং প্রতারকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। অন্যদিকে, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক জসিম উদ্দিন প্রশাসনকে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।

ময়মনসিংহে যুবদল নেতা হযরত আলীর বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বহিষ্কার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০৮ পূর্বাহ্ণ
ময়মনসিংহে যুবদল নেতা হযরত আলীর বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বহিষ্কার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা যুবদলের সভাপতি রিয়াজুল কবীর মামুন নিশ্চিত করেছেন যে, দলীয় নীতি ও আদর্শের বিরোধী এবং নৈতিক স্খলনজনিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগের ভিত্তিতে হযরত আলীকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

জেলা যুবদলের দপ্তর সম্পাদক সাব্বির খানের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই সিদ্ধান্ত জেলা যুবদলের সভাপতি রিয়াজুল কবীর মামুন ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট দিদারুল ইসলাম খান রাজু দ্বারা কার্যকর করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বহিষ্কৃত হযরত আলীর কোনো অপকর্মের দায়ভার দল নেবে না এবং যুবদলের সব পর্যায়ের নেতা-কর্মীকে তার সঙ্গে কোনো সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগ অনুসারে, ২০ অক্টোবর ফুলবাড়িয়া উপজেলার পুটিজানা ইউনিয়নের এক নারীর বাড়িতে হযরত আলীর বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগী নারী বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর রাত সাড়ে ১২টায় ফুলবাড়িয়া থানায় মামলা করেন, তবে শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত হযরত আলীকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

ফুলবাড়িয়া থানার ওসি মোহাম্মদ রাশেদুল হাসান জানিয়েছেন যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি পলাতক এবং তাকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পাবনায় বিলে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে ৬ জনের মৃত্যু

বাঁধন হোসাইন পাবনা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ণ
পাবনায় বিলে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে ৬ জনের মৃত্যু

পাবনা সদর উপজেলার মালঞ্চি ইউনিয়নে বজ্রপাতে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও পাঁচ জন গুরুতর হয়েছেন।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেল ৫ টার দিকে ইউনিয়নের সোনাপাতিল বিল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত ও আহত ব্যক্তিরা শুক্রবার বিকেলে সোনা পাতিল বিলে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হলে তারা বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন। এ সময় বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই ছয়জনের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত হন আরও অন্তত পাঁচ জন। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। ছয়জনের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হচ্ছে।
‎
‎‎পাবনার পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিস্তারিত পরে জানানো যাবে।
‎