খুঁজুন
, ,

লোতনহাগাড়ায় ইউএনওর বাংলোয় ডেকে সাংবাদিককে নির্যা

আবির হোসেন (কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি)
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ২:০৬ অপরাহ্ণ
লোতনহাগাড়ায় ইউএনওর বাংলোয় ডেকে সাংবাদিককে নির্যা

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. বায়েজীদ-বিন-আখন্দের সরকারি বাংলোয় ডেকে নিয়ে সাংবাদিক মিজানকে মারধর, মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া এবং পরে থানায় মামলা করতে যাওয়ার পথে দ্বিতীয় দফায় হামলার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক। এ ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা ও সাংবাদিকের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

 

সাংবাদিক মিজান জাতীয় সাপ্তাহিক ‘সময়ের প্রয়াস’-এর লোহাগাড়া উপজেলা প্রতিনিধি। তার অভিযোগ, ইউএনওর বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতি এবং স্থানীয় কয়েকজনের কর্মকাণ্ড নিয়ে ধারাবাহিক সংবাদ প্রকাশের জেরে তাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

 

ভুক্তভোগীর ভাষ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ হেলাল তাকে ফোন করে ইউএনওর সরকারি বাংলোয় যেতে বলেন। পরে তিনি সরল বিশ্বাসে সেখানে উপস্থিত হলে তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। এ সময় ইউএনও বায়েজীদ-বিন-আখন্দ তাকে প্রকাশিত সংবাদ নিয়ে গালিগালাজ ও মানসিকভাবে হেনস্তা করেন বলে অভিযোগ করেন সাংবাদিক মিজান।

 

সাংবাদিক মিজানের অভিযোগ, বাংলোয় আগে থেকেই উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় খোরশেদ, মাঈন উদ্দীনসহ ১০ থেকে ১২ জন। তাদের মধ্যে কয়েকজন নিজেদের বিএনপি নেতা হিসেবে পরিচয় দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তার দাবি, ইউএনওর উপস্থিতিতে ওই ব্যক্তিরা তাকে মারধর করেন। পরে তাকে বাংলো থেকে বের করে দেওয়া হয়।

 

মারধরের শিকার হওয়ার পর সাংবাদিক মিজান লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। পরে এ ঘটনায় মামলা করতে থানায় যাওয়ার পথে কয়েকজন তাঁর পথরোধ করে আবারও হামলা করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

 

এসময় হামলাকারীদের হাত থেকে বাঁচতে দৌড়ে লোহাগাড়া থানায় আশ্রয় নেন তিনি। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত থানায় অভিযোগ দায়েরের প্রক্রিয়া চলছিল বলে জানান ভুক্তভোগী। তবে হামলাকারীরা থানার বাইরে অবস্থান করছেন বলে জানান তিনি।

 

সাংবাদিক মিজান বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় তাকে পরিকল্পিতভাবে হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। তিনি নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার দাবি করেন।

 

এদিকে, সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, দায়ীদের আইনের আওতায় আনা এবং তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিকদের বিভিন্ন মহল।

 

চাঞ্চল্যকর ও স্পর্শকাতর এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এ বিষয়ে তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পরে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শরীফ উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়ে বক্তব্য দিতে রাজি হননি। তবে বিষয়টি জেলা প্রশাসককে অবহিত করবেন বলে জানান তিনি।

 

এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন বলেন, আমি যেহেতু বিষয়টি মাত্র অবগত হলাম, তাই জেলা প্রশাসককে এখনই জানাচ্ছি, যাতে এ বিষয়ে দ্রুত যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। সাংবাদিকদের সঙ্গে এমন আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়। বিষয়টি শোনার পর আমার নিজেরও খুব খারাপ লাগছে।

নতুন বাহারছড়ায় ইয়াবা কারবারের অভিযোগ, প্রশ্নের মুখে সামাজিক ও প্রশাসনিক ভূমিকা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৩৯ অপরাহ্ণ
নতুন বাহারছড়ায় ইয়াবা কারবারের অভিযোগ, প্রশ্নের মুখে সামাজিক ও প্রশাসনিক ভূমিকা

ছিনতাই, মাদক কারবার ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ; কার্যকর পদক্ষেপের দাবি স্থানীয়দের

কক্সবাজার শহরের নতুন বাহারছড়ায় মাদক কারবার, ছুরি দেখিয়ে ছিনতাই এবং নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, এলাকায় মাদক কারবারের বিস্তার ও অপরাধীদের দৌরাত্ম্যে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে তরুণ সমাজ।

স্থানীয়দের দাবি, সমাজের প্রভাবশালী কিছু ব্যক্তির আশ্রয়-প্রশ্রয়ে মাদক কারবার চলছে। তাঁদের অভিযোগ, সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় এলাকায় চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বাড়ছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য অনুযায়ী, গত প্রায় এক বছর ধরে নতুন বাহারছড়ায় ইয়াবা কারবার চলছে। তাঁরা আরও অভিযোগ করেন, মাদক কারবারে বাধা দিতে গেলে প্রতিবাদকারীদের ওপর হামলার ভয় দেখানো হয় এবং তাঁদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হয়। এমন পরিস্থিতিতে অনেকেই নিরাপত্তার আশঙ্কায় প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছেন না বলে দাবি তাঁদের।

রাতের অভিযান, সকালে মুক্তি—স্থানীয়দের অভিযোগ

স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, রাতে অভিযানে আটক হওয়া সন্দেহভাজন ব্যক্তিরা পরদিনই মুক্ত হয়ে এলাকায় ফিরে আসেন। তাঁদের দাবি, অর্থের বিনিময়ে অপরাধীরা ছাড়া পাচ্ছেন।

প্রশাসন ও সমাজ কমিটির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

এলাকাবাসীর প্রশ্ন—মাদক ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন এবং স্থানীয় সমাজ কমিটির কার্যকর ভূমিকা কোথায়? অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করে মাদক কারবার, ছিনতাই ও সহিংসতার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

নতুন বাহারছড়ার তরুণদের মাদক ও অপরাধের ঝুঁকি থেকে রক্ষা করতে নিয়মিত নজরদারি, কার্যকর আইন প্রয়োগ এবং সামাজিক সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন স্থানীয়রা।

কবে মিলবে মুক্তি?

মাদক ও অপরাধের অভিযোগ থেকে কবে মুক্তি পাবে কক্সবাজারের নতুন বাহারছড়া? কবে ফিরবে এলাকার স্বাভাবিক ও নিরাপদ পরিবেশ?—এমন প্রশ্ন এখন স্থানীয়দের মুখে মুখে।

এ বিষয়ে স্থানীয় সমাজ কমিটি ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের বক্তব্য চাওয়া প্রয়োজন। তাঁদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

পরবর্তী পর্বে: নতুন বাহারছড়ায় মাদক কারবারের অভিযোগে সমাজের সম্ভাব্য পৃষ্ঠপোষকতা এবং আইন প্রয়োগের কর্মকর্তাদের নাম প্রকাশ করা হবে।

দাউদকান্দিতে মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

হোসাইন মোহাম্মদ দিদার :
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১১ অপরাহ্ণ
দাউদকান্দিতে মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলা মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট ড. খন্দকার মারুফ হোসেন। এতে সভাপতিত্ব করেন দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জাকির হোসেন।
সভায় দাউদকান্দি উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, জনসাধারণের বিভিন্ন সমস্যা ও সমসাময়িক নানা বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের উপায় নির্ধারণ এবং উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্থানীয় সমস্যাগুলো সমাধানে সংশ্লিষ্টদের কার্যকর ভূমিকা পালনের বিষয়েও আলোচনা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাহিদ আহমেদ, সার্কেল এএসপি খলিলুর রহমান, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. হাবিবুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক এমএ লতিফ ভূঁইয়া, পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নূর মোহাম্মদ সেলিম সরকার প্রমূখ।

২৯ অক্টোবর মধ্যরাত থেকে ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, নদীতে নামার প্রস্তুতি জেলেদের

ম. ম. রবি ডাকুয়া, বাগেরহাট প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫৭ অপরাহ্ণ
২৯ অক্টোবর মধ্যরাত থেকে ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, নদীতে নামার প্রস্তুতি জেলেদের

উপকূলজুড়ে মাছঘাটে ব্যস্ততা, জাল-নৌকা মেরামতে সময় পার করছেন জেলেরা; বাগেরহাটেও ইলিশ আহরণ ঘিরে প্রত্যাশা

মা ইলিশ সংরক্ষণ ও ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে টানা ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে ২৯ অক্টোবর মধ্যরাতে। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পরপরই নদীতে মাছ ধরতে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছেন উপকূলীয় এলাকার জেলেরা। জাল মেরামত, নৌকা প্রস্তুত করা এবং মাছ ধরার সরঞ্জাম ঠিকঠাক করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন তাঁরা। বাগেরহাটের মোংলা, রামপাল, শরণখোলা ও মোড়েলগঞ্জসহ উপকূলীয় জনপদে ইলিশ আহরণকে ঘিরে জেলেদের মধ্যে নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

মৎস্য খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আশা, নিষেধাজ্ঞা কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হলে ইলিশের প্রজনন ও বংশবিস্তারে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। এতে ভবিষ্যতে ইলিশের উৎপাদন বাড়ার পাশাপাশি জেলেদের জীবিকা ও উপকূলীয় অর্থনীতিও উপকৃত হতে পারে।

অভিযানের পর নদীতে ফেরার অপেক্ষা

নিষেধাজ্ঞার সময় নদীতে মাছ ধরা বন্ধ থাকায় উপকূলের অনেক জেলে পরিবারকে সীমিত আয় ও সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভর করতে হয়েছে। এ সময়ে নৌকা ও জাল মেরামত করে পরবর্তী মৌসুমের প্রস্তুতি নিয়েছেন তাঁরা। নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নদীতে নেমে মাছ আহরণের পরিকল্পনা করছেন জেলেরা।

বাগেরহাটের মোংলা ও আশপাশের এলাকার জেলেদের জীবিকার সঙ্গে পশুর, মোংলা ও সুন্দরবনসংলগ্ন নদ-নদীর মৎস্যসম্পদ ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। ইলিশের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রজাতির মাছ আহরণ, পরিবহন ও বাজারজাতকরণের সঙ্গে যুক্ত আড়তদার, ব্যবসায়ী, শ্রমিক এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারাও এ সময়ের ওপর নির্ভরশীল।

তবে নদীতে ইলিশের প্রাপ্যতা, আবহাওয়া, জ্বালানি ব্যয় এবং মাছ ধরার সরঞ্জামের খরচের ওপর জেলেদের আয় অনেকাংশে নির্ভর করবে।

সুন্দরবনসংলগ্ন নদীতেও সতর্কতা জরুরি

বাগেরহাটের উপকূলীয় অঞ্চলে ইলিশ আহরণের পাশাপাশি সুন্দরবনসংলগ্ন নদ-নদীর সামগ্রিক মৎস্যসম্পদ রক্ষা করাও গুরুত্বপূর্ণ। নিষেধাজ্ঞা শেষ হলেও অন্যান্য প্রচলিত মৎস্য আইন, নির্দিষ্ট এলাকায় মাছ ধরার বিধিনিষেধ এবং জালের ব্যবহারসংক্রান্ত নিয়ম মেনে চলতে হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষা এবং ছোট ইলিশ বা জাটকা সংরক্ষণ করা গেলে দীর্ঘ মেয়াদে মাছের উৎপাদন ও জেলেদের আয়—দুই ক্ষেত্রেই সুফল পাওয়া সম্ভব। এ জন্য নিষেধাজ্ঞার সময় আইন প্রয়োগের পাশাপাশি জেলেদের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্যসহায়তা ও বিকল্প জীবিকার সুযোগ নিশ্চিত করাও জরুরি।

সহায়তা ও নজরদারি অব্যাহত রাখার দাবি

উপকূলীয় জেলেদের প্রত্যাশা, নিষেধাজ্ঞা শেষে নদীতে পর্যাপ্ত ইলিশ পাওয়া যাবে এবং দীর্ঘ বিরতির পর তাঁরা পরিবারের জীবিকা নির্বাহের মতো আয় করতে পারবেন। তবে মাছের উৎপাদন বাড়ার সুফল পেতে হলে নদীর পরিবেশ রক্ষা, অবৈধ জাল বন্ধ এবং নিয়মিত নজরদারি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পর বাগেরহাটসহ উপকূলীয় অঞ্চলের মাছঘাটগুলো আবারও কর্মচঞ্চল হয়ে উঠবে—এমন প্রত্যাশা স্থানীয় মৎস্য খাতসংশ্লিষ্টদের। এখন জেলেদের অপেক্ষা নদীতে নামার এবং জালভরা ইলিশ নিয়ে ঘাটে ফেরার।