খুঁজুন
, ,

অসুস্থ বাবার ভরণপোষণ করেন না জুবায়ের তাশরীফ, ইমামতির চাকরি ছেড়েও পাননি টাকা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:০৯ পূর্বাহ্ণ
অসুস্থ বাবার ভরণপোষণ করেন না জুবায়ের তাশরীফ, ইমামতির চাকরি ছেড়েও পাননি টাকা

দেশের বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে বক্তব্য দিয়ে আলোচনায় থাকা ইসলামী বক্তা হাফেজ ক্বারি জুবায়ের আহমাদ তাশরীফের বিরুদ্ধে অসুস্থ বাবার ভরণপোষণ ও খোঁজখবর না রাখার অভিযোগ উঠেছে। ছেলের প্রতিশ্রুতিতে ইমামতির চাকরি ছেড়ে দেওয়ার পরও কোনো আর্থিক সহায়তা পাননি বলে দাবি করেছেন তাঁর বাবা মাওলানা মো. হেদায়েতুল্লাহ।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাতে একটি জাতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিও সাক্ষাৎকারে ছেলের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ করেন তিনি। এ সময় নিজের কষ্টের কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন হেদায়েতুল্লাহ।

সাক্ষাৎকারে হেদায়েতুল্লাহ অভিযোগ করেন, অসুস্থ অবস্থায় ছেলের কাছে আর্থিক সহযোগিতা চেয়েও পাননি। অথচ ছেলে বিভিন্ন জায়গায় প্রচুর টাকা ব্যয় করেন বলে দাবি তাঁর।

ছেলেকে পড়াশোনা করিয়ে হাফেজ ও মাওলানা বানানোর পেছনে নিজের দীর্ঘদিনের ত্যাগের কথা তুলে ধরে হেদায়েতুল্লাহ বলেন, ছেলের শৈশবে গুরুতর অসুস্থতার সময় অর্থসংকটের মধ্যেও মানুষের কাছে সাহায্য চেয়ে তাঁকে চিকিৎসা করিয়েছেন। ঢাকা, ময়মনসিংহ ও মির্জাপুরের বিভিন্ন হাসপাতালে ছেলের চিকিৎসা করাতে তাঁকে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে বলেও জানান তিনি।

নিজের অসুস্থতার সময় ছেলের কাছে টাকা চেয়েও সহযোগিতা না পাওয়ার অভিযোগ করে হেদায়েতুল্লাহ বলেন, ছেলে তাঁকে টাকা না দিয়ে জমি কেনার কথা জানিয়েছিলেন। কষ্ট করে ছেলেকে লেখাপড়া করানো ও লালনপালন করার পরও প্রয়োজনে তাঁর কাছ থেকে সহযোগিতা না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।

পরে অন্যের সহযোগিতায় চিকিৎসা করানোর কথা জানিয়ে হেদায়েতুল্লাহ বলেন, একটি গণমাধ্যমের মাধ্যমে মানুষের কাছে সাহায্য চাওয়ার পর কিছু অর্থ পেয়েছিলেন। সেই টাকা দিয়ে চিকিৎসা করালেও তিনি পুরোপুরি সুস্থ হননি। এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানান তিনি।

ছেলের অবহেলার কথা বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে তিনি বলেন, ‘যখন তোমার কেউ ছিল না, তখন ছিলাম আমি। এখন তোমার সব হইছে, পর হইলাম আমি।’

হেদায়েতুল্লাহর অভিযোগ, বর্তমানে ছেলের অর্থ ও বন্ধু-বান্ধবের অভাব নেই। অথচ নিজের কষ্টের সময়ে তিনি ছেলের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পাচ্ছেন না।

প্রতিশ্রুতিতে ছেড়েছেন ইমামতি, পাননি অর্থ

হেদায়েতুল্লাহর ভাষ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি তিনি স্থানীয় একটি বাজার মসজিদে ইমামতি করতেন। এ সময় ছেলে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রসঙ্গে তাঁর কাছে ক্ষমা চান। পরে ছেলের কথায় তিনি তাঁকে ক্ষমা করে দেন।

এরপর প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ইমামতির চাকরি ছেড়ে দিতে বলেন জুবায়ের তাশরীফ। ছেলের আশ্বাসে চাকরি ছেড়ে দিলেও পরে কোনো টাকা পাননি বলে অভিযোগ করেন হেদায়েতুল্লাহ।

ছেলের ব্যক্তিগত সহকারী ওবায়দুল্লাহর সঙ্গে যোগাযোগ করেও সমস্যার সমাধান পাননি বলে দাবি তাঁর। বারবার ফোন করেও ছেলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি বলে জানান তিনি।

হেদায়েতুল্লাহ বলেন, তাঁর ছেলে ও ব্যক্তিগত সহকারীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করতে করতে তিনি বিরক্ত হয়ে গেছেন। এখন আর টাকা-পয়সার প্রত্যাশা করছেন না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

কোরবানির মাংস না দেওয়ার অভিযোগ

কোরবানির ঈদে ছেলের আচরণ নিয়েও অভিযোগ তুলেছেন হেদায়েতুল্লাহ। তাঁর দাবি, ছেলে একটি গরু কোরবানি দেওয়ার কথা বলেছিলেন। পরে বন্ধু-বান্ধবের মধ্যে যাঁরা কোরবানি দিতে পারবেন না, তাঁদের অর্থ ও মাংস দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানান।

হেদায়েতুল্লাহ বলেন, বন্ধুদের মাংস দেওয়ার বিষয়ে তিনি আপত্তি করেননি। তবে তাঁর অভিযোগ, শেষ পর্যন্ত তাঁকে এক টুকরো মাংসও দেওয়া হয়নি।

যে বক্তব্য ঘিরে বিতর্ক

বিভিন্ন সময়ে বক্তব্য ও মন্তব্যের কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় এসেছেন হাফেজ ক্বারি জুবায়ের আহমাদ তাশরীফ। সম্প্রতি গাজীপুরের টঙ্গীর একটি মাদ্রাসার এক শিক্ষকের পক্ষে বক্তব্য দিয়ে নতুন করে বিতর্কের মুখে পড়েন তিনি।

টঙ্গীর ‘ক্বারীউল কোরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা’র এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে এক মাদ্রাসাছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষককে মারধরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

এরপর ওই শিক্ষকের পক্ষ নিয়ে তাশরীফ নিজের ফেসবুক পেজে লেখেন, ‘নাবালক ছোট বাচ্চাকে চুমু দেওয়া ১০০ বার জায়েজ।’ তাঁর এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়।

তবে অসুস্থ বাবার ভরণপোষণ, চিকিৎসার খরচ এবং ইমামতির চাকরি ছাড়ার পর আর্থিক সহায়তা না দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে হাফেজ ক্বারি জুবায়ের আহমাদ তাশরীফের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

গাজীপুরের নিজের জমিতে ঘর করতে গিয়ে চাচাতো ভাইদের হামলার শিকার ভুক্তভোগী পরিবার আহত ৩

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০৭ অপরাহ্ণ
গাজীপুরের নিজের জমিতে ঘর করতে গিয়ে চাচাতো ভাইদের হামলার শিকার ভুক্তভোগী পরিবার আহত ৩

গাজীপুর মহানগরের গাছা থানাধীন দৌলতপুর এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বসতঘরে হামলা, ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী মো. ইউসুফ আলী বাদী হয়ে গাছা থানায় এই অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে বাদী মো. ইউসুফ আলী ও তাঁর পরিবারের লোকজন পৈতৃক ও ক্রয়কৃত জমিতে বসতবাড়ি নির্মাণ করেন। নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পর দুপুরের দিকে পূর্বশত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষ বিবাদীরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে অনধিকার প্রবেশ করে হামলা চালায়। এ সময় নির্মাণাধীন টিনের বসতবাড়িতে ভাঙচুর চালিয়ে প্রায় দুই লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করা হয়।
প্রতিবাদ করতে গেলে হামলাকারীরা বাদীপক্ষের লোকজনের ওপর চড়াও হয় এবং এলোপাতাড়ি মারধর করে। এতে আমির হোসেন, রহিমা বেগম, ইমান আলী ও নাতনি ইশিতা আক্তার গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় মো. ফজল, মো. আলম, মো. সোহেল, মো. রউফ ও মোসা. রেণুজাসহ অজ্ঞাতনামা ১০-১৫ জনকে বিবাদী করা হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়ে গাছা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
এ বিষয়ে গাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে পুলিশ কাজ করছে। “তদন্ত সাপেক্ষে ঘটনার সাথে জড়িত প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।”

২ হাজার ইয়াবাসহ নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ২:২০ পূর্বাহ্ণ
২ হাজার ইয়াবাসহ নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার

গাজীপুরের শ্রীপুরে দুই হাজার পিস ইয়াবাসহ নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের এক নেতাসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন গাজীপুর জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ রনি পাঠান (২৫) ও তাঁর সহযোগী নয়ন মিয়া (২৫)। রনি শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি এলাকার বাসিন্দা।

রোববার (২৫ অক্টোবর) দিবাগত রাতে শ্রীপুর পৌরসভার মাওনা চৌরাস্তা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন গাজীপুর জেলা গোয়েন্দা শাখার পরিদর্শক মোহাম্মদ হাসমত উল্লাহ।

ডিবি পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকবিরোধী অভিযান চালানোর সময় তাঁদের আটক করা হয়। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে দুই হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।

গাজীপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মোহাম্মদ হাসমত উল্লাহ জানান, গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

গৌরনদীতে আ.লীগ নেতার বাড়িতে দাওয়াত খেতে এসে যুবলীগ-ছাত্রলীগের ৭ নেতাকর্মী আটক

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৬ পূর্বাহ্ণ
গৌরনদীতে আ.লীগ নেতার বাড়িতে দাওয়াত খেতে এসে যুবলীগ-ছাত্রলীগের ৭ নেতাকর্মী আটক

বরিশালের গৌরনদীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক নেতার বাড়িতে দাওয়াত খেতে এসে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সাত নেতাকর্মী আটক হয়েছেন। পরে সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে রোববার (২৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার মাহিলাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈকত গুহ পিকলুর বাড়ি থেকে তাঁদের আটক করে পুলিশ।

আটক ব্যক্তিরা হলেন সৈকত গুহ পিকলুর ছোট ভাই সলিল গুহ পিন্টু, সরকারি গৌরনদী কলেজ ছাত্র সংসদের ছাত্রলীগ মনোনীত সাবেক জিএস মহিবুল আলম খোকন, পৌর আওয়ামী লীগের সদস্য ওয়াজ করনী আকন, বাটাজোর ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য মিঠুন হালদার, পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি মাসুম সরদার, মাহিলাড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক পলাশ হাওলাদার এবং পৌর ছাত্রলীগের সদস্য সজিব সরদার।

সৈকত গুহ পিকলু জানান, তাঁদের বাড়িতে লক্ষ্মীপূজার অনুষ্ঠান চলছিল। এ উপলক্ষে কয়েকজন শুভাকাঙ্ক্ষীকে দাওয়াত দেওয়া হয়েছিল। রোববার সন্ধ্যায় বিএনপির কয়েকজন কর্মী-সমর্থক তাঁদের বাড়িতে এসে দাওয়াতে আসা ছয়জন ও তাঁর ছোট ভাই পিন্টু গুহকে পুলিশের হাতে তুলে দেন বলে তিনি অভিযোগ করেন।

এ ঘটনায় গৌরনদী মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. পারভেজ আহমেদ বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) আইনে একটি নিয়মিত মামলা করেছেন। মামলায় গ্রেপ্তার সাতজন ছাড়াও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সৈকত গুহ পিকলু, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মনির হোসেন মিয়াসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২৫ থেকে ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের কয়েকজন সক্রিয় নেতাকর্মী সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, জনগণের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি, আগামী ডিসেম্বর মাসে দলীয় প্রধানের দেশে প্রত্যাবর্তন সফল করা এবং রাজনৈতিক কার্যক্রম সচল করার উদ্দেশ্যে গৌরনদীর বিল্লগ্রাম এলাকার একটি বসতঘরে গোপন বৈঠকে মিলিত হয়েছেন, এমন খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালায়।

এজাহার অনুযায়ী, পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা পালানোর চেষ্টা করলে ধাওয়া করে সাতজনকে আটক করা হয়। এ সময় অন্য অভিযুক্তরা পালিয়ে যান।

তবে সৈকত গুহ পিকলুর বক্তব্য অনুযায়ী, বাড়িতে লক্ষ্মীপূজার আয়োজন ও দাওয়াতের অনুষ্ঠান চলছিল। ঘটনাটি নিয়ে তাঁর বক্তব্য এবং মামলার এজাহারে পুলিশের উল্লেখ করা অভিযোগের মধ্যে ভিন্নতা রয়েছে।