খুঁজুন
, ,

রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প একনেকে অনুমোদনের অপেক্ষায় ২ হাজার ৪৯৮ কোটি টাকার প্রকল্প

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:২৪ অপরাহ্ণ
রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প একনেকে অনুমোদনের অপেক্ষায় ২ হাজার ৪৯৮ কোটি টাকার প্রকল্প

বাগেরহাটের রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট পিক ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ জন্য ২ হাজার ৪৯৮ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে বিদ্যুৎ বিভাগের আওতাধীন বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)।

বুধবার (৭ অক্টোবর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রকল্পটি উপস্থাপন করা হয়। একই সভায় মোট ১৬ হাজার ২০৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৩টি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে।

রামপাল সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে বিপিডিবির নিজস্ব তহবিল থেকে ৩৭৪ কোটি টাকা এবং বিদ্যুৎ খাত উন্নয়ন তহবিল থেকে ২ হাজার ১২৩ কোটি টাকা জোগানের প্রস্তাব করা হয়েছে। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৯ সালের মার্চের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের লক্ষ্য ধরা হয়েছে।

প্রকল্পটির জন্য নতুন করে জমি অধিগ্রহণ করতে হবে না। কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের জন্য ২০১২ সালে রামপালে ১ হাজার ৮৩৪ একর জমি অধিগ্রহণ করেছিল বিপিডিবি। ওই জমির একাংশে বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানির মৈত্রী সুপার থার্মাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মিত হয়েছে। অবশিষ্ট ব্লক-বি এলাকায় জমি উন্নয়ন ও সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে। ওই এলাকাতেই সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

প্রকল্পের আওতায় ন্যূনতম ৬৪০ ওয়াট পিক ক্ষমতার সৌর প্যানেল স্থাপনের কথা রয়েছে। পাশাপাশি ৩৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতার গ্রিড-টাইড ইনভার্টার ও একটি পুলিং সাবস্টেশন নির্মাণ করা হবে। উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করতে ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ ডাবল সার্কিট ২৩০ কেভি সঞ্চালন লাইন এবং উপকেন্দ্রে দুটি ২৩০ কেভি বে নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

এ ছাড়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ডরমিটরি, রেস্ট হাউস ও মসজিদ এবং তিনতলা নিয়ন্ত্রণ ভবন নির্মাণের প্রস্তাব রয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে দেশীয় পরামর্শক নিয়োগের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

প্রকল্প প্রস্তাবে বলা হয়েছে, সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রটি চালু হলে জাতীয় গ্রিডে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ যুক্ত হবে। এতে বিদ্যুৎ উৎপাদনে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানোর পাশাপাশি কার্বন নিঃসরণ কমানো ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে।

এদিকে একই একনেক সভায় বাংলাদেশ রেলওয়ের সক্ষমতা বাড়াতে ২ হাজার ৭৬৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩০টি মিটারগেজ ডিজেল-ইলেকট্রিক লোকোমোটিভ সংগ্রহের প্রকল্প অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়েছে। এতে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন থেকে ৮১১ কোটি ৩৮ লাখ টাকা এবং এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের (এআইআইবি) প্রকল্প ঋণ থেকে ১ হাজার ৯৫৮ কোটি ৪৮ লাখ টাকা সংগ্রহের প্রস্তাব রয়েছে।

সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সাতটি প্রকল্পসহ নৌপরিবহণ, পররাষ্ট্র এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রকল্পও অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়। ১৩টি প্রকল্পের মধ্যে ১০টি নতুন, দুটি সংশোধিত এবং একটি মেয়াদ বৃদ্ধির প্রকল্প।

চট্টগ্রামে শেখ হাসিনাসহ ১৮৭ জনের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩২ পূর্বাহ্ণ
চট্টগ্রামে শেখ হাসিনাসহ ১৮৭ জনের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার

চট্টগ্রামে গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৮৭ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা বহুল আলোচিত একটি মামলা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন বাদী কফিল উদ্দিন। বাদী নিজে যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে করা ওই মামলা নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়।

গত ১৭ সেপ্টেম্বর মামলা প্রত্যাহারের আবেদন করেন কফিল উদ্দিন। পরে ২৯ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম আদালত তার আবেদন মঞ্জুর করে মামলার কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেন।

চট্টগ্রাম মহানগর আদালতের জিআরও শাখায় কর্মরত কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, মামলাটির তদন্তের দায়িত্বে ছিল পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। বাদীর প্রত্যাহারের আবেদন পাওয়ার পর ২৯ সেপ্টেম্বর আদালত তা মঞ্জুর করে মামলার কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেন।

নথি সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় চট্টগ্রাম নগরের নিউ মার্কেট মোড়ে হামলায় আহত হওয়ার অভিযোগে কফিল উদ্দিন গত বছরের ১৮ নভেম্বর মামলাটি করেন। আদালত তার আবেদন গ্রহণ করে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন।

মামলায় শেখ হাসিনা ছাড়াও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইজিপি আবদুল্লাহ আল মামুন, পিবিআইয়ের সাবেক প্রধান বনজ কুমার মজুমদার, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, সাবেক সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান, ডিএমপির সাবেক ডিবিপ্রধান হারুন অর রশীদ, পুলিশ কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার সরকার এবং সিএমপির সাবেক কমিশনার সাইফুল ইসলামসহ ২৬ পুলিশ কর্মকর্তাকে আসামি করা হয়েছিল।

এ ছাড়া স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদেরও মামলায় আসামি করা হয়। সব মিলিয়ে মামলায় আসামির সংখ্যা ছিল ১৮৭ জন।

নদীভাঙন রোধে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার তাগিদ হুইপ নূরুদ্দিন অপুর

রবিউল মোল্লা শরীয়তপুর জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৪০ অপরাহ্ণ
নদীভাঙন রোধে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার তাগিদ হুইপ নূরুদ্দিন অপুর

নদীভাঙন রোধে স্বল্পমেয়াদি ও পুনরাবৃত্তিমূলক ব্যয়ের পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই নদী ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটির সদস্য ও হুইপ মিয়া নূরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু।

বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটির তৃতীয় বৈঠকে তিনি এ বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। বৈঠকে কমিটির সভাপতি ও চীফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির সভাপতিত্বে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং পানি সম্পদ পরিকল্পনা সংস্থার চলমান কার্যক্রম, সমস্যা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা পর্যালোচনা করা হয়।

বৈঠকে নদী শাসনে আধুনিক প্রযুক্তি ও গবেষণালব্ধ অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো, পলি ব্যবস্থাপনা, ড্রেজিংয়ের কার্যকারিতা মূল্যায়ন এবং নাব্যতা রক্ষায় সমন্বিত কৌশল গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

এ ছাড়া ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমাতে গভীর নলকূপ স্থাপন কমানো, ভূউপরিস্থ পানির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং পানির পুনঃব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। নদী, খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচিও সমন্বিতভাবে বাস্তবায়নের সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের দীর্ঘদিনের পাঁচ হাজারের বেশি অডিট আপত্তি দ্রুত নিষ্পত্তি, প্রকল্প বাস্তবায়নে বছরের শুরুতেই প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ এবং সংস্থাটির প্রাতিষ্ঠানিক ও কারিগরি সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।

কুড়িগ্রাম কমিটি অনুমোদনে ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি ক্ষোভ, ‘কমিটি থাকবে, কর্মী খুঁজে পাওয়া যাবে না’

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৩২ অপরাহ্ণ
কুড়িগ্রাম কমিটি অনুমোদনে ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি ক্ষোভ, ‘কমিটি থাকবে, কর্মী খুঁজে পাওয়া যাবে না’

গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) কুড়িগ্রাম জেলার আংশিক কমিটি আগামী এক বছরের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কমিটি অনুমোদনের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে কমিটি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভূরুঙ্গামারী উপজেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ফরহাদ।

৫ অক্টোবর গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর ও সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) আল মামুন হাসানের স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কুড়িগ্রাম জেলা কমিটি অনুমোদনের কথা জানানো হয়। পরে নুরুল হক নুর তার ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) কুড়িগ্রাম জেলার আংশিক কমিটি আগামী ১ (এক) বছরের জন্য অনুমোদন দেওয়া হলো।’

অনুমোদিত কমিটিতে সভাপতি করা হয়েছে আবুল কালাম আজাদকে। সহসভাপতি হিসেবে রয়েছেন মমিনুল হক সরকার রানা, মোফাখখারুল ইসলাম (মিঠুন) ও ডা. এম এ সোহেল।

সাধারণ সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত (সবুজ।) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাহুল আহমেদ আকুল ও ডা. কে এম গোলাম কিবরিয়া।

সাংগঠনিক সম্পাদক খাদেমুল ইসলাম আকাশ এবং সহসাংগঠনিক সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক। দপ্তর সম্পাদক মো. শিমুল মাহমুদ এবং সহদপ্তর সম্পাদক মো. মাহফুজার রহমান মাহফুজ।

অর্থ সম্পাদক মো. আবু তালিব (টিয়া), প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. মাহফুজার রহমান মাহফুজ, গণমাধ্যম ও সম্প্রচার সম্পাদক মো. জয়নাল আবেদীন এবং সহগণমাধ্যম ও সম্প্রচার সম্পাদক মো. মোকসেদ আলী।

এ ছাড়া মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক মো. মোশারফ হোসেন মজনু, শিক্ষা সম্পাদক প্রভাষক মো. আব্দুস সবুর সরকার, নারী বিষয়ক সম্পাদক মোছা. আদুরি আক্তার আঁখি, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. মো. আনারুল হক, সহস্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক মো. হারুন অর রশিদ, স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক মো. আব্দুল কাইয়ুম এবং নিরাপদ সড়ক ও যোগাযোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মো. এনামুল হককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

কমিটি অনুমোদনের পোস্টে মন্তব্য করতে গিয়ে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি ফরহাদ লেখেন, ‘হয়তো কমিটিটা কুড়িগ্রাম জেলার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কিন্তু কেমন জানি মনে হচ্ছে কমিটি থাকবে, কিন্তু গণঅধিকার পরিষদের কর্মী খুঁজে পাওয়া যাবে না। দুঃখজনক হলেও সত্যি।’

তিনি আরও মন্তব্য করেন, ‘এভাবেই হয়তো কমিটি হয়, যার জন্য দিন যাচ্ছে গণঅধিকার পরিষদ কর্মী হারাচ্ছে।’

এদিকে কমিটি নিয়ে অন্যদের মন্তব্যেও সমালোচনার সুর দেখা যায়। একজন লিখেছেন, ‘যারা কমিটিতে আছে তারা নিজেরাই জানে না।’ আরেকজন মন্তব্য করেন, ‘দলের চেয়ারম্যান নিজেই অন্য দল করে।’ অপর এক মন্তব্যে নুরুল হক নুরকে ইঙ্গিত করে লেখা হয়, ‘তাকে চেনা বড় কঠিন, সে বড় পল্টিবাজ।’

তবে সমালোচনার পাশাপাশি অনেকেই নতুন কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। ফলে কমিটি অনুমোদনের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমর্থন ও সমালোচনা—দুই ধরনের প্রতিক্রিয়াই দেখা যাচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এসব মন্তব্য চলছে। তবে কারো এখন পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।