খুঁজুন
, ,

আনিস খানের জমি ও খাইরুল ইসলাম রোমানের নেতৃত্বে ফরিদপুরে তৈরি হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন ‘মডেল এতিমখানা।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:৫৮ অপরাহ্ণ
আনিস খানের জমি ও খাইরুল ইসলাম রোমানের নেতৃত্বে ফরিদপুরে তৈরি হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন ‘মডেল এতিমখানা।

ফরিদপুরে অবহেলিত ও এতিম শিশুদের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল করার লক্ষ্যে এক অনন্য ও মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আনিস খানের ভূমি দান এবং সমাজসেবক খাইরুল ইসলাম রোমানের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও নেতৃত্বে এখানে গড়ে উঠছে একটি আধুনিক ও পূর্ণাঙ্গ ‘মডেল এতিমখানা’। এই এতিমখানাটি এলাকার এতিম শিশুদের জন্য একটি বড় আশ্রয়স্থল ও আশার আলো হয়ে উঠবে বলে আশা প্রকাশ করছেন স্থানীয়রা।

প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোক্তা ও সংশ্লিষ্টদের সূত্রে জানা যায়, এতিম ও দুস্থ শিশুদের ধর্মীয় ও আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলার পাশাপাশি তাদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলাই এই মডেল এতিমখানার মূল উদ্দেশ্য। এ উদ্দেশ্যে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আনিস খান স্বপ্রণোদিত হয়ে জমি দান করে এক দৃষ্টান্তমূলক মানবিক উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন।

অন্যদিকে, এতিমখানার সার্বিক অবকাঠামো নির্মাণ, পরিকল্পনা ও সঠিক ব্যবস্থাপনায় দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন খাইরুল ইসলাম রোমান। তার সুনিপুণ দিকনির্দেশনা ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে পুরো প্রকল্পের কাজ দ্রুত ও সুশৃঙ্খলভাবে এগিয়ে চলছে।

উদ্যোক্তারা জানান, সাধারণ এতিমখানার চেয়ে এটি হবে কিছুটা ব্যতিক্রমী ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত। এখানে এতিম শিশুদের থাকা-খাওয়ার মানসম্মত ব্যবস্থার পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষার সঙ্গে ধর্মীয় শিক্ষা এবং তাদের আত্মনির্ভরশীল করতে বিভিন্ন জীবনমুখী কর্মমুখী প্রশিক্ষণের পরিকল্পনাও রয়েছে।

এতিমখানার শিক্ষার্থীদের সঠিক ধর্মীয় ও মানসম্মত শিক্ষায় শিক্ষিত করতে দায়িত্ব নিচ্ছেন অভিজ্ঞ ধর্মীয় শিক্ষকবৃন্দ। এতে সরাসরি শিক্ষকতা ও দিকনির্দেশনা প্রদান করবেন ঝিলটুলি জামে মসজিদের ইমাম এবং হাফেজ মাওলানা আব্দুর রহমান রোমান। তাদের সুপরিচিত দ্বীনি ইলম ও যোগ্য পরিচালনার মাধ্যমে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা সঠিক ইসলামি অনুশাসন ও নৈতিক শিক্ষার আলো পাবে।

স্থানীয় এলাকাবাসী এই মহতী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তাদের মতে, আনিস খানের এই জমি দান এবং খাইরুল ইসলাম রোমানের নিবেদিত নেতৃত্ব ও দেখভাল ফরিদপুরের অবহেলিত শিশুদের জন্য এক নতুন ভোরের সূচনা করবে। এই মডেল এতিমখানাটির কাজ দ্রুত সম্পন্ন করে এর সেবা চালু করতে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

তিন বোনের বিরুদ্ধে কাবিন বাণিজ্যের অভিযোগ, দেনমোহর না দিলে মামলার হুমকি!

 শেখ মোরশেদ আলম জিসান
প্রকাশিত: রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:১১ অপরাহ্ণ
তিন বোনের বিরুদ্ধে কাবিন বাণিজ্যের অভিযোগ, দেনমোহর না দিলে মামলার হুমকি!

পটুয়াখালী পৌর শহরের একটি ক্লিনিকের পিয়ন মো. মাসুম বেপারীর তিন মেয়ে সুমাইয়া, সাথী ও তানজিলার বিরুদ্ধে পূর্বের বিয়ের তথ্য গোপন করে একাধিক বিয়ে, ছেলেদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও ধারণ, ব্ল্যাকমেইল এবং বিয়ে-পরবর্তী সময়ে তালাক ও মামলা-মোকদ্দমার ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। কয়েকজন ভুক্তভোগীর দাবি, সংসার না করার কথা বলে আত্মহত্যার হুমকি দিয়ে তালাকের পরিস্থিতি তৈরি করা হয়। পরে দেনমোহর ও অন্যান্য অর্থ দাবি করা হয়। দাবি করা অর্থ দিতে না পারলে যৌতুক ও নারী নির্যাতনের মামলা দিয়ে হয়রানির হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তারা।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, পরিবারের বড় মেয়ে সুমাইয়া ২০১৬ সালে নিজের বয়স ১৯ বছর দেখিয়ে রেজাউল নামের এক ব্যক্তিকে এক লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ে করেন। অভিযোগ রয়েছে, কিছুদিন পর সংসার করবেন না জানিয়ে আত্মহত্যার হুমকি দিয়ে তালাক চান। পরে বাবার বাড়িতে ফিরে দেনমোহর ও ভরণপোষণের টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে না পারলে যৌতুক ও নারী নির্যাতনের মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেওয়া হয় বলে রেজাউল ও তার পরিবারের অভিযোগ।

রেজাউলের মা বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে পটুয়াখালী শহরের কলাতলায় মাসুম বেপারীর বাসায় গেলে তাকে মারধর করে মোবাইল ফোন ও টাকা নিয়ে নেওয়া হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তীতে ২০১৮ সালে দেনমোহরের টাকা পরিশোধের মাধ্যমে সুমাইয়া ও রেজাউলের বিবাহবিচ্ছেদসংক্রান্ত বিরোধের নিষ্পত্তি হয় বলে সংশ্লিষ্ট পক্ষ দাবি করেছে।

অভিযোগ রয়েছে, প্রথম বিয়ের তথ্য গোপন রেখে নিজেকে অবিবাহিত দাবি করে সুমাইয়া মাদরাসায় পড়ুয়া দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাইফুলকে বিয়ে করেন। ২০২২ সালে প্রথম স্বামী রেজাউলের সঙ্গে বিরোধের মতো পরিস্থিতি তৈরি করে দ্বিতীয় স্বামী সাইফুলকেও আত্মহত্যার চেষ্টার হুমকি দিয়ে মৌখিকভাবে তিন তালাক দিতে বাধ্য করা হয় বলে সাইফুলের অভিযোগ।

তালাকের নোটিশ পাঠানোর পর কাবিননামা ব্যবহার করে প্রথমে পটুয়াখালী জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে দেনমোহর ও ভরণপোষণের দাবি জানানো হয়। পরবর্তীতে পটুয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সদর আমলি শাখায় সাইফুল ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের যৌতুক নিরোধ আইনের ৩ ধারায় মামলা করা হয়।

ভুক্তভোগীদের তথ্য অনুযায়ী, পরিবারের মেজ মেয়ে সাথী আক্তার বর্তমানে গাজীপুরের একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত। বড় বোন সুমাইয়ার মতো তিনিও পূর্বের বিয়ের তথ্য গোপন রেখে একাধিক বিয়ে করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ রয়েছে, ২০১৯ সালে শুভ নামের এক যুবকের সঙ্গে কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতে যাওয়ার পর তাকে পাঁচ লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ের জন্য চাপ দেওয়া হয়। শুভ বিয়েতে রাজি না হলে তার বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন, ধর্ষণ, অপহরণ ও পতিতাবৃত্তির উদ্দেশ্যে বিক্রির অভিযোগে মামলা করা হয়। একই সঙ্গে শুভর পরিবারের কাছে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন শুভ। বর্তমানে মামলাটি চলমান রয়েছে।

এরপর মিরাজ নামের এক যুবককে বাসায় ডেকে নিয়ে ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এলাকায় বিষয়টি জানাজানি হলে মিরাজকে অন্যত্র সরিয়ে দেওয়া হয়। এ ছাড়া বাড়িওয়ালার বাসায় কাজ করা একজন রাজমিস্ত্রিসহ আরও কয়েকজনের সঙ্গে সাথীর সম্পর্ক নিয়ে অভিযোগ উঠেছে।

একপর্যায়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইসমাইল নামের এক যুবকের সঙ্গে সাথীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ইসমাইলের অভিযোগ, তাকে বাবার বাসায় ডেকে নিয়ে অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল করা হয়। পরে ইসমাইলের বাড়িতে গিয়ে সাথী বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করলে পরিস্থিতির কারণে ইসমাইল তাকে বিয়ে করতে বাধ্য হন বলে তার দাবি।

ইসমাইলের দেওয়া বক্তব্য অনুযায়ী, সাথীসহ ওই পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের বিষয়ে আপত্তি জানানোর পর বড় বোন সুমাইয়ার সহযোগিতায় তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গলায় ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয় এবং তার গোপনাঙ্গের কিছু অংশ কেটে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় তিনি গাজীপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন বলে জানান।

পরবর্তীতে সাথী নিজে তালাক চাইলে ইসমাইল তালাকের নোটিশ পাঠান। ইসমাইলের দাবি, বিয়ের সময় দেনমোহর নির্ধারণ করা না হলেও বিচ্ছেদের পর পাঁচ লাখ টাকা দাবি করা হয়। টাকা না দিলে যৌতুক ও নারী নির্যাতনের মামলা করার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

সেজো মেয়ে তানজিলা আক্তারকে নিয়েও একই ধরনের অভিযোগ করেছেন কয়েকজন ভুক্তভোগী। তাদের দাবি, পটুয়াখালীতে বসবাসের সময় পরিবারের বাড়িওয়ালা ৭৫ বছর বয়সী এক বৃদ্ধকে বিভিন্নভাবে ফাঁদে ফেলা হয়। এতে ওই বৃদ্ধের প্রায় ৭০ হাজার টাকা আর্থিক ক্ষতি হয় এবং তিনি সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হন বলে অভিযোগ রয়েছে।

পরবর্তীতে রুহুল আমিন নামের এক যুবকের সঙ্গে তানজিলার বিয়ে হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, কিছুদিন পর সংসার করবেন না জানিয়ে তালাকের কথা বলেন এবং দেনমোহরের টাকা দাবি করেন। এ নিয়ে মামলা করার হুমকিও দেওয়া হয় বলে রুহুল আমিনের অভিযোগ। একপর্যায়ে স্থানীয় সালিসের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা হয়।

এরপর পূর্বের বিয়ের তথ্য গোপন রেখে গাজীপুরে শুভ নামের এক ব্যক্তিকে বিয়ে করেন তানজিলা বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে আগের বিয়ের বিষয়টি জানাজানি হলে তাদের মধ্যে তালাক হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

তিন বোনের বিষয়ে সুমাইয়ার দ্বিতীয় স্বামী সাইফুল ইসলাম অন্য ভুক্তভোগীদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। এ ঘটনায় পটুয়াখালী সদর থানা, মিরপুর মডেল থানা ও গাজীপুর সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন বলে জানান সাইফুল।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগের সূত্র ধরে পটুয়াখালী পৌর শহরের বিসমিল্লাহ মোটরসের স্বত্বাধিকারী আল আমিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বড় মেয়ে সুমাইয়ার মোবাইল ফোন কেনার টাকার প্রয়োজন হলে ছোট চৌরাস্তার ময়না নামের এক নারীর মাধ্যমে তার সঙ্গে পরিচয় হয়। পরে তিনি কাস্টমার ঠিক করে দেন।

আল আমিনের ভাষ্য, এরপর ঢাকা ও অন্যান্য জায়গা থেকে আসা ব্যক্তিরা তার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি পটুয়াখালী শহর, কুয়াকাটাসহ বিভিন্ন এলাকার হোটেল ও বাসায় সুমাইয়া, সাথী ও তানজিলাকে পাঠিয়ে দিতেন। এ কাজে তারও একটি বড় অংশ থাকত বলে তিনি দাবি করেন। তার মাধ্যমে তিন বোন কয়েক লাখ টাকা আয় করার সুযোগ পেয়েছেন বলেও জানান তিনি।

আল আমিন আরও বলেন, কয়েক মাস আগে একটি পেমেন্ট আটকে দেওয়াকে কেন্দ্র করে তিন বোন তার শোরুম বিসমিল্লাহ মোটরসে এসে ঝামেলা করেন। এরপর কয়েক মাস ধরে তাদের সঙ্গে তার আর যোগাযোগ নেই।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগের সূত্র ধরে গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর এলাকার কয়েকজন বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, বড় মেয়ে সুমাইয়া স্বামী পরিচয়ে বিভিন্ন ব্যক্তিকে নিয়ে বাসায় থাকতেন। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে বাড়িওয়ালারা কাবিননামা অথবা বিয়ের প্রমাণ দেখতে চাইতেন। এমন পরিস্থিতিতে তিনি বাসা ছেড়ে অন্য এলাকায় চলে যেতেন।

সুমাইয়ার প্রথম স্বামী রেজাউল বলেন, “বিয়ের পর থেকেই সুমাইয়ার আচার-আচরণ ভালো ছিল না। আত্মহত্যার হুমকি দিয়ে তালাক চেয়ে বাবার বাড়িতে চলে যায়। পরে দেনমোহরের টাকা না দিলে মামলার হুমকি দেয়। আমি অনেক কষ্ট করে টাকা জোগাড় করে পরিশোধ করলে আমাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়।”

মারধরের বিষয়ে রেজাউলের মা বলেন, “ঝামেলা চলাকালে আমি সুমাইয়াদের বাসায় গেলে সুমাইয়ার বাবা আমাকে রশি দিয়ে বাঁধতে বলেন। পরে আমাকে মারধর করে মোবাইল ও টাকা রেখে দেন।”

সুমাইয়ার দ্বিতীয় স্বামী সাইফুল ইসলাম বলেন, “তিন বোন, তাদের বাবা, নান্নু মৃধা ও জুই মিলে একটি প্রতারক চক্র। তারা পূর্বের বিয়ের তথ্য গোপন করে একের পর এক বিয়ে করেন। পরবর্তীতে নিজেরাই সংসার ভেঙে চলে যান। এরপর মামলা করে হয়রানি করেন। তালাক কার্যকর হওয়ার পর এই পরিবার আমার কাছে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করে। টাকা না দেওয়ায় আমাকে ও আমার পরিবারকে হয়রানির উদ্দেশ্যে মিথ্যা যৌতুকের মামলা করেছে। মামলার ঘটনার সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই। মামলায় সাক্ষী হিসেবে নান্নু মৃধা ও জুইকে দেখা যাবে। তারা প্রতিটি মেয়ের বিয়ে, তালাক ও মামলায় সাক্ষী হিসেবে রয়েছেন।”

শুভর বক্তব্য

ভুক্তভোগী শুভ বলেন, “আমাকে বেশ কয়েকটি মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করেছে। মামলা তুলে নিতে এই পরিবার মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করছে। বর্তমানে মামলাটি চলমান রয়েছে।”

ইসমাইলের বক্তব্য

ভুক্তভোগী ইসমাইল বলেন, “আমার অভিযোগ, এই ঘটনার নেপথ্যে তার বাবা মাসুম বেপারীর ভূমিকা রয়েছে। পরিকল্পিতভাবে মেয়েদের মাধ্যমে প্রতারণার ফাঁদ তৈরি করে বিয়ের নামে কাবিনসংক্রান্ত ব্যবসা ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড চালানো হয়। কিছুদিন পর সংসার করবেন না বলে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন শুরু করা হয়। অন্য পুরুষের সঙ্গে মেলামেশা বন্ধ করতে বললে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়া হয়। এরপর ডিভোর্স চেয়ে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করা হয়।”

তিনি আরও বলেন, “চাকরির উদ্দেশ্যে গাজীপুরে ভাড়া বাসায় থাকতাম। সেখানে কয়েকবার আমাকে মারধর করে রক্তাক্ত করা হয়েছে। একদিন রাতে ঝগড়ার পর ঘুমন্ত অবস্থায় আমার পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলার চেষ্টা করা হয়। হঠাৎ টের পাওয়ায় বড় ক্ষতি থেকে রক্ষা পেলেও কিছু অংশ কেটে যায়। এ ঘটনার ছবি ও প্রমাণ এখনো আমার কাছে রয়েছে। আমি থানায় অভিযোগও করেছি। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সালিস করেছিলেন। এরপর কিছুদিন পরিস্থিতি ভালো থাকলেও নির্যাতন বন্ধ হয়নি। গাজীপুর সদর থানায় পরপর দুটি অভিযোগ করেছি। আমার বিয়েতে কাবিন না থাকলেও ডিভোর্সের পর পাঁচ লাখ টাকা কাবিন করার প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে। দাবি না মানলে ভবিষ্যতে মামলা করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।”

ভুক্তভোগী রুহুল আমিন বলেন, “পারিবারিকভাবে তানজিলার সঙ্গে আমার বিয়ে হয়েছিল। আমার অভিযোগ, তিন বোনই অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। আমার সঙ্গে সংসার করবে না জানিয়ে ডিভোর্স নিয়ে দেনমোহরের টাকা আদায়ের জন্য মামলা করার হুমকি দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে স্থানীয় সালিসের মাধ্যমে আমাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়।”

পটুয়াখালী শহরের মধ্যকলাতলার বাড়িওয়ালার স্ত্রী বলেন, “তারা বিভিন্ন সময়ে নানা পরিচয়ে বাসায় ছেলেদের নিয়ে আসতেন। আমার বাসায় রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন এমন একজন ছেলের সঙ্গে মেজ মেয়ে সাথীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। আমাদের বাসায় ভাড়া থাকা অবস্থায় সাথীর স্বামী না থাকা সত্ত্বেও সে চার-পাঁচ মাসের গর্ভবতী হয়েছিল বলে জানতে পারি। মেয়েটিকে যেহেতু বিয়ে দিতে হবে, তাই মানসম্মানের কথা চিন্তা করে নিজের টাকা ধার দিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাই। এরপরও সেজ মেয়ে তানজিলা আমার বৃদ্ধ স্বামীকে ফাঁদে ফেলে সম্মানহানি ও আর্থিক ক্ষতি করেছে।”

অভিযোগের বিষয়ে জানতে পরিবারের মেজ মেয়ে সাথী আক্তারের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

বড় মেয়ে সুমাইয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমার প্রথম স্বামী ছিলেন রেজাউল। দ্বিতীয় স্বামী সাইফুল দীর্ঘ চার-পাঁচ বছর ধরে আমার খোঁজখবর নেন না। তিনি ডিভোর্সের নোটিশ পাঠিয়েছেন। আমি নিরুপায় হয়ে সাইফুলের বিরুদ্ধে যৌতুকের মামলা করেছি।”

এ বিষয়ে বাবা মাসুম বেপারীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি তার তিন মেয়ের একাধিক বিয়ে ও ডিভোর্সের বিষয়টি স্বীকার করেন। সাইফুল ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে যৌতুকের মামলা করার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, “দীর্ঘ চার-পাঁচ বছর ধরে আমার মেয়ের খোঁজখবর নেয় না। এজন্য যৌতুকের মামলা করেছি।”

অন্যান্য মামলা ও অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাইলে তিনি কথা বলতে রাজি হননি। একপর্যায়ে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

ভুক্তভোগীদের দাবি, ভবিষ্যতে যেন আর কেউ এই পরিবারের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সে জন্য প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন তারা। বিয়ে ও তালাকের নথি, কাবিননামা, দেনমোহর, আর্থিক লেনদেন, থানায় করা অভিযোগ এবং আদালতে চলমান মামলার কাগজপত্র যাচাই করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন ও দায়ীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

গাজীপুর কোনাবাড়ী থানার ওসির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ

গাজীপুর প্রতিনিধি: শেখ মোরশেদ আলম জিসান
প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:২৯ অপরাহ্ণ
গাজীপুর কোনাবাড়ী থানার ওসির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক তরুণীকে ধর্ষণ, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কোনাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইফতেখার হোসেনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সোহেল নামের আরও এক ব্যক্তির সম্পৃক্ততার অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী ওই তরুণী।

এ বিষয়ে চলতি বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী। তার বাড়ি গাজীপুর মহানগরের কাশিমপুর এলাকায়। অভিযোগের পর থেকে ওসি ও তাঁর সহযোগীদের হুমকিতে আতঙ্কে দিন কাটছে বলে দাবি করেছেন ওই তরুণী ও তাঁর পরিবার।

অভিযোগ দেওয়ার প্রায় দেড় মাস পেরিয়ে গেলেও বিষয়টি এখনো তদন্তাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

লিখিত অভিযোগে তরুণী উল্লেখ করেন, প্রায় এক বছর পাঁচ মাস আগে ইফতেখার হোসেন কাশিমপুর থানায় কর্মরত থাকাকালে একটি ব্যক্তিগত অভিযোগ নিয়ে তিনি থানায় যান। ওই সময় ওসি তাঁর মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করেন এবং পরবর্তী সময়ে নিয়মিত ফোনালাপের মাধ্যমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। সম্পর্ক চলাকালে ইফতেখার নিজেকে অবিবাহিত পরিচয় দিয়ে তাঁকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেন বলে অভিযোগ করেন ওই তরুণী।

তাঁর অভিযোগ, সম্পর্ক চলাকালে ওসি ইফতেখার হোসেন তাঁকে বিভিন্ন সময় তাঁর বন্ধু সোহেলের বাসায় নিয়ে যেতেন। সেখানে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করতেন। এ ঘটনায় সোহেল সরাসরি সহযোগিতা করেছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। সোহেল নিয়মিত তাঁদের দেখা করানোর ব্যবস্থা করতেন এবং নিজের বাসা ব্যবহারের সুযোগ করে দিতেন বলে দাবি ভুক্তভোগীর।

অভিযোগে আরও বলা হয়, পরবর্তী সময়ে বিয়ের জন্য চাপ দিলে ওসি ইফতেখার তাঁকে পাঁচ বছর অপেক্ষা করতে বলেন। পরে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান। বিষয়টি জানাজানি হলে ওসির বাবা ফোন করে তাঁর পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতা নিয়ে কটূক্তি ও অপমান করেন বলে অভিযোগ করেন তরুণী। এর প্রতিবাদ করায় ওসি তাঁকে গালিগালাজ, মানসিক নির্যাতন ও প্রাণনাশের হুমকি দেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীর দাবি, গত ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ওসি ইফতেখার হোসেনের নির্দেশে তাঁর বন্ধু সোহেল ও কথিত এক আত্মীয় তাঁর বাসায় যান। এ সময় তাঁকে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক মোবাইল ফোন নিয়ে ওসির বিরুদ্ধে থাকা কল রেকর্ড ও মেসেজ মুছে ফেলা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

বর্তমানে ওসি ও তাঁর সহযোগীরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারেন, এমনকি মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর আশঙ্কাও করছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেছেন ওই তরুণী। তাঁর দাবি, ওসি তাঁর মা-বাবার কাছেও বার্তা পাঠিয়েছেন, যেন তাঁকে বিয়ে দিয়ে দেওয়া হয় এবং বিয়ের জন্য কিছু টাকা দেওয়া হবে।

ভুক্তভোগী তরুণী বলেন, “কমিশনারের কাছে অভিযোগ দেওয়ার পর থেকে ওসি ইফতেখার হোসেন আমাকে ও আমার পরিবারকে হুমকি দিচ্ছেন। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে আমার সঙ্গে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক করেছেন। তাঁদের ভয়ে বাসা থেকেও বের হতে পারছি না। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।”

তিনি অভিযুক্ত ওসি ইফতেখার হোসেন ও তাঁর সহযোগী সোহেলের বিরুদ্ধে দ্রুত নিরপেক্ষ বিভাগীয় তদন্ত এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. তাহেরুল হক চৌহান জানান, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগটি তদন্তের জন্য একজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে অভিযুক্ত ওসি ইফতেখার হোসেন ও সোহেলের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

উচ্চশিক্ষিত চরিত্রহীন ব্যক্তি পেশাদার চোর-ডাকাতের চেয়েও ভয়ংকর: ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ণ
উচ্চশিক্ষিত চরিত্রহীন ব্যক্তি পেশাদার চোর-ডাকাতের চেয়েও ভয়ংকর: ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ

পটুয়াখালীর বাউফলে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৫২ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা

পটুয়াখালীর বাউফলে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জনকারী ৫২ জন কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে বাউফল উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা ইসলামী ছাত্রশিবির আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনের সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, “একজন পেশাদার চোর অথবা ডাকাতের চেয়ে একজন উচ্চশিক্ষিত চরিত্রহীন মানুষ বেশি ভয়ংকর। কারণ, তার মধ্যে নীতি-নৈতিকতা নেই। আজকাল অনেকের ক্যারিয়ার আছে, কিন্তু ক্যারেক্টার নেই।”

তিনি বলেন, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ব্যারিস্টার কিংবা বড় কর্মকর্তা হওয়াই জীবনের প্রকৃত সফলতা নয়। অর্জিত শিক্ষাকে ভালো কাজে ব্যবহার করতে হবে। দুনিয়ায় একজন ভালো মানুষ হতে পারাই প্রকৃত সফলতা। দেশে উচ্চশিক্ষিত মানুষের অভাব না থাকলেও নৈতিকতা ও ভালো মানুষের অভাব রয়েছে। বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ভালো মানুষ তৈরির প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, পবিত্র কোরআনের প্রথম নির্দেশনা ‘ইকরা বিসমি রব্বিকাল্লাজি খালাক’। পড়াশোনা একটি ইবাদত এবং নারী-পুরুষ সবার জন্য শিক্ষা অর্জন ফরজ। এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পেছনে পিতা-মাতা ও শিক্ষকদের অবদানের পাশাপাশি মহান আল্লাহর রহমত রয়েছে।

সংবর্ধনা নিতে আসা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে সংসদ সদস্য বলেন, “তোমাদের কাউকে শিবির করতে ডাকা হয়নি, ডাকা হয়েছে ভালো মানুষ হতে।” এ সময় তিনি জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের রাজনীতি এবং ধর্মীয় অনুশীলন নিয়ে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন।

উচ্চশিক্ষার বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, ভবিষ্যতে যারা উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যেতে চায়, তাদের সহযোগিতা করবে ছাত্রশিবির। গত কয়েক মাসে বাউফলের ছয়জন শিক্ষার্থীকে দেশের বাইরে পাঠাতে পেরেছেন বলেও জানান তিনি। শিক্ষার্থীদের বড় স্বপ্ন দেখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের মধ্য থেকেই কেউ একদিন জাতিসংঘের মহাসচিব হতে পারে। স্বপ্ন বাস্তবায়নে পাশে থাকার আশ্বাসও দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাউফল উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আরিফুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জাকারিয়া ইসলাম, বাউফল উপজেলা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মো. আব্দুল্লাহ, উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা রফিকুল ইসলাম ও উপজেলা জামায়াতের অর্থ সম্পাদক মাহমুদুল্লাহসহ অন্যরা।

অনুষ্ঠান শেষে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৫২ শিক্ষার্থীর হাতে ক্রেস্ট, ফুল, পবিত্র কোরআন শরিফ, বই, কলম ও প্যাড তুলে দেওয়া হয়। পরে তাদের জন্য নাশতার আয়োজন করা হয়।

এর আগে শনিবার সকাল ১১টায় সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বাউফলের কালাইয়া বাজার ও হাইস্কুল-সংলগ্ন ৪৫০ ফুট দীর্ঘ ও ১২ ফুট প্রশস্ত সড়কের উন্নয়নকাজ উদ্বোধন করেন। দুপুর ১২টায় কনকদিয়া ইউনিয়নের ব্রাহ্মণবিল এলাকায় নবনির্মিত একটি সেতু উদ্বোধন করেন তিনি। এ সময় একই ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামীর চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে মাহমুদ খানের নাম ঘোষণা করেন সংসদ সদস্য।