খুঁজুন
, ,

গাইবান্ধায় ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণ দেখিয়ে জামায়াত নেতার পদত্যাগ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৩৪ অপরাহ্ণ
গাইবান্ধায় ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণ দেখিয়ে জামায়াত নেতার পদত্যাগ

সুন্দরগঞ্জে জামায়াত নেতার পদত্যাগ, ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি চাঁদ মিয়া

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সমস্যার কথা উল্লেখ করে জামায়াতে ইসলামীর এক নেতা পদত্যাগ করেছেন। পদত্যাগ করা ওই নেতার নাম মো. রাশেদুল ইসলাম বাবু। তিনি উপজেলার বামনডাঙা ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি পদে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তাঁর পদত্যাগের পর ইউনিয়ন শাখার ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি হিসেবে চাঁদ মিয়াকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে রাশেদুল ইসলামের পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন সুন্দরগঞ্জ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মো. শহিদুল ইসলাম মঞ্জু।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ অক্টোবর দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়ে উপজেলা আমির বরাবর লিখিত পদত্যাগপত্র জমা দেন রাশেদুল ইসলাম বাবু। আবেদনে তিনি ব্যক্তিগত ও পারিবারিক নানা সমস্যার কথা উল্লেখ করেন।

পদত্যাগপত্রে রাশেদুল ইসলাম জানান, দীর্ঘদিন ধরে তিনি তাঁর ওপর অর্পিত সাংগঠনিক দায়িত্ব নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করে আসছেন। তবে বর্তমানে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক বিভিন্ন সমস্যার কারণে তাঁর পক্ষে যথাযথভাবে সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে তিনি দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়ে লিখিত আবেদন জমা দেন।

এদিকে, বামনডাঙা ইউনিয়ন জামায়াতের সাংগঠনিক কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে চাঁদ মিয়াকে ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বামনডাঙা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুল ইসলাম শামীম বলেন, বিষয়টি জানার পর সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী একজনকে ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সংগঠনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অন্যদিকে, পদত্যাগপত্র পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করলেও এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি সুন্দরগঞ্জ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মো. শহিদুল ইসলাম মঞ্জু।

দাউদকান্দিতে পুলিশের পৃথক অভিযান ও মোবাইল কোর্টে ২৬ জন গ্রেপ্তার

দাউদকান্দি (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ণ
দাউদকান্দিতে পুলিশের পৃথক অভিযান ও মোবাইল কোর্টে ২৬ জন গ্রেপ্তার

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে মডেল থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে ডাকাতি ও চুরি মামলার আসামি, পরোয়ানাভুক্ত আসামি এবং পুলিশ আইনের ৩৪ ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তিসহ মোট ২৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সঙ্গে সহকারী কমিশনার (ভূমি), দাউদকান্দি ও থানা পুলিশের অভিযানে পরিচালিত মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ১৭ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

পুলিশের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে ডাকাতি মামলার একজন, চুরি মামলার দুজন, পরোয়ানাভুক্ত দুজন এবং পুলিশ আইনের ৩৪ ধারায় চারজন রয়েছেন। এ ছাড়া মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে সাজাপ্রাপ্ত হয়েছেন ১৭ জন।

ডাকাতি মামলায় গ্রেপ্তার ব্যক্তি হলেন দাউদকান্দি পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের নুরপুর বেপারীবাড়ির শাহজালাল (৪০)। চুরি মামলায় গ্রেপ্তার দুজন হলেন সাতপাড়া এলাকার আলমগীর (৩৪) ও ঋষিপাড়া এলাকার দীপু মণ্ডল (২০)।

পরোয়ানাভুক্ত গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন আউটবাগ এলাকার ইয়াছিন মিয়া ও মোবারকপুর এলাকার কাদির মিয়া (৪৫)।

এ ছাড়া পুলিশ আইনের ৩৪ ধারায় সজল (১৯), হোসাইন (১৮), আল আমিন (৩৫) ও আসিফ (২৪) নামে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে সজলের স্থায়ী ঠিকানা টাঙ্গাইল সদর এলাকায় এবং বাকিদের বাড়ি দাউদকান্দির বিভিন্ন এলাকায়।

মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন জয় চন্দ্র, ফারুক, ফরিদ মিয়া, ইমন, তুহিন, বিল্লাল, মোহাম্মদ আলী, ফয়সাল, অকুজ, মফিজ মিয়া, জুয়েল, হারুন, আইয়ুব, মিঠু, লোকমান ও সাব্বিরসহ অন্যরা। তাঁদের অধিকাংশের বাড়ি দাউদকান্দির বিভিন্ন এলাকায়। এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও ও মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া এলাকার বাসিন্দাও রয়েছেন।

দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশ জানায়, থানা এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের পৃথক অভিযান পরিচালনা করা হয়। পাশাপাশি সহকারী কমিশনার (ভূমি), দাউদকান্দি ও থানা পুলিশের সমন্বয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট পৃথক মামলায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

সূত্র: দাউদকান্দি মডেল থানা, কুমিল্লা।

মাগুরার শালিখায় বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, হামলার শিকার সাংবাদিক

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১:০৫ পূর্বাহ্ণ
মাগুরার শালিখায় বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, হামলার শিকার সাংবাদিক

মাগুরার শালিখা উপজেলায় বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় সংঘর্ষের ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন দৈনিক গ্রামের কাগজ ও দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের সাংবাদিক জসীম উদ্দীন। আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে শালিখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন স্থানীয়রা।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেল ৬টার দিকে উপজেলার শতখালী নতুন বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

আহত সাংবাদিক জসীম উদ্দীন জানান, শতখালী নতুন বাজার এলাকায় সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর অনুসারী হিসেবে পরিচিত মাগুরা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহসভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক এবং যুবদল নেতা রবিউল ইসলাম নয়নের অনুসারী ওয়াদুদ বিশ্বাসের মধ্যে দলীয় বিরোধের জেরে প্রথমে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুরু হয়।

জসীম উদ্দীনের অভিযোগ, পেশাগত দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে সংঘর্ষের ভিডিও ধারণ করতে গেলে মোস্তাক ও তাঁর সমর্থকেরা তাঁর ওপর হামলা করেন। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে শালিখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

এদিকে, পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন শালিখায় কর্মরত সাংবাদিকেরা। তাঁদের অভিযোগ, সংবাদ সংগ্রহের সময় সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা স্বাধীন সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমকর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করছে।

মাগুরা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. গোলাম জাহিদ হোসেন জানান, মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক আগের কমিটির সহসভাপতি ছিলেন। তবে বর্তমান কমিটিতে তিনি নেই। সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনাকে দুঃখজনক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শালিখা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাইমুন নেসা জানান, আহত সাংবাদিক জসীম উদ্দীন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তবে তিনি বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত।

শালিখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশিকুর রহমান বলেন, সাংবাদিক জসীম উদ্দীনের ওপর হামলার বিষয়টি তিনি জানতে পেরেছেন। এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক কারবারির কামড়ে আহত দুই পুলিশ, আটক ১

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি : রায়হান আহমেদ সোহান
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫৯ পূর্বাহ্ণ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক কারবারির কামড়ে আহত দুই পুলিশ, আটক ১

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে মাদক কারবারি হিসেবে অভিযুক্ত এক ব্যক্তিকে আটক করতে গিয়ে তার কামড়ে পুলিশের দুই সদস্য আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। পরে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশ।

আটক শাকিব মিয়া (৩০) পানিশ্বর ইউনিয়নের লায়রহাটি দেওবাড়িয়া এলাকার আনু মিয়ার ছেলে। আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন সরাইল থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমান উল্লাহ ও কনস্টেবল শরিফুল ইসলাম।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শাকিবকে আটকের চেষ্টা করলে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে তিনি পুলিশ সদস্যদের কামড়ে আহত করেন। পরে তাকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়। আহত দুই পুলিশ সদস্য সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন।

সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনজুর কাদের ভূঁইয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদকসংক্রান্ত অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।