খুঁজুন
, ,

নতুন বাহারছড়ায় প্রকাশ্যে ইয়াবা কারবারের অভিযোগ, ওসমানকে ঘিরে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:১৩ অপরাহ্ণ
নতুন বাহারছড়ায় প্রকাশ্যে ইয়াবা কারবারের অভিযোগ, ওসমানকে ঘিরে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

কক্সবাজারের বিমানবন্দর সড়কসংলগ্ন নতুন বাহারছড়া এলাকার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে ইয়াবা ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে ওসমান নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। তিনি মৃত জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, গত প্রায় ছয় মাস ধরে ওসমানের মাধ্যমে এলাকায় ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার চলছে। তার বাড়িতে নিয়মিত মাদকসেবীদের আড্ডা বসে বলেও অভিযোগ করেছেন তারা।
এলাকাবাসী জানান, মাদক কারবারের অভিযোগে নতুন বাহারছড়া সমাজ কমিটি প্রায় তিন মাস আগে ওসমানকে সমাজ থেকে বহিষ্কার করে। তবে এরপরও কথিত মাদক কারবার বন্ধ হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
স্থানীয়দের আরও দাবি, কয়েক সপ্তাহ আগে ইয়াবাসহ ওসমানকে পুলিশ আটক করেছিল। তবে পরে অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি ছাড়া পেয়ে আবারও এলাকায় অবস্থান করছেন বলে অভিযোগ তাদের। এ ঘটনায় তার ছাড়া পাওয়ার প্রক্রিয়া নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
এদিকে এসব অভিযোগের বিষয়ে ওসমানের বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। পরে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে অভিযোগগুলোর বিষয়ে তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
মাদক কারবারের অভিযোগে দীর্ঘদিন ধরে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী। তাদের দাবি, বিষয়টি তদন্ত করে ওসমানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া এবং এলাকায় মাদকের বিস্তার বন্ধে প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ করা হোক।

সাভারে এসবি সদস্য হত্যার প্রধান জহিরুল গ্রেপ্তার

মোঃ রবিউল ইসলাম সিয়াম স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:০৯ অপরাহ্ণ
সাভারে এসবি সদস্য হত্যার প্রধান জহিরুল গ্রেপ্তার

সাভারের আমিনবাজারে এক বৃদ্ধ অটোরিকশাচালককে মারধরের প্রতিবাদ করায় পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আলতাফ হোসেনকে (৫৮) পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তাঁর ছোট ছেলে মো. আরিফুল ইসলাম (২৬) গুরুতর আহত হয়েছেন। তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জহিরুল ইসলাম নামে একটি প্রাইভেটকারের চালক ও মালিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) ভোরে আমিনবাজার এলাকা থেকে জহিরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছেন সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল আলম।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে আমিনবাজারের বড়দেশী মদিনা হাউজিং এলাকায় একটি গেঞ্জি কারখানার সামনে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আলতাফ হোসেন সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানার সাধুপাড়া গ্রামের প্রয়াত জুরাইন আলী শেখের ছেলে।

এসবির সাভার জোনের এএসআই মাসুদ রানা জানান, নিহত আলতাফ হোসেন ঢাকার একটি জোনে এসবির এসআই হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি সাভার জোনে কর্মরত ছিলেন না। আমিনবাজার এলাকায় তাঁর জমি ও একটি কারখানা রয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে ঘটনাস্থলের তথ্য, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা যাচাই করা হচ্ছে। একই সঙ্গে হামলায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

সাভারে বৃদ্ধ রিকশাচালকে মারধরের প্রতিবাদ করায় এসবি সদস্যকে পিটিয়ে হত্যা

মোঃ রবিউল ইসলাম সিয়াম স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৫৯ অপরাহ্ণ
সাভারে বৃদ্ধ রিকশাচালকে মারধরের প্রতিবাদ করায় এসবি সদস্যকে পিটিয়ে হত্যা

সাভারে এক বৃদ্ধ রিকশাচালককে মারধরের প্রতিবাদ করতে গিয়ে মো. আলতাফ হোসেন (৬০) নামের পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) এক সদস্যকে পিটিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

রবিবার (৬ই সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল আলম জানান , সাভারের আমিনবাজার এলাকায় একটি রিকশাকে প্রাইভেটকার চাপা দেওয়া কেন্দ্র করে প্রতিবাদ জানাতে গেলে এই হামলার শিকার হন তিনি।

নিহত মোঃ আলতাফ হোসেন ঢাকা মালিবাগে বিশেষ শাখায় (এসবি) কর্মরত ছিলেন। তিনি সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানার রূপনাই সাধুপাড়া গ্রামের মৃত জুরায়ন আলী শেখের ছেলে। তিনি পরিবার নিয়ে সাভারের আমিনবাজারের বড়দেশী মদিনা সিটি এলাকায় বসবাস করতেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাত আটটার দিকে আমিনবাজার এলাকায় বড়দেশী গ্রামের একটি আঞ্চলিক সড়কে এক বৃদ্ধ রিকশাচালক রিকশা ঠিক করছিলেন। এ সময় একটি প্রাইভেটকার এসে ওই বৃদ্ধ ও রিকশাকে ধাক্কা দেয়। বিষয়টি দেখে কাছেই থাকা পুলিশ সদস্য আলতাফ হোসেন এগিয়ে যান ও প্রাইভেটকারে থাকা লোকজনের এমন বেপরোয়া আচরণ ও বৃদ্ধকে আঘাত করার প্রতিবাদ জানান। প্রতিবাদ করার একপর্যায়ে প্রাইভেটকারে থাকা ৪-৫ জন যুবক আলতাফ হোসেনের ওপর চড়াও হয়। পরে আরও লোক নিয়ে এসে তাকে বেধড়ক পেটাতে থাকে। তাদের হামলায় তিনি গুরুতর আহত ও অচেতন হয়ে পড়েন।

পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল আলম জানায়, খবর পেয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে ও হামলায় জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে। মূলত অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে জানা গেছে। বাকী টা তদন্ত শেষে জানা যাবে।

দেবিদ্বারে নির্মাণাধীন বাড়িতে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ, ছাত্রদল-স্বেচ্ছাসেবক দলের ৩ নেতাসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৩৮ অপরাহ্ণ
দেবিদ্বারে নির্মাণাধীন বাড়িতে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ, ছাত্রদল-স্বেচ্ছাসেবক দলের ৩ নেতাসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ

কুমিল্লার দেবিদ্বারে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে নির্মাণাধীন বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, মারধর ও স্বর্ণালংকার লুটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের তিন নেতাসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে দেবিদ্বার থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন হোসনেয়ারা বেগম নামে এক নারী।

গত ৫ সেপ্টেম্বর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দেবিদ্বার থানাধীন কিসমারী গেইটের উত্তর পাশে আল-ইসলাম হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগকারী হোসনেয়ারা বেগমের দাবি, নির্মাণাধীন বাড়িতে অভিযুক্তরা বহিরাগত লোকজন নিয়ে প্রবেশ করে তাকে ও তার ভাইকে মারধর করেন এবং নির্মাণাধীন স্থাপনায় ভাঙচুর চালান। এ সময় তার পরিহিত ১২ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন, যার আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং একটি কানের দুল, যার মূল্য প্রায় ১৫ হাজার টাকা, নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করেন তিনি।

এ ঘটনায় ছোলেমান মিয়া, লোকমান মিয়া, কবির হোসেন, মোহাম্মদ হানিফ, আরিফ হোসেন, মোহাম্মদ শরীফ, আবুল কাশেম, মোঃ রাফি, মোঃ রুবেল, সুজন সরকার, সাদেক হোসেন ও মোঃ রিফাতের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও প্রায় ১৫ জনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযুক্তদের মধ্যে সুজন সরকার দেবিদ্বার পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক, সাদেক হোসেন দেবিদ্বার সরকারি কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক এবং মোঃ রিফাত একই কমিটির সদস্য সচিব।

জমি দখলের পাল্টা অভিযোগ

অভিযোগের বিষয়ে দেবিদ্বার পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সুজন সরকার বলেন, ছয় ভাইয়ের মধ্যে লোকমান, ছোলেমান, কবির, আরিফ, হানিফ ও শরীফ জায়গাটি ভোগদখলে ছিলেন। তাদের চার ভাইয়ের কাছ থেকে তারা জমিটি কিনেছেন এবং এ সংক্রান্ত কাগজপত্র তাদের কাছে রয়েছে।

তিনি বলেন, “জমিটি নিয়ে সমস্যা হওয়ায় দেবিদ্বার থানা থেকে পুলিশ গিয়ে স্থাপনা নির্মাণের কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশনা দিয়েছিল। কিন্তু তারা নির্দেশনা না মেনে কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল। তাই আমরা গিয়ে কাজ বন্ধ করেছি। ভুয়া দলিল দিয়ে আমাদের জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে।”

এ বিষয়ে দেবিদ্বার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”