খুঁজুন
, ,

ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে ৩২০ কোটি টাকার অ্যান্ড্রয়েড ট্যাব কিনবে সরকার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ১০:২৩ অপরাহ্ণ
ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে ৩২০ কোটি টাকার অ্যান্ড্রয়েড ট্যাব কিনবে সরকার

ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ, যাচাই ও ব্যবস্থাপনার জন্য ৩২০ কোটি ৭১ লাখ ২০ হাজার টাকার অ্যান্ড্রয়েড ট্যাব কিনবে সরকার। বাংলাদেশ নৌবাহিনীর অধীন ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেডের কাছ থেকে এসব ট্যাব কেনা হবে।

বুধবার (১২ আগস্ট) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ ক্রয় প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন সমাজসেবা অধিদপ্তর বাস্তবায়নাধীন ‘স্ট্রেংদেনিং সোশ্যাল প্রটেকশন ফর ইমপ্রুভড রেজিলিয়েন্স, ইনক্লুশন অ্যান্ড টার্গেটিং’ প্রকল্পের আওতায় ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের জন্য এসব ট্যাব কেনা হবে।

ক্রয়ের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর অধীন ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেড, সোনাকান্দা, বন্দর, নারায়ণগঞ্জকে।

সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিকে আরও কার্যকর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করার পাশাপাশি প্রকৃত উপকারভোগী নির্বাচন এবং তথ্য ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক করার লক্ষ্যেই ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে উপকারভোগীদের তথ্য সংগ্রহ, যাচাই ও ডিজিটাল ব্যবস্থাপনায় এসব অ্যান্ড্রয়েড ট্যাব ব্যবহার করা হবে।

চট্টগ্রাম কাস্টমসে ২ কোটি ২৩ লাখ টাকার ভেরিয়েশন

একই বৈঠকে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের বিদ্যমান মডুলার ডেটা সেন্টার, লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (ল্যান), নেটওয়ার্ক অবকাঠামো এবং সংশ্লিষ্ট তথ্যপ্রযুক্তি অবকাঠামো স্থানান্তর, পুনঃস্থাপন, কমিশনিং ও সেবা সচল রাখার কাজে অতিরিক্ত সরবরাহের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাব অনুযায়ী, প্যাকেজ-৬ (লট-১)-এর আওতায় এ কাজ করা হবে। কাজটির জন্য সুপারিশ করা হয়েছে স্পেকট্রাম ইঞ্জিনিয়ারিং কনসোর্টিয়াম লিমিটেডকে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, কাজটির মূল চুক্তিমূল্য ছিল ৮ কোটি ৬৮ লাখ ৪৭ হাজার টাকা। এর বিপরীতে ২ কোটি ২৩ লাখ ৭৩ হাজার ৫৮৮ টাকার ভেরিয়েশন প্রস্তাব করা হয়। এতে সংশোধিত চুক্তিমূল্য দাঁড়িয়েছে ১০ কোটি ৯২ লাখ ২০ হাজার ৫৮৮ টাকা।

তিন জেলার সংযোগ সড়কের পুনঃদরপত্র অনুমোদন

বৈঠকে জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের সঙ্গে লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী ও ফেনী জেলার সংযোগকারী সড়ক যথাযথ মানে উন্নীতকরণ প্রকল্পের একটি প্যাকেজের আওতায় পুনঃদরপত্র আহ্বানের প্রস্তাবও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের উদ্যোগে কুমিল্লা সড়ক জোনের অধীন ফেনী সড়ক বিভাগ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।

জানা গেছে, প্রকল্পের প্যাকেজ নম্বর ডব্লিউপি-০৬ এবং দরপত্র প্যাকেজ নম্বর এডিপি/এনএসইজেড/ওএসটিইটিএম/এফআরডি/ডব্লিউপি-০৬/২০২৫-২০২৬-এর আওতায় পুনঃদরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। এর দরপত্র আইডি ১২৪৫৬৬৮।

সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি প্রস্তাবটির সার্বিক দিক বিবেচনা করে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করেছে।

দাউদকান্দিতে স্বপ্নছোঁয়া যুব ফাউন্ডেশনের মেধাবী অন্বেষণ ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

হোসাইন মোহাম্মদ দিদার:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৩৫ অপরাহ্ণ
দাউদকান্দিতে স্বপ্নছোঁয়া যুব ফাউন্ডেশনের মেধাবী অন্বেষণ ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

‘শিক্ষাই গড়বে সোনার বাংলা’ স্লোগানকে সামনে রেখে কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলায় ‘স্বপ্নছোঁয়া মেধাবী অন্বেষণ ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে নোয়াগাঁও স্বপ্নছোঁয়া যুব ফাউন্ডেশন।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় উপজেলার নোয়াগাঁও ক্যামব্রিয়ান স্কুলে এ আয়োজন করা হয়।

স্বপ্নছোঁয়া যুব ফাউন্ডেশনের সভাপতি মো. ইমরান হোসেন বাবুর সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিটেশ্বর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি ও বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. বাবুল খন্দকার।

এ সময় শিক্ষার্থীদের হাতে শিক্ষা উপকরণ তুলে দিয়ে তাদের পড়াশোনায় আরও মনোযোগী হওয়ার এবং ভবিষ্যতে সুশিক্ষিত ও আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানানো হয়।

আয়োজকেরা বলেন, শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তাদের মেধা বিকাশ, শিক্ষার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি এবং পড়াশোনা চালিয়ে যেতে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে স্বপ্নছোঁয়া যুব ফাউন্ডেশনের এ উদ্যোগ। শুধু শিক্ষা উপকরণ বিতরণ নয়, বরং শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন দেখতে শেখানো, তাদের সম্ভাবনাকে বিকশিত করা এবং একটি শিক্ষিত ও মানবিক সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখাই সংগঠনটির অন্যতম উদ্দেশ্য।

এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সমাজসেবক মো. জাকির হোসেন, আলমগীর হোসেন, মো. শাকিল চৌধুরী, মো. আল আমিন, মো. রেজাউল করিম , মো. মাজহারুল ইসলাম প্রমূখ।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন স্বপ্নছোঁয়া যুব ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক রাসেল এনাম রনি।

শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে উৎসাহিত করা এবং শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে সহযোগিতা করাই এ ধরনের উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

আশুলিয়ায় ডিবির অভিযানে ৫২ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১, পিকআপ জব্দ

মোঃ হাফিজুর রহমান, আশুলিয়া প্রতিনিধিঃ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:২৪ অপরাহ্ণ
আশুলিয়ায় ডিবির অভিযানে ৫২ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১, পিকআপ জব্দ

ঢাকার আশুলিয়ায় ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি-উত্তর) বিশেষ অভিযানে ৫২ কেজি গাঁজাসহ মো. জামাল মিয়া ওরফে সেলিম (৪৩) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি নীল রঙের পিকআপ জব্দ করা হয়।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে সাভারে ঢাকা জেলা ডিবি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিবি পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম খান।

তিনি জানান, শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে আশুলিয়া থানাধীন কবিরপুর রেডিও কলোনী জামে মসজিদের সামনে সড়কে অভিযান চালিয়ে ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ডিবি পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে একটি পিকআপে গাঁজা নিয়ে চন্দ্রা থেকে বাইপাইলের দিকে আসা হচ্ছে। পরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে কবিরপুর রেডিও কলোনী এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এ সময় পিকআপ থেকে ৫২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধার করা গাঁজার আনুমানিক বাজারমূল্য ১৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এ ছাড়া জব্দ করা নীল রঙের নম্বরপ্লেটবিহীন ফোটন পিকআপটির আনুমানিক মূল্য ছয় লাখ টাকা।

গ্রেপ্তার জামাল মিয়া ওরফে সেলিম ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া থানার বনগজ এলাকার বাসিন্দা। ডিবি পুলিশের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে আগে তিনটি মাদকদ্রব্য-সংক্রান্ত মামলা ও একটি চুরির মামলা রয়েছে।

ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনের নির্দেশনায় ঢাকা জেলা ডিবি-উত্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইদুল ইসলামের নেতৃত্বে এসআই শেখ মফিজুর রহমানসহ পুলিশের একটি দল এ অভিযান পরিচালনা করে।

পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

আশুলিয়ায় সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি, থানায় জিডি

মোঃ হাফিজুর রহমান, আশুলিয়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫৯ অপরাহ্ণ
আশুলিয়ায় সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি, থানায় জিডি

ঢাকার আশুলিয়ায় সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম প্রধানকে পথরোধ করে মারধরের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে। এ ঘটনায় জামাল হোসেন মুকুলের স্ত্রী মোছা. আলো বেগম (৪০) ও অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক।তিনি দৈনিক বাংলাবাজার পত্রিকায় কর্মরত আছেন।

জিডি সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ অক্টোবর রাত আনুমানিক ১০টার দিকে মোটরসাইকেলে বাসায় ফেরার পথে আশুলিয়ার বাইপাইল শান্তিনগর এলাকায় সিদ্দিকের বাড়ির সামনে পৌঁছালে একদল ব্যক্তি তাঁর পথরোধ করেন। এ সময় তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও মারধরের চেষ্টা করা হয়। পাশাপাশি প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।

সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম প্রধানের দাবি, ওই সময় এলাকাটি নির্জন ছিল এবং আশপাশের দোকানপাট বন্ধ ছিল। পরিস্থিতি বুঝে তিনি সিদ্দিকের বাড়িতে আশ্রয় নেন এবং চিৎকার করলে বাড়ি থেকে লোকজন বেরিয়ে আসেন। পরে অভিযুক্তরা সেখান থেকে সরে যান। এ সময় অন্ধকারে আরও কয়েকজন সশস্ত্র অবস্থায় ছিলেন বলে দাবি তাঁর। তাঁদের নেতৃত্বে কাউছার নামে এক ব্যক্তি ছিলেন বলেও জানান তিনি।

জাহাঙ্গীর আলম প্রধানের অভিযোগ, জামাল হোসেন মুকুলের বিরুদ্ধে অতীতে প্রতারণার অভিযোগসংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের পর থেকেই তাঁকে হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছিল। ওই সংবাদ প্রকাশের জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে তাঁর সন্দেহ।

এ ঘটনায় নিজের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জড়িতদের শনাক্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তিনি। এ বিষয়ে আশুলিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি করে পুলিশের সহযোগিতা চেয়েছেন ওই সাংবাদিক।

আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ ফেরদৌস আলী বলেন, খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছি। আশপাশের লোকজনের সাথে কথা বলে ঘটনার সত্যতা পেয়েছি।

তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পুলিশি তদন্তে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যাবে।