খুঁজুন
, ,

ঢাবিতে তোফাজ্জল হত্যা: দুই বছরেও শুরু হয়নি বিচার, অপেক্ষায় পরিবার

আহনাফ হামিম, বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৫১ পূর্বাহ্ণ
ঢাবিতে তোফাজ্জল হত্যা: দুই বছরেও শুরু হয়নি বিচার, অপেক্ষায় পরিবার

একজন মানুষকে চোর সন্দেহ করা হয়েছিল। পরে জানা যায়, তিনি মানসিকভাবে অসুস্থ। তাকে খাবারও খাওয়ানো হয়েছিল। কিন্তু সেই রাতেই আবার শুরু হয় নির্যাতন। শেষ পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলের একটি কক্ষে প্রাণ হারান তোফাজ্জল হোসেন।

সেই ঘটনার দুই বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো শুরু হয়নি বিচার। ২৮ আসামির বিরুদ্ধে পিবিআই অভিযোগপত্র দিলেও তাদের মধ্যে ১৭ জন এখনো পলাতক বলে আদালত-সংশ্লিষ্ট তথ্য ও মামলার সাম্প্রতিক অগ্রগতিতে জানা গেছে। পলাতকদের গ্রেপ্তার করা গেছে কি না, সে বিষয়ে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য রয়েছে।

তোফাজ্জলের পরিবারের কাছে এই দীর্ঘ অপেক্ষা শুধু একটি মামলার তারিখ নয়, একজন স্বজনকে হারানোর পর ন্যায়বিচারের প্রতীক্ষা।

মামাতো বোন আসমা আক্তার তানিয়া বলেন, “দুই বছর হয়ে গেছে, এখনো বিচার শুরু হয়নি। আমাদের তো একটা ক্ষোভ থাকতেই পারে। আমরা বিচার চাই।”

যে রাতে থেমে যায় তোফাজ্জলের জীবন

২০২৪ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর রাত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলের গেটে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করছিলেন তোফাজ্জল হোসেন। অভিযোগ করা হয়, তিনি মোবাইল ফোন চুরি করেছেন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, কয়েকজন শিক্ষার্থী তাকে ধরে হলের অতিথি কক্ষে নিয়ে যান। সেখানে তাকে মারধর করা হয়। পরে তিনি মানসিকভাবে অসুস্থ বুঝতে পেরে তাকে হলের ক্যান্টিনে নিয়ে খাবার খাওয়ানো হয়।

কিন্তু সেখানেই শেষ হয়নি ঘটনা।

অভিযোগ অনুযায়ী, পরে তাকে হলের দক্ষিণ ভবনের আরেকটি অতিথি কক্ষে নেওয়া হয়। জানালার সঙ্গে হাত বেঁধে স্ট্যাম্প, হকিস্টিক ও লাঠি দিয়ে তাকে আবার মারধর করা হয়। একপর্যায়ে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। ভিডিওতে তোফাজ্জলকে নির্যাতনের আগে খাবার খাওয়ানোর দৃশ্যও দেখা যায়। সেই দৃশ্যটি পরে মামলার ঘটনাপ্রবাহের অন্যতম আলোচিত অংশ হয়ে ওঠে।

ফোন করেছিলেন তানিয়া, চেয়েছিলেন শুধু ছেড়ে দিতে

তোফাজ্জলকে মারধরের খবর পেয়ে তার মামাতো বোন তানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর নম্বরে ফোন করেছিলেন বলে মামলার বর্ণনায় এসেছে।

তিনি জানিয়েছিলেন, তোফাজ্জল মানসিকভাবে অসুস্থ। তাকে যেন ছেড়ে দেওয়া হয়।

তানিয়ার অভিযোগ, তার অনুরোধের পরও নির্যাতন বন্ধ হয়নি।

একজন স্বজনের শেষ চেষ্টা ছিল একটি ফোনকল। কিন্তু সেই ফোনকল তোফাজ্জলকে আর ফিরিয়ে আনতে পারেনি।

দুই বছরেও বিচার শুরু হয়নি

তোফাজ্জল হত্যার ঘটনায় ২০২৪ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর শাহবাগ থানায় মামলা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট অফিসের সুপারভাইজার মোহাম্মদ আমানুল্লাহ।

প্রাথমিক তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের শেষ দিকে ২১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নারাজির পর আদালত পিবিআইকে পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দেন।

পুনঃতদন্ত শেষে পিবিআই ২৮ জনের বিরুদ্ধে নতুন করে অভিযোগপত্র দেয়। ২০২৬ সালের ১০ মার্চ আদালত সেই অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন এবং পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, দুই আসামি কারাগারে এবং নয়জন জামিনে রয়েছেন। বাকি ১৭ জন এখনো পলাতক। পলাতকদের গ্রেপ্তারের বিষয়ে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য রয়েছে।

তদন্ত শেষ, এখন অপেক্ষা আদালতের

পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হান্নানুল ইসলাম বলেন, তদন্ত শেষে ২৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করেছেন এবং পলাতকদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। এখন পলাতকদের গ্রেপ্তারের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট থানার।

ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী জানান, মামলা বিচারের জন্য প্রস্তুত হলে তা মহানগর দায়রা জজ আদালতে পাঠানো হবে। সেখানে অভিযোগ গঠনের পর সাক্ষ্যগ্রহণসহ বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার কথা রয়েছে।

প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই শাহ আলম বলেন, পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের বিষয়ে প্রতিবেদন এখনো আসেনি। প্রতিবেদন পাওয়ার পর আদালত পরবর্তী পদক্ষেপ নেবেন।

তোফাজ্জল শুধু একটি মামলার নাম নয়

তোফাজ্জল হোসেনের বাড়ি বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কাঁঠালতলী ইউনিয়নে। বরিশাল বিএম কলেজ থেকে হিসাববিজ্ঞানে মাস্টার্স করেছিলেন তিনি।

পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, বাবা-মা দুজনকেই হারানোর পর তার মানসিক স্বাস্থ্যে সমস্যা দেখা দেয়। পরিবারের সদস্যরা তার চিকিৎসা ও দেখাশোনা করতেন।

২০২৪ সালের ১৮ সেপ্টেম্বরের রাত সেই পরিবারের জন্য সবকিছু বদলে দেয়।

আজ দুই বছর পরও আদালতের সামনে দাঁড়িয়ে আছে একটি প্রশ্ন—তোফাজ্জলের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ীদের বিচার কবে শুরু হবে?

পরিবারটির অপেক্ষা এখন একটি তারিখের জন্য নয়, ন্যায়বিচারের জন্য।

আর ২৮ সেপ্টেম্বরের নির্ধারিত তারিখে পলাতক আসামিদের বিষয়ে আদালতে কী প্রতিবেদন আসে, সেদিকেই এখন তাকিয়ে আছে পরিবার ও মামলার সংশ্লিষ্টরা।

গাজীপুরের শ্রীপুরে মহাসড়ক অবরোধ, যানবাহন ও কারখানায় হামলা-ভাঙচুর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৫৩ অপরাহ্ণ
গাজীপুরের শ্রীপুরে মহাসড়ক অবরোধ, যানবাহন ও কারখানায় হামলা-ভাঙচুর

গাজীপুরের শ্রীপুরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বেশ কয়েকটি যানবাহনে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। একই সময়ে আশপাশের কয়েকটি চালু কারখানায়ও হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে কয়েকটি কারখানায় শ্রমিকদের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় শ্রীপুরের আনসার রোড এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যার দিকে প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ জনের একটি দল আনসার রোড এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে। এ সময় সড়কে চলাচলরত বেশ কয়েকটি যানবাহনে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়। পরে আশপাশের উৎপাদন কার্যক্রম চালু থাকা কয়েকটি কারখানায়ও হামলার ঘটনা ঘটে।

হঠাৎ এ হামলার ঘটনায় কারখানার শ্রমিকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতির অবনতি ও নিরাপত্তাঝুঁকি বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট কারখানা কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের ছুটি ঘোষণা করে।

খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছালে হামলাকারীরা সেখান থেকে সরে যায়।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত এবং হামলার নেপথ্যে কারা রয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এদিকে, হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনার পর শ্রীপুরের আনসার রোড এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

টেকনাফে এসআরবি-১৫-এর বড় অভিযান: ১১ লাখ পিস ইয়াবা ও ৫টি দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ২

আহনাফ হামিম, বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:১৪ অপরাহ্ণ
টেকনাফে এসআরবি-১৫-এর বড় অভিযান: ১১ লাখ পিস ইয়াবা ও ৫টি দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ২

কক্সবাজারের টেকনাফে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১১ লাখ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও পাঁচটি দেশীয় তৈরি অস্ত্রসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১৫।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মৌলভীবাজার গ্রামের আঠারো ঘরপাড়া এলাকায় সীমান্তসংলগ্ন একটি ধানক্ষেতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এসআরবি-১৫-এর পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, টেকনাফ ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, একটি চক্র সীমান্ত এলাকা থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ীদের কাছে সরবরাহ ও বিক্রির উদ্দেশ্যে মৌলভীবাজার এলাকায় অবস্থান করছে। পরে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও দেশীয় অস্ত্রসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, হ্নীলা ইউনিয়নের নাইখংখালী এলাকার সলিম উদ্দীনের ছেলে মো. আবছার উদ্দীন (১৯) এবং মৌলভীবাজার এলাকার ছলিম উদ্দীনের ছেলে মো. আদিল (২৬)।

এসআরবি-১৫-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল খন্দকার মো. মাহমুদুর রহমান জানান, সীমান্তবর্তী এলাকা ব্যবহার করে সংঘবদ্ধ মাদক চক্রের মাধ্যমে বড় বড় ইয়াবার চালান দেশে প্রবেশ করছে। এসব মাদক যুবসমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক অপরাধের বিস্তার ঘটাচ্ছে। মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদারের পাশাপাশি নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, গত ৬ অক্টোবর ২০২৬ থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত এসআরবি-১৫-এর ৫৫টি অভিযানে প্রায় ১৬ লাখ ৪০ হাজার ৬৫০ পিস ইয়াবা, ৪৮ কেজি গাঁজা, একটি একনলা বন্দুক, দুটি ওয়ান শুটারগান, ১৭ রাউন্ড গুলি ও ২৭ রাউন্ড গুলির খালি খোসা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া সাতজন অপহৃত ও মানবপাচারের শিকার ব্যক্তিকে উদ্ধার এবং মোট ৮৪ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

অধিনায়ক বলেন, মাদক, অবৈধ অস্ত্র ও অন্যান্য অপরাধ নির্মূলে এসআরবি-১৫-এর কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে। অপরাধী যে পর্যায়েরই হোক, তাদের আইনের আওতায় আনতে বাহিনী বদ্ধপরিকর।

গ্রেপ্তার দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

শৈলকূপাতে দুই নারী ছিনতাইকারী আটক

এইচ এম রাহুল ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১:৪৯ অপরাহ্ণ
শৈলকূপাতে দুই নারী ছিনতাইকারী আটক

 

ঝিনাইদহের শৈলকূপা বাজারে ছিনতাইয়ের চেষ্টাকালে চক্রের দুই নারী সদস্যকে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। পরে তাদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

ছিনতাইকারী দুইজন জামালপুর জেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের তাকতাপাড়া গ্রামের ফরিদা বেগম (২১) এবং একই গ্রামের নিপা আক্তার (২৬) । তারা উভয়েই বেদে সম্প্রদায়ের ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) উপজেলার উমেদপুর ইউনিয়নের পার্বতীপুর গ্রামের বাসিন্দা ইসহাক হোসেন পরিবারের সদস্যদের নিয়ে শৈলকূপা বাজারের পূবালী ব্যাংকে টাকা উত্তোলন করতে আসেন। ব্যাংক থেকে এক লাখ টাকা উত্তোলন শেষে বের হয়ে পুরাতন সোনালী ব্যাংকের সামনে পৌঁছালে ছিনতাইকারী চক্রের চার সদস্য তাকে ঘিরে ধরে টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় বৃদ্ধ ইসহাকের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে চক্রের দুই সদস্য পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় জনতা দুই নারী সদস্যকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

শৈলকূপা থানার ওসি হুমায়ুন কবির মোল্লা বলেন, জনতার হাতে আটক দুই নারীকে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।