খুঁজুন
, ,

“বান্দরবানে ৪৫ কোটি টাকার পানির প্রকল্পে দুর্নীতির প্রমাণ পেল দুদক”

এস এম আকাশ : স্পেশাল ক্রসপেন্ডেন্ট
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৩৫ অপরাহ্ণ
“বান্দরবানে ৪৫ কোটি টাকার পানির প্রকল্পে দুর্নীতির প্রমাণ পেল দুদক”

বান্দরবান পার্বত্য জেলার পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর নিরাপদ পানি নিশ্চিত করার ৪৫ কোটি টাকা মূল্যের সরকারি প্রকল্পে নজিরবিহীন দুর্নীতি ও অনিয়মের তথ্য উন্মোচন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের যোগসাজশে নামমাত্র ও নিম্নমানের কাজ করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার প্রাথমিক প্রমাণ পেয়েছে কমিশনের এনফোর্সমেন্ট টিম।’

​দুদকের কক্সবাজার সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আবদুল আল নোমানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল সম্প্রতি বান্দরবান জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ে দিনভর অভিযান পরিচালনা করে।’

অভিযানকালে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র জব্দ করা হয়।’ পরবর্তীতে আভিযানিক দলটি কুহালং ইউনিয়নের বাকীছড়া পাড়াসহ একাধিক এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করে কাজের জঘন্য বাস্তব চিত্র দেখতে পায়।’

​দুদকের প্রাথমিক তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পে জালিয়াতি ও জালিয়াতি ঢাকার অভিনব সব পন্থা অবলম্বন করা হয়েছে: ​ছবির পুনরাবৃত্তি: একটি নলকূপ স্থাপনের একই ছবি বারবার ব্যবহার করে একাধিক কাজের বিল উত্তোলন করা হয়েছে।

​নিম্নমানের সামগ্রী: প্রকল্প প্রাক্কলন অনুযায়ী সঠিক মান বজায় না রেখে অতি নিম্নমানের যন্ত্রাংশ, পাম্প ও পাইপ ব্যবহার করা হয়েছে।’

লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থতা: ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন মেয়াদী এ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য ছিল বান্দরবানের নিরাপদ পানি সরবরাহের আওতা ৬৩% থেকে বাড়িয়ে ৭৬%-এ উন্নীত করা। কিন্তু নির্ধারিত সময় শেষে পরিবর্ধিত ১৩%-এর জায়গায় অর্জিত হয়েছে মাত্র ৪%। ​প্রকল্পের পটভূমি ও বাজেট

স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীনে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তৃক সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্পের মোট বাজেট ছিল ৪৫ কোটি ১৬ লাখ টাকা। জেলার সদর, রোয়াংছড়ি, রুমা, থানচি, লামা, আলীকদম ও নাইক্ষ্যংছড়ির দুর্গম এলাকার মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়।’

​প্রকল্পটির মূল কাজের তালিকায় ছিল— ১০টি নলকূপ, ৮৫টি পাম্পসহ গভীর নলকূপ, ৩০টি বিদ্যুৎ সংযোগসহ পাবলিক টয়লেট, ৮৫টি পাম্প হাউস, ৮৫টি স্ট্যান্ড পোস্ট, ৮৫ কিলোমিটার পাইপলাইন স্থাপন, ১২টি জিএফএস সংস্কার, ১৪০টি রিংওয়েল এবং রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং ব্যবস্থা নির্মাণ।’

​পরবর্তী পদক্ষেপ: অভিযান শেষে দুদকের কক্সবাজার কার্যালয় থেকে ইতোমধ্যে একটি সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন ঢাকার প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। নথিপত্র জালিয়াতি ও অনিয়মের দায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে এবার আনুষ্ঠানিক অনুসন্ধানের (Formal Investigation) অনুমোদন চাওয়া হয়েছে।’

​অভিযান পরিচালনাকালে কার্যালয়ে প্রাক্কলনবিদ (এস্টিমেটর) মোহাম্মদ জুলহাস ও নির্বাহী প্রকৌশলী অনুপম দে উপস্থিত থাকলেও, দুর্নীতির বিষয়ে বক্তব্য জানতে পরবর্তীতে নির্বাহী প্রকৌশলী অনুপম দের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার
চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।’

সাভারে ডিবি পরিচয়ে মুক্তিপণ আদায়, জিয়া প্রজন্ম দলের নেতাসহ গ্রেপ্তার ২

মোঃ রবিউল ইসলাম সিয়াম স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০৩ অপরাহ্ণ
সাভারে ডিবি পরিচয়ে মুক্তিপণ আদায়, জিয়া প্রজন্ম দলের নেতাসহ গ্রেপ্তার ২

ঢাকার সাভারে ‘ডিবি পুলিশ’ পরিচয়ে একটি বাসায় ঢুকে কয়েকজনকে ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগে করা মামলায় জিয়া প্রজন্মদল নেতা ও এক ছাত্রদল কর্মীসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সাভার পৌরসভার ব্যাংক কলোনী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে চারটি স্ট্যাম্প ও একটি মুঠোফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- জিয়া প্রজন্ম দল, সাভার পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদক ও মানিকগঞ্জ জেলার শিবালয় থানার জাফরগঞ্জ এলাকার জামাল হোসেনের ছেলে মোঃ আশরাফুল (২৩), সে বর্তমানে সাভারের মুক্তির মোড় এলাকার বাসিন্দা। ছাত্রদল কর্মী ও মানিকগঞ্জ জেলার শিবালয় থানার জাফরগঞ্জ এলাকার হায়দার আলীর ছেলে মোঃ রাসেল ওরফে রোহান (২২)। সে সাভারের ব্যাংক কলোনী এলাকার বাসিন্দা। পরে তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়।

এর আগে সাভারের বেসরকারি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো. রাব্বি খান (২৩) বাদী হয়ে ৫ জনের বিরুদ্ধে সাভার মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তদন্তে প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় মামলা রুজু করা হয়।

বাকি আসামিরা হলেন, সাভার পৌরসভার ব্যাংক কলোনী এলাকার করিম মিয়ার ছেলে আব্দুল্লাহ ওরফে আবুল্লাহ (২২), একই এলাকার মোঃ হিরা (২৪) ও নাজমুল (২০)। অভিযুক্তরা প্রত্যেকে ছাত্রদল কর্মী ও কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রের দাবি, অভিযুক্তরা প্রত্যেকে কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে জড়িত এবং ছাত্রদলের কর্মী হিসেবে এলাকায় পরিচিত। তাঁদের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধভাবে বিভিন্ন ব্যক্তিকে নারী দিয়ে ফাঁসানো, মাদক ব্যবসায়ী ও ‘ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিয়ে ভয়ভীতি দেখানো এবং বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। তাঁদের গ্রেপ্তারে এলাকায় স্বস্তি ফিরেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ভুক্তভোগীরা। একই সঙ্গে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িত অন্যদেরও আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২১ সেপ্টেম্বর রাতে অসুস্থ বন্ধু সঞ্জয় মণ্ডলকে দেখতে তাঁর সাভার পৌরসভার কাজী মোকমাপাড়া এলাকার বাসায় যান মামলার বাদী মো. রাব্বি খান (২৩)। রাত সোয়া নয়টার দিকে রাসেল ওরফে রোহান ওই বাসায় গিয়ে দরজায় নক করেন। পরে তাঁর সঙ্গে থাকা আরও কয়েকজন নিজেদের ডিবি পুলিশের সদস্য পরিচয় দিয়ে বাসায় প্রবেশ করেন।

জানা গেছে, বাসায় ঢোকার পর তাঁরা বিভিন্ন জিনিসপত্র তল্লাশি করেন এবং রাব্বি ও তাঁর বন্ধুদের ভয়ভীতি দেখান। একপর্যায়ে তাঁদের মোবাইল ফোন নিয়ে নেওয়া হয় এবং জনপ্রতি এক লাখ টাকা করে দাবি করা হয়।
এ সময় আশরাফুল কোমর থেকে একটি সুইচ গিয়ার চাকু বের করে জিম্মি করে প্রাণনাশের হুমকি দেন। পরে বাদী ও তাঁর বন্ধু রাকিব মিয়ার কাছ থেকে চারটি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। ওই স্ট্যাম্পে তাঁদের কাছ থেকে আড়াই লাখ টাকা পাওনা রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

পরে রাব্বিকে ছাড়িয়ে নিতে তাঁর চাচাতো ভাই জাকির ও বন্ধু জুনায়েদ সেখানে গেলে তাঁদের কাছেও মোটা অংকের টাকা দাবি করা হয়। এরপর এটিএম বুথ থেকে ২০ হাজার টাকা তুলে এবং সঙ্গে থাকা আরও ৯ হাজার টাকাসহ মোট ২৯ হাজার টাকা মুক্তিপণ আদায় করে অভিযুক্তরা।

এ ছাড়া বাদীর মুঠোফোনের বিকাশ অ্যাকাউন্ট থেকে ২ হাজার ৭০০ টাকা এবং তাঁর বন্ধু সঞ্জয়ের নগদ অ্যাকাউন্ট থেকে ৮০০ টাকা এবং সঞ্জয়ের প্রবাসী আত্মীয়ের পাঠানো একটি মুঠোফোনসহ আরও একটি ফোন হাতিয়ে নেয় মামলার আসামিরা।

এ ঘটনায় রাব্বি খান পাঁচজনের বিরুদ্ধে সাভার মডেল থানায় মামলা করেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে। তাঁদের কাছ থেকে চারটি স্ট্যাম্প ও একটি মুঠোফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল আলম বলেন, মামলার ১ ও ২ নম্বর আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্যও পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

অনুমতিহীন সিলিন্ডারবাহী ভ্যান-লরিতে গ্যাস না দিতে তিতাস গ্যাসের নিষেধাজ্ঞা

মোঃ রবিউল ইসলাম সিয়াম স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৫৭ অপরাহ্ণ
অনুমতিহীন সিলিন্ডারবাহী ভ্যান-লরিতে গ্যাস না দিতে তিতাস গ্যাসের নিষেধাজ্ঞা

আশুলিয়ার জামগড়ায় প্রীতি গ্রুপের কারখানা চত্বরে গ্যাস সিলিন্ডারবাহী কাভার্ড ভ্যান ও লরিতে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির পর অনুমোদনহীন পদ্ধতিতে পরিবহন করা যানবাহনে গ্যাস সরবরাহ বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্থানীয় সিএনজি স্টেশনগুলো। একই সঙ্গে সিএনজি স্টেশনগুলোকে এ ধরনের যানবাহনে গ্যাস না দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সিএনজি অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সম্পাদক তানভীর রহমান এ তথ্য জানান। তিনি বাংলাদেশ সিএনজি অ্যাসোসিয়েশনের উত্তরা, আশুলিয়া, নবীনগর, বাইপাইল ও চন্দ্রা জোনের জোনাল সভাপতি এবং বাইপাইলে অবস্থিত টিএস সিএনজি রিফুয়েলিং অ্যান্ড কনভার্সন লিমিটেডের স্বত্বাধিকারী।

তানভীর রহমান বলেন, তিতাস আগে কাগজে-কলমে নিষেধ করলেও মৌখিকভাবে গ্যাস দিতে বলেছিল। কিন্তু কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে এর দায় শেষ পর্যন্ত আমাদের ওপরই আসে। তাই আমরা আর এ ধরনের ঝুঁকির মধ্যে থাকতে চাই না।

তিনি বলেন, প্রীতি গ্রুপের ঘটনার পর আশুলিয়া অঞ্চলের তিতাস কার্যালয় থেকে সিএনজি স্টেশনগুলোকে পুনরায় চিঠি দিয়ে অনুমতিহীন সিলিন্ডারবাহী যানবাহনে গ্যাস সরবরাহ না নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিতাস গ্যাসের আশুলিয়া জোনাল বিক্রয় অফিসের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী আবু ছালেহ মুহাম্মদ খাদেমুদ্দীন বলেন, আমরা আগেও তাদের সতর্ক করেছি, এখনো করছি। প্রীতির ঘটনার পর আবারও সিএনজি স্টেশনগুলোকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এর ব্যত্যয় হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, সিএনজি স্টেশনগুলো মনিটরিংয়ের দায়িত্ব মূলত তিতাস ও বিস্ফোরক অধিদপ্তরের। এসব দপ্তর প্রশাসনিক সহযোগিতা চাইলে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হবে।

ফুটওভার ব্রিজের নিচে বাসচাপায় প্রাণ গেল নারীর

দাউদকান্দি (কুমিল্লা) সংবাদদাতা:
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৪৮ অপরাহ্ণ
ফুটওভার ব্রিজের নিচে বাসচাপায় প্রাণ গেল নারীর

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দ্রুতগতির বাসের চাপায় রোকেয়া বেগম (৫৫) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার ইলিয়টগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত রোকেয়া বেগম দাউদকান্দি উপজেলার মালিগাঁও ইউনিয়নের কালাসোনা গ্রামের বাসিন্দা। তার স্বামীর নাম আব্দুল লতিফ মিয়া।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোকেয়া বেগম একটি লোকাল বাসে করে ইলিয়টগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে নামেন। পরে বাজারের উদ্দেশ্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক পার হওয়ার সময় ফুটওভার ব্রিজের নিচ দিয়ে রাস্তা পার হচ্ছিলেন তিনি। এ সময় ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী এশিয়া ট্রান্সপোর্ট নামের একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

দুর্ঘটনার পর বাসটি দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। খবর পেয়ে ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

নিহতের মেয়ে লিপি আক্তার কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমার বড় বোন গৌরীপুরে থাকেন। সেখান থেকে মা নিজের বাড়িতে ফিরছিলেন। ইলিয়টগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে নেমে রাস্তা পার হওয়ার সময় বাসটি আমার মাকে কেড়ে নিয়েছে।

ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফারুক ইসলাম বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। নিহতের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর স্বজনদের খবর দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, দুর্ঘটনার ঘটনাস্থলের কাছেই ফুটওভার ব্রিজ রয়েছে। ঘাতক বাসটি শনাক্ত এবং চালককে আটকের চেষ্টা চলছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মো. সাদ্দাম হোসেন
দাউদকান্দি, সংবাদদাতা
মোবাইল :- ০১৯৩২৪৮৫০৪৮