খুঁজুন
, ,

এই যেন সিনেমার গল্পকেও হার মানায়— চকরিয়ার এক যুবক নিশানের বাস্তব জীবনের করুণ কাহিনি।

আবির হোসেন সান/এমটিভি বাংলা
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:১৮ অপরাহ্ণ
এই যেন সিনেমার গল্পকেও হার মানায়— চকরিয়ার এক যুবক নিশানের বাস্তব জীবনের করুণ কাহিনি।

নিজের ফেসবুক আইডিতে হৃদয়বিদারক এক স্ট্যাটাস দিয়ে মুহূর্তেই নেট দুনিয়ায় আলোড়ন তুলেছেন চকরিয়ার যুবক নিশান। সেই স্ট্যাটাসে উঠে এসেছে বিচার, বঞ্চনা, দীর্ঘ কারাবন্দিত্ব আর একটি ভাঙা সংসারের নিদারুণ বাস্তবতা।
নিশানের দাবি অনুযায়ী, তার স্ত্রী টানা ৩ বছর ৩ মাস ধরে জেল হাজতে কারাবন্দি। একমাত্র অপরাধ—স্বামীর সংসারের পাশে দাঁড়ানো।
ফেসবুকে দেওয়া স্ট্যাটাসে নিশান লেখেন—
“আমার জীবনের শেষ কথাগুলো আপনাদের মাঝে রেখে গেলাম।
অপেক্ষার প্রহর চলছে আজ ৩ বছর ৩ মাস।”
নিশানের ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো নারী শুধুমাত্র সংসারের জন্য এত দীর্ঘ সময় কারাবন্দি জীবন কাটাচ্ছেন।
হাইকোর্টে জামিন, জেলা জজ কোর্টে প্রত্যাখ্যান
দীর্ঘ তিন বছর পর হাইকোর্ট তার স্ত্রীর শারীরিক অবস্থার অবনতি ও দীর্ঘ কারাবন্দিত্ব বিবেচনায় বিশেষভাবে জামিন মঞ্জুর করেন।
হাইকোর্টের আদেশে স্পষ্ট নির্দেশ ছিল—
“মেয়েটির বয়স যাচাই করে জেল হাজত থেকে মুক্তি দিতে হবে।”
নিশানের স্ত্রী আদালতে জবানবন্দিতে বলেন, তার জন্ম সাল ১০ জুলাই ২০০৬।
কিন্তু কক্সবাজার জেলা জজ আদালতে হাজির করার পর পরিস্থিতি পাল্টে যায়।
আদালত বারবার গুরুত্ব দেয় পরিবারের পক্ষ থেকে দেখানো জন্মসনদ ও টিকার কার্ডে, যেখানে জন্ম সাল দেখানো হয় ২০১০।
নিশানের পক্ষ থেকে সঙ্গে সঙ্গেই দাবি করা হয়—এই টিকার কার্ড মিথ্যা ও বানোয়াট।
টিকার কার্ড মিথ্যা প্রমাণিত, তবুও মুক্তি নয়
নিশানের আইনজীবী, জেলা জজ আদালতের অ্যাডভোকেট গোলাম ফারুক খান কায়ছার, আদালতে ওপেন চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন—
টিকার কার্ডটি সম্পূর্ণ ভুয়া।
আদালত তখন নির্দেশ দেয়, যদি টিকার কার্ড মিথ্যা প্রমাণিত হয়, তবে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং অভিযুক্ত নারীকে মুক্তি দেওয়া হবে।
এরপর আদালতের চিঠিতে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তদন্ত হয়।
প্রায় এক সপ্তাহ পর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান লিখিত প্রতিবেদনে আদালতে উপস্থিত হয়ে স্পষ্টভাবে জানান—টিকার কার্ডটি তাদের তৈরি নয় এবং সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
এই রিপোর্টে আশার আলো দেখেছিলেন নিশান। ভেবেছিলেন, এবার হয়তো স্ত্রীর বন্দি জীবনের অবসান হবে।
কিন্তু বাস্তবতা হলো—কোনো মুক্তি নয়।
জন্ম নিবন্ধন নিয়ে নতুন বিতর্ক
পরবর্তীতে আদালত বারবার গুরুত্ব দিতে থাকে ২০১৭ সালে সংশোধিত জন্ম নিবন্ধনকে, যেখানে জন্ম সাল দেখানো হয় ২০১০।
নিশানের প্রশ্ন—
যেখানে একটি টিকার কার্ড মিথ্যা হিসেবে প্রমাণিত,
সেখানে সেই টিকার কার্ডের ভিত্তিতে করা জন্ম নিবন্ধন কীভাবে সত্য হয়?
কারণ নিয়ম অনুযায়ী—
টিকার কার্ড ছাড়া জন্ম নিবন্ধন করা যায় না।
তারপরও সংশোধিত জন্ম নিবন্ধনকে প্রাধান্য দিয়ে নিশানের স্ত্রীকে নাবালিকা ঘোষণা করে আবারও জেল হাজতে পাঠানো হয়।
আদালতে স্ত্রীর আকুতি, কেউ শোনেনি
নিশানের স্ত্রী আদালতে হাতজোড় করে বলেন—
“মাননীয় বিচারক, আমি আল্লাহর শরীয়ত মেনে একটি সংসারের জন্য তিন বছর জেল হাজতে আছি।
আল্লাহ নারীদের জন্য সংসার রক্ষাকে গুরুত্ব দিয়েছেন।
আমি আল্লাহকে ভয় করে এই কষ্ট সহ্য করছি।”
এই বক্তব্যকেও কোনো গুরুত্ব দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ নিশানের।
ভেঙে পড়া পরিবার, হারিয়ে যাওয়া সবকিছু
নিশানের অভিযোগ, এই মামলার কারণে তিনি সর্বস্ব হারিয়েছেন—
ছোট ভাই হারিয়েছে সরকারি চাকরি
হৃদরোগে আক্রান্ত মায়ের বিরুদ্ধে দেওয়া হয়েছে মিথ্যা মামলা
বৃদ্ধ বাবাকেও করা হয়েছে আসামি
পরিবারের সবাই মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেও তিনি ও তার স্ত্রী রয়ে গেছেন বন্দিত্বে
২০ দিনের আল্টিমেটাম, যাবজ্জীবনের শঙ্কা
নিশান জানান, আর মাত্র ২০ দিনের মধ্যেই মামলার চূড়ান্ত রায়।
অভিযোগ—অপহরণ ও ধর্ষণ।
যদিও তার স্ত্রী নিজেই তার পক্ষে সাক্ষ্য দিয়েছেন,
কিন্তু নাবালিকা দেখানো হওয়ায় আইন অনুযায়ী সেই সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়।
নিশানের দাবি, একজন বিচারক তাকে সরাসরি বলেছেন—
এই মামলায় তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ডও হতে পারে।
শেষ আর্তনাদ
চোখ ভরা জল, ক্লান্ত নিথর দেহ নিয়ে নিশানের স্ত্রী আবারও একবারও পেছনে না তাকিয়ে জেল হাজতে ফিরে গেছেন।
জরায়ু সংক্রমণে ভুগছেন তিনি। ডাক্তার জানিয়েছেন—সন্তান ধারণের সম্ভাবনা প্রায় ৮০% নেই।
শেষমেশ নিশান লেখেন—
“এই দেশের যদি কোনো বিবেক থাকে,
তাহলে একদিন আপনারাই এর বিচার করবেন।
এই জুলুমের বিচার আল্লাহ নিজেই করবেন।

দাউদকান্দিতে স্বপ্নছোঁয়া যুব ফাউন্ডেশনের মেধাবী অন্বেষণ ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

হোসাইন মোহাম্মদ দিদার:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৩৫ অপরাহ্ণ
দাউদকান্দিতে স্বপ্নছোঁয়া যুব ফাউন্ডেশনের মেধাবী অন্বেষণ ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

‘শিক্ষাই গড়বে সোনার বাংলা’ স্লোগানকে সামনে রেখে কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলায় ‘স্বপ্নছোঁয়া মেধাবী অন্বেষণ ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে নোয়াগাঁও স্বপ্নছোঁয়া যুব ফাউন্ডেশন।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় উপজেলার নোয়াগাঁও ক্যামব্রিয়ান স্কুলে এ আয়োজন করা হয়।

স্বপ্নছোঁয়া যুব ফাউন্ডেশনের সভাপতি মো. ইমরান হোসেন বাবুর সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিটেশ্বর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি ও বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. বাবুল খন্দকার।

এ সময় শিক্ষার্থীদের হাতে শিক্ষা উপকরণ তুলে দিয়ে তাদের পড়াশোনায় আরও মনোযোগী হওয়ার এবং ভবিষ্যতে সুশিক্ষিত ও আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানানো হয়।

আয়োজকেরা বলেন, শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তাদের মেধা বিকাশ, শিক্ষার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি এবং পড়াশোনা চালিয়ে যেতে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে স্বপ্নছোঁয়া যুব ফাউন্ডেশনের এ উদ্যোগ। শুধু শিক্ষা উপকরণ বিতরণ নয়, বরং শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন দেখতে শেখানো, তাদের সম্ভাবনাকে বিকশিত করা এবং একটি শিক্ষিত ও মানবিক সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখাই সংগঠনটির অন্যতম উদ্দেশ্য।

এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সমাজসেবক মো. জাকির হোসেন, আলমগীর হোসেন, মো. শাকিল চৌধুরী, মো. আল আমিন, মো. রেজাউল করিম , মো. মাজহারুল ইসলাম প্রমূখ।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন স্বপ্নছোঁয়া যুব ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক রাসেল এনাম রনি।

শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে উৎসাহিত করা এবং শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে সহযোগিতা করাই এ ধরনের উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

আশুলিয়ায় ডিবির অভিযানে ৫২ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১, পিকআপ জব্দ

মোঃ হাফিজুর রহমান, আশুলিয়া প্রতিনিধিঃ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:২৪ অপরাহ্ণ
আশুলিয়ায় ডিবির অভিযানে ৫২ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১, পিকআপ জব্দ

ঢাকার আশুলিয়ায় ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি-উত্তর) বিশেষ অভিযানে ৫২ কেজি গাঁজাসহ মো. জামাল মিয়া ওরফে সেলিম (৪৩) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি নীল রঙের পিকআপ জব্দ করা হয়।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে সাভারে ঢাকা জেলা ডিবি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিবি পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম খান।

তিনি জানান, শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে আশুলিয়া থানাধীন কবিরপুর রেডিও কলোনী জামে মসজিদের সামনে সড়কে অভিযান চালিয়ে ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ডিবি পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে একটি পিকআপে গাঁজা নিয়ে চন্দ্রা থেকে বাইপাইলের দিকে আসা হচ্ছে। পরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে কবিরপুর রেডিও কলোনী এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এ সময় পিকআপ থেকে ৫২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধার করা গাঁজার আনুমানিক বাজারমূল্য ১৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এ ছাড়া জব্দ করা নীল রঙের নম্বরপ্লেটবিহীন ফোটন পিকআপটির আনুমানিক মূল্য ছয় লাখ টাকা।

গ্রেপ্তার জামাল মিয়া ওরফে সেলিম ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া থানার বনগজ এলাকার বাসিন্দা। ডিবি পুলিশের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে আগে তিনটি মাদকদ্রব্য-সংক্রান্ত মামলা ও একটি চুরির মামলা রয়েছে।

ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনের নির্দেশনায় ঢাকা জেলা ডিবি-উত্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইদুল ইসলামের নেতৃত্বে এসআই শেখ মফিজুর রহমানসহ পুলিশের একটি দল এ অভিযান পরিচালনা করে।

পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

আশুলিয়ায় সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি, থানায় জিডি

মোঃ হাফিজুর রহমান, আশুলিয়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫৯ অপরাহ্ণ
আশুলিয়ায় সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি, থানায় জিডি

ঢাকার আশুলিয়ায় সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম প্রধানকে পথরোধ করে মারধরের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে। এ ঘটনায় জামাল হোসেন মুকুলের স্ত্রী মোছা. আলো বেগম (৪০) ও অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক।তিনি দৈনিক বাংলাবাজার পত্রিকায় কর্মরত আছেন।

জিডি সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ অক্টোবর রাত আনুমানিক ১০টার দিকে মোটরসাইকেলে বাসায় ফেরার পথে আশুলিয়ার বাইপাইল শান্তিনগর এলাকায় সিদ্দিকের বাড়ির সামনে পৌঁছালে একদল ব্যক্তি তাঁর পথরোধ করেন। এ সময় তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও মারধরের চেষ্টা করা হয়। পাশাপাশি প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।

সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম প্রধানের দাবি, ওই সময় এলাকাটি নির্জন ছিল এবং আশপাশের দোকানপাট বন্ধ ছিল। পরিস্থিতি বুঝে তিনি সিদ্দিকের বাড়িতে আশ্রয় নেন এবং চিৎকার করলে বাড়ি থেকে লোকজন বেরিয়ে আসেন। পরে অভিযুক্তরা সেখান থেকে সরে যান। এ সময় অন্ধকারে আরও কয়েকজন সশস্ত্র অবস্থায় ছিলেন বলে দাবি তাঁর। তাঁদের নেতৃত্বে কাউছার নামে এক ব্যক্তি ছিলেন বলেও জানান তিনি।

জাহাঙ্গীর আলম প্রধানের অভিযোগ, জামাল হোসেন মুকুলের বিরুদ্ধে অতীতে প্রতারণার অভিযোগসংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের পর থেকেই তাঁকে হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছিল। ওই সংবাদ প্রকাশের জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে তাঁর সন্দেহ।

এ ঘটনায় নিজের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জড়িতদের শনাক্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তিনি। এ বিষয়ে আশুলিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি করে পুলিশের সহযোগিতা চেয়েছেন ওই সাংবাদিক।

আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ ফেরদৌস আলী বলেন, খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছি। আশপাশের লোকজনের সাথে কথা বলে ঘটনার সত্যতা পেয়েছি।

তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পুলিশি তদন্তে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যাবে।