খুঁজুন
, ,

মধুহাটি ইউনিয়ন জামায়াতের আমির নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক চেয়ারম্যান ডাঃ আকবর হোসাইন

এইচ এম রাহুল, ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি।
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৬ অপরাহ্ণ
মধুহাটি ইউনিয়ন জামায়াতের আমির নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক চেয়ারম্যান ডাঃ আকবর হোসাইন

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ২ নম্বর মধুহাটি ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক চেয়ারম্যান ও বর্তমান চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ডাঃ আকবর হোসাইন।

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার। মধুহাটি ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামীর এক অনুষ্ঠানে ডাঃ আকবর হোসাইনকে ইউনিয়ন জামায়াতের আমির হিসেবে ঘোষণা করে। ঝিনাইদহ সদর উপজেলা জামায়াতের আমির ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ড. মাওলানা হাবিবুর রহমান

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা তাজুল ইসলাম ও কাজী ছগির আহমদ এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মধুহাটি ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

দায়িত্ব পাওয়ার পর ডাঃ আকবর হোসাইন সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল করা, নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখা এবং এলাকার মানুষের পাশে থেকে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

ডাঃ আকবর হোসাইন বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে জান-প্রাণ দিয়ে কাজ করব। আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জনকে সামনে রেখে সংগঠনের নীতি, আদর্শ ও শৃঙ্খলা মেনে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাব। ইসলামের সুমহান আদর্শ ও ন্যায়-ইনসাফ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সব সময় নিজেকে নিয়োজিত রাখব।

ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের ৮১তম জন্মদিনে দাউদকান্দিতে আলোচনা সভা ও দোয়া

দাউদকান্দি (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৪১ অপরাহ্ণ
ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের ৮১তম জন্মদিনে দাউদকান্দিতে আলোচনা সভা ও দোয়া

দেশবরেণ্য রাজনীতিবিদ, বর্ষীয়ান জননেতা এবং ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ডিগ্রি কলেজের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও দাতা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের ৮১তম জন্মদিন উপলক্ষে কুমিল্লার দাউদকান্দিতে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর ২০২৬) সকাল ১১টায় দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপির গৌরীপুরের দলীয় কার্যালয়ে এ আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপির সদ্য সাবেক আহ্বায়ক এম এ লতিফ ভূঁইয়া।

প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ জসিমউদ্দিন আহমেদ।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব ভিপি জাহাঙ্গীর আলম।

এ সময় দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভা শেষে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

গাজীপুরে গণমাধ্যমকর্মীকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি

গাজীপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ২:১৫ অপরাহ্ণ
গাজীপুরে গণমাধ্যমকর্মীকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি

গাজীপুরে তথ্য সংগ্রহ শেষে ফেরার পথে এক গণমাধ্যমকর্মীকে পথরোধ করে শার্টের কলার ধরে টানাটানি, গলা চেপে ধরা এবং প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সাথী আক্তার নামে এক নারীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন মোঃ সাইফুল ইসলাম (২২) নামে ওই গণমাধ্যমকর্মী।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬) দায়ের করা জিডিতে জিডি ট্র্যাকিং নম্বর OMKX8G এবং জিডি নম্বর ৫০৭০ উল্লেখ করা হয়েছে।

জিডিতে সাইফুল ইসলাম উল্লেখ করেন, তিনি একজন গণমাধ্যমকর্মী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সাথী আক্তার, তার দুই বোন সুমাইয়া ও তানজিলা এবং তাদের বাবা মাসুম ব্যাপারীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়ার পর তিনি এসব বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করছিলেন। অভিযোগগুলোর মধ্যে হানিট্র্যাপ, কাবিন সংক্রান্ত অনিয়ম এবং পূর্বের বিয়ে গোপন করে বিয়ে করার মতো বিষয় রয়েছে বলে জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

জিডির বিবরণ অনুযায়ী, গত ১৮ সেপ্টেম্বর সাথী আক্তারের দ্বিতীয় স্বামী হিসেবে পরিচিত ইসমাঈল ও স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তির কাছ থেকে সংশ্লিষ্ট ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেন সাইফুল। পরে সেখান থেকে ঢাকার উদ্দেশে ফেরার পথে সাথী আক্তার তার পথরোধ করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

সাইফুলের অভিযোগ, একপর্যায়ে সাথী আক্তার তার শার্টের কলার ধরে টানাটানি করেন এবং পরে তার গলা চেপে ধরেন। এ সময় তাকে মেরে ফেলা বা প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাথী আক্তারের স্বামী এবং সাইফুলের এক সহকর্মী তাকে সাথীর কাছ থেকে ছাড়িয়ে নেন বলে জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

ঘটনার পর প্রমাণ সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে সাইফুল তার মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ করেন। ভিডিও ধারণের সময়ও সাথী আক্তার তাকে এবং ঘটনাস্থলে উপস্থিত অন্য ব্যক্তিদের উদ্দেশে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ, হেনস্তা ও বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

সাইফুল জানান, ঘটনার ভিডিও তার মুঠোফোনে সংরক্ষিত রয়েছে। প্রয়োজনে তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে ওই ভিডিওসহ অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করবেন বলেও তিনি জানান।

এদিকে, ঘটনার কয়েকটি ভিডিও ফুটেজে সাথী আক্তারকে পথরোধ করে দাঁড়িয়ে গালিগালাজ করতে দেখা যায় বলে দাবি করা হয়েছে। একটি ভিডিওতে গণমাধ্যমকর্মী সাইফুলকে উদ্দেশ করে তাকে বলতে শোনা যায়, “তোর ইসমাঈল বাপে যেন তোকে বাঁচায়।”

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে ইসমাঈল বলেন, “সাথী আক্তার, সুমাইয়া ইসলাম দোলা ও তানজিলা—এই তিন বোন বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত।”

ইসমাঈল জানান, এসব বিষয়ে বিস্তারিত জানানোর জন্য তিনি গত ১৮ সেপ্টেম্বর গণমাধ্যমকর্মী সাইফুল ইসলামকে তার গাজীপুরের বাসায় আসতে বলেন। তাদের সঙ্গে কথা বলে ঢাকায় ফেরার পথে সাইফুলের সামনে এসে সাথী আক্তার পথরোধ করে দাঁড়ান। পরে তার শার্টের কলার ধরে এবং একপর্যায়ে গলা চেপে ধরেন বলে দাবি করেন ইসমাঈল। এ সময় তিনি ও আরেকজন গণমাধ্যমকর্মী সাইফুলকে সাথীর কাছ থেকে ছাড়িয়ে দেন। ইসমাঈলের দাবি, এ সময় সাইফুলকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।

ইসমাঈল আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়ের পর সাথী আক্তারের সঙ্গে তার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে সাথী তার ব্যক্তিগত কিছু ছবি সংগ্রহ করে তাকে বিয়ের জন্য চাপ দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে ইসমাঈলের বাড়িতে গিয়ে সাথী বিষপানের চেষ্টা করেন এবং বিয়ে না করলে আত্মহত্যা করবেন বলে হুমকি দেন বলেও দাবি করেন তিনি। পরিস্থিতির কারণে পরিবারের উদ্যোগে তাদের বিয়ে হয় বলে জানান ইসমাঈল।

তার ভাষ্য, বিয়ের প্রায় এক বছর পর তিনি জানতে পারেন, সাথীর এর আগে আরও একটি বিয়ে হয়েছিল। বিষয়টি তার কাছে গোপন করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ইসমাঈল আরও অভিযোগ করেন, পরবর্তীতে দাম্পত্য কলহের জেরে সাথীর বিরুদ্ধে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ করেন তিনি। গাজীপুরে বসবাসের সময় দাম্পত্য বিরোধের একপর্যায়ে সাথী ও তার বোন সুমাইয়া তাকে মারধর করেন বলেও দাবি করেন। এছাড়া এক রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় তার শরীরের সংবেদনশীল অঙ্গে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয় এবং এতে তিনি আহত হন বলে অভিযোগ করেন ইসমাঈল।

এ ঘটনায় তিনি গাজীপুর সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলেও জানান। তার দাবি, এ ধরনের ঘটনায় তিনি পরপর দুটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।
গণমাধ্যমকর্মী সাইফুল ইসলাম বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে সুমাইয়া, সাথী ও তানজিলা আক্তারের বিরুদ্ধে একাধিক ব্যক্তি তাদের অভিযোগের বিষয়টি আমাকে জানান। এ বিষয়ে বিস্তারিত ঘটনা শুনে ইসমাঈলের বাসা থেকে ফেরার সময় আমাকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। এর আগেও সুমাইয়া ও তার বাবা মাসুম আমাকে হত্যার হুমকি দিয়েছিলেন।”

তিনি আরও বলেন, “সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রশাসনের কাছে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।”

এ বিষয় জানতে অভিযুক্তকারী সাথী আক্তারকে মুঠোফোনে একাধিক বার কল দেওয়া হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে গাজীপুর সদর থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. সোহেল মুফতি বলেন, “আমি সাধারণ ডায়েরির কপি হাতে পেয়েছি। খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”

ঢাবির শেখ মুজিবুর রহমান হলের নাম ফিরছে, সরানো হচ্ছে ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ লেখা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১১ অপরাহ্ণ
ঢাবির শেখ মুজিবুর রহমান হলের নাম ফিরছে, সরানো হচ্ছে ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ লেখা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রধান ফটক থেকে ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ নামটি মুছে ফেলার কাজ শুরু করেছে হল প্রশাসন। আগামী দুয়েক দিনের মধ্যে ফটকে পুনরায় ‘শেখ মুজিবুর রহমান হল’ নাম লেখা হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে হলের প্রধান ফটকে নামফলক থেকে ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ লেখাটি মুছে ফেলার কাজ করতে দেখা যায়। হল প্রশাসন জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহের মধ্যেই নাম পরিবর্তনের কাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

হলের সিনিয়র অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অফিসার মো. জবান আলী বলেন, শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে মৌখিকভাবে হলের নাম সংশোধনের দাবি জানিয়ে আসছেন। নাম নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে বিভ্রান্তি এড়াতে পুরোনো নাম ‘শেখ মুজিবুর রহমান হল’ পুনরায় লেখা হচ্ছে।

এর আগে, ২০২৫ সালের ২০ ডিসেম্বর রাতে হলের প্রধান ফটক থেকে শেখ মুজিবুর রহমানের নাম মুছে ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ লেখা হয়। সাধারণ শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে এ নাম পরিবর্তন করা হয়েছিল। পরদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও শেখ মুজিবুর রহমান হল সংসদের পক্ষ থেকে পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থীর স্বাক্ষরসংবলিত একটি স্মারকলিপি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে জমা দেওয়া হয়।

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পল্টন এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন তিনি। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয় তাঁকে। উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাতে তাঁর মৃত্যু হয়।

হাদির মৃত্যুর পর তাঁর নামে হলটির নামকরণের বিষয়টি সামনে আসে। এর ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালের ৮ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় শেখ মুজিবুর রহমান হলসহ শেখ পরিবারের নামে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচটি স্থাপনার নাম পরিবর্তনের সুপারিশ করা হয়। প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই সভায় শেখ মুজিবুর রহমান হলের নাম পরিবর্তন করে ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ করার সুপারিশ করা হয়েছিল।

পরে গত ২৯ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট অধিবেশনে বিষয়টি আলোচনায় এলে সদস্যদের মধ্যে ভিন্নমত দেখা দেয়। সিনেট সদস্য অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান নাম পরিবর্তনের বিষয়টি বিধি অনুসরণ করে পুনরায় সিন্ডিকেটে পাঠানোর প্রস্তাব দেন। অধ্যাপক ড. সামিনা লুৎফাও নাম পরিবর্তনের বিষয়ে আপত্তি জানান। এ সময় সিনেট সদস্য ফজলুল হক মিলন হলটির নাম জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের নামে রাখার প্রস্তাব দেন। তবে সেদিন এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

পরে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বিষয়টি পুনরায় সিন্ডিকেটে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর প্রতিবাদে সিনেট অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করেন ডাকসুর পাঁচ সিনেট সদস্য। তাঁরা হলেন ভিপি সাদেক কায়েম, জিএস এস এম ফরহাদ, এজিএস মুহাম্মদ মহিউদ্দিন, পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ ও সদস্য সাবিকুন্নাহার তামান্না।

এ বিষয়ে হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে বর্তমানে হলটির নাম ‘শেখ মুজিবুর রহমান হল’ হিসেবে উল্লেখ রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, হলটি ১৯৮৮ সালে প্রতিষ্ঠিত।