খুলনায় সৈয়দপুর ট্রাস্টের জমি জবরদখল পূর্বক স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা।
খুলনায় সৈয়দপুর ট্রাস্টের জমি জবরদখল করে পিলার পুতে স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসংবাদে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অমিত কুমার বিশ্বাসের নির্দেশে আঁঠারোমাইল বাজার বণিক সমিতির নেতৃবৃন্দ নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন।
সরজমিনে গিয়ে একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, ডুমুরিয়া উপজেলার একেবারে সীমান্তবর্তী বাজার হচ্ছে আঁঠারোমাইল বাজার। সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় খুলনা, সাতক্ষীরা ও যশোর জেলার মানুষের কেনাকাটা সহ অবাধ বিচরণ রয়েছে এ বাজারে। প্রতিদিন কাকডাকা ভোর হতে সারারাত জমজমাট থাকে বাজারটি। এখানে রয়েছে অনেক বড় দু’টি মৎস্য আড়ট, একটি পাইকারি কাঁচামাল ক্রয় বিক্রয়ের আড়ট, সাপ্তাহিক গরুর হাট। একারণে এখানে প্রতিনিয়ত লোকজনের জমজমাট বিচরণ থাকে। কিন্তু শনিবার সকালে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এত বড় একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজারের আঁঠারোমাইল-পাইকগাছা সড়কের পশ্চিম পাশে সৈয়দপুর ট্রাষ্টের জমি জবরদখল করে স্থাপনা নির্মাণের কোন অনুমতি ছাড়াই হোগলাডাঙ্গা গ্রামের মৃত শেখ ইউসুফ আলীর ছেলে শেখ আব্দুল বারী ১৫/২০ জন লোক নিয়ে স্থাপনা নির্মাণ করছে। এ সংবাদে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অমিত কুমার বিশ্বাসের নির্দেশে আঁঠারোমাইল বাজার বণিক সমিতির নেতৃবৃন্দ কাজটি বন্ধ করে দেয়।
এ ব্যাপারে স্থাপনা নির্মাণকারি শেখ আব্দুল বারী বলেন, আমি সৈয়দপুর ট্রাস্টের কাছ থেকে জমিটি ইজারা নিয়েছি। তাই স্থাপনা নির্মাণ করছিলাম।
আঁঠারোমাইল বাজার বণিক সমিতি আহবায়ক কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম বলেন, উনার কোন বৈধ কাগজপত্র বা কোন অনুমতিপত্র না থাকায় এসিল্যান্ড সারের নির্দেশে কাজ বন্ধ করে দিয়েছি। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অমিত কুমার বিশ্বাস বলেন, একাধিক ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে এবং তিনি কোন বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় আপাতত স্থাপনা নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন
[gs-fb-comments]