খুঁজুন
, ,

কিশোরগঞ্জে আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে হামলা, গেট ভাঙচুর ও হত্যার হুমকির অভিযোগ।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৪২ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে হামলা, গেট ভাঙচুর ও হত্যার হুমকির অভিযোগ।

কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার যশোদল ইউনিয়নে এক আওয়ামী লীগ নেতার নেতৃত্বে এক নারীর বসতবাড়িতে হামলা ও গেট ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই নারী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে হত্যার হুমকি এবং চাঁদা দাবির মতো গুরুতর অভিযোগও করা হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে স্থানীয় ৫নং যশোদল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আলমগীর হোসেনের নাম প্রধান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগকারী মোছাঃ রাবিয়া (৬২), স্বামী-মৃত আঃ গনি, সাং-মনোহরপুর, কিশোরগঞ্জ সদর থানা এলাকায় বসবাস করেন। তার লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৭ মে ২০২৬ তারিখ বিকেল ৪টার দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
রাবিয়া তার অভিযোগে জানান, অভিযুক্ত মোঃ আলী ইখতিয়ার খান (৫০) সহ আরও ৮-৯ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি তাদের হাতে থাকা রামদা, কিরিচ, লোহার রড ও লাঠিসোটা নিয়ে তার বসতবাড়ির সামনে চড়াও হয়। অভিযোগে বলা হয়, হামলাকারীরা কথিত “হুকুমদাতা” মোঃ আলমগীর হোসেনের ইশারায় এ ঘটনা ঘটায়।
অভিযোগে মোঃ আলমগীর হোসেনের পরিচয় হিসেবে তাকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, ৫নং যশোদল ইউনিয়ন, কিশোরগঞ্জ সদরের প্রস্তাবিত সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, হামলাকারীরা প্রথমে রাবিয়াকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। একপর্যায়ে তারা হাতে থাকা অস্ত্র দিয়ে তার বসতঘরের স্টিলের গেট কুপিয়ে ও ভাঙচুর করে। এ সময় ভুক্তভোগী রাবিয়া প্রাণভয়ে ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ করে আত্মরক্ষা করেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলাকারীরা চলে যাওয়ার সময় রাবিয়া ও তার পরিবারের সদস্যদের প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। বিষয়টি নিয়ে কোনো মামলা-মোকদ্দমা করলে পরিণতি ভয়াবহ হবে বলেও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি, তাদের কথামতো টাকা না দিলে ঘরের মালামাল লুট এবং বাড়ি দখল করে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
ঘটনার পর মোছাঃ রাবিয়া কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, হামলার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে এলাকাবাসীর দাবি, বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকার প্রেক্ষাপটে অভিযোগে রাজনৈতিক পরিচয়ধারী হিসেবে উল্লেখ করা ওই ব্যক্তি কীভাবে প্রকাশ্যে এলাকায় ঘোরাফেরা করছেন এবং তার বিরুদ্ধে হামলা, চাঁদা দাবি ও হত্যার হুমকির মতো গুরুতর অভিযোগ ওঠার পরও কেন তাকে এখনো গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না—তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজনৈতিক পরিচয়ের প্রভাবেই অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রকাশ্যে চলাফেরা করছেন। তারা দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করে অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, অভিযোগে যাকে ৫নং যশোদল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ ওঠার পরও তিনি এলাকায় প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তাদের দাবি, প্রশাসন যেন বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
থানা সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে। ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের পর প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একজন সিনিয়র পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অভিযোগটি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে।
ঘটনার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় এক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “দিনের বেলা এভাবে একটা বাড়িতে হামলা, গেট ভাঙচুর সত্যিই ভীতিকর। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।”
অন্য একজন বলেন, “রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে এমন ঘটনা মোটেই কাম্য নয়। প্রশাসনকে অবশ্যই ব্যবস্থা নিতে হবে।”
এ ঘটনায় স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং রাজনৈতিক পরিচয়ের প্রভাব নিয়ে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগে একজন রাজনৈতিক নেতার নির্দেশে দিনের বেলায় হামলা ও ভাঙচুরের যে দাবি করা হয়েছে, তা তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
মোছাঃ রাবিয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। এখন তদন্তে অভিযোগগুলোর সত্যতা কতটুকু প্রমাণিত হয় এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কী ধরনের আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়, সেটিই দেখার বিষয়। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী পরিবারটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করারও দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

কাপাসিয়ায় পিএনজি-ড্রাম ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৫

গাজীপুর কাপাসিয়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৫৬ অপরাহ্ণ
কাপাসিয়ায় পিএনজি-ড্রাম ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৫

গাজীপুরের কাপাসিয়ার টোক ইউনিয়নের হানঘড়া ব্রীজের কাছাকাছি পিএনজি ড্রাম ট্রাকের সঙ্গে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে শামীম নামে এক সিএনজি চালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর কাপাসিয়া উপজেলার টোক তদন্ত কেন্দ্রের আওতাধীন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শামীম নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার বাসিন্দা। তার বাবার নাম সিদ্দিক।
আহতদের মধ্যে শরিফা খাতুন, স্বামী আবদুল্লাহ এবং লিজা আক্তার, পিতা আবদুল্লাহ—উভয়েই নেত্রকোনার কেন্দুয়া এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। আহত অপর তিনজনের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পিএনজি ড্রাম ট্রাক ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে ঘটনাস্থলে হতাহতের ঘটনা ঘটে। আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
টোক তদন্ত কেন্দ্রের এসআই রাশেদ দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দুর্ঘটনায় একজন নিহত ও কয়েকজন আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে সিএনজিটি জব্দ করা হয়েছে।
দুর্ঘটনার কারণ এবং দায় নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত চলছে

কক্সবাজার সৈকতে গোসলে নেমে স্রোতে ভেসে পর্যটক নিখোঁজ স্রোতে ভেসে যাওয়া আরও দুজনকে জীবিত উদ্ধার

মো:আরিফুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার কক্সবাজার
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩৮ অপরাহ্ণ
কক্সবাজার সৈকতে গোসলে নেমে স্রোতে ভেসে পর্যটক নিখোঁজ স্রোতে ভেসে যাওয়া আরও দুজনকে জীবিত উদ্ধার

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে বন্ধুদের সঙ্গে গোসলে নেমে স্রোতের টানে ভেসে গিয়ে সীমান্ত নামের এক পর্যটক নিখোঁজ হয়েছেন। এ সময় স্রোতে ভেসে যাওয়া আরও দুজনকে জীবিত উদ্ধার করেছেন লাইফগার্ড ও বিচকর্মীরা।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে সৈকতের সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্টের মধ্যবর্তী গ্রিন নেচার হোটেলসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিখোঁজ পর্যটক সীমান্ত কিশোরগঞ্জ শহরের শোলাকিয়া এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, সীমান্ত গত বুধবার বন্ধুদের সঙ্গে কক্সবাজারে বেড়াতে আসেন। তাঁরা শহরের কলাতলী এলাকার হোটেল ওয়ার্ল্ড বিচ রিসোর্টে অবস্থান করছিলেন। শুক্রবার বিকেলে বন্ধুরা মিলে সমুদ্রসৈকতে গোসলে নামেন। একপর্যায়ে স্রোতের টানে তিনজন ভেসে যেতে থাকেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও নিখোঁজ পর্যটকের বন্ধুদের বরাতে বিচকর্মীদের সুপারভাইজার মাহবুবুল আলম বলেন, সন্ধ্যার দিকে সীমান্তসহ তিনজন পর্যটক সমুদ্রের পানিতে গোসলে নামেন। একপর্যায়ে স্রোতের টানে তাঁরা ডুবে যেতে থাকলে লাইফগার্ড ও বিচকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করেন।

তিনি আরও বলেন, সীমান্তকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তিনি সমুদ্রের পানিতে তলিয়ে যান। তাঁকে উদ্ধারে সাগরের বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

মাতামুহুরীতে ভূমি সংক্রান্ত বিরোধে হামলা,উত্তরায় ডিউটিতে থেকেও আসামী হলেন পুলিশ সদস্য:

নিজস্ব প্রতিনিধি,
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২৮ অপরাহ্ণ
মাতামুহুরীতে ভূমি সংক্রান্ত বিরোধে হামলা,উত্তরায় ডিউটিতে থেকেও আসামী হলেন পুলিশ সদস্য:

​উত্তরায় ডিউটিতে থেকেও আসামী হলেন পুলিশ সদস্য, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ ও সুষ্ঠু বিচার দাবি।
কক্সবাজারের নবসৃষ্ট মাতামুহুরি উপজেলার পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নে জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে একটি শিক্ষার্থী পরিবারের ওপর সংঘবদ্ধ হামলার অভিযোগ উঠেছে।
গত ২২ আগস্ট ২০২৬ তারিখে আমির হোছেন নামে এক ব্যক্তির নেতৃত্বে তার পরিবারের সদস্য ও অনুসারীরা ইট,পাথর,লাঠি ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে উক্ত পরিবারের ওপর হামলা চালায় বলে জানা গেছে।এতে শিক্ষার্থী পরিবারের একাধিক সদস্য গুরুতর আহত হন।
ঘটনার একটি স্পষ্ট ভিডিও ফুটেজ ইতোমধ্যেই প্রতিবেদকের হস্তগত হয়েছে, যেখানে আমির হোছেনের প্রত্যক্ষ নেতৃত্বে সশস্ত্র অবস্থায় হামলা চালাতে দেখা যায়।
​ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও হামলায় ক্ষতিগ্রস্তদের সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বিতর্কিত জমি নিয়ে বিরোধ থাকলেও সিট,খতিয়ান,আরএস,বিএস ও দিয়ারা জরিপসহ যাবতীয় আইনি দলিলাদি অনুযায়ী জমিটির বৈধ মালিক আসামী করা শিক্ষার্থীদের দাদা মৃত এলাহদাদ।তবে অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় আমীর হোসেন সম্পূর্ণ অবৈধভাবে উক্ত জমি দখলের উদ্দেশ্যে অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটিয়ে আসছেন।
ঘটনার পর আহতরা চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় প্রতিপক্ষ আমীর হোসেন উল্টো চকরিয়া থানায় একটি মিথ্যা ও মনগড়া মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলায় সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে একই পরিবারের তিন তরুণ শিক্ষার্থীসহ আট জন সদস্যকে আসামী করা হয়,যেখানে ঘটনার সময় ঘটনাস্থলে চার জনের অনুপস্থিতির অকাট্য ও দাপ্তরিক প্রমাণ রয়েছে।
মামলায় আসামী করা তিন শিক্ষার্থী ভাই হলেন—
১. আবু বক্কর ছিদ্দিক: বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর একজন সক্রিয় সদস্য এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী যিনি বর্তমানে রাজধানীর উত্তরায় ডিউটিরত।
২. মোঃ আবু সাঈদ: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনার্স ৪র্থ বর্ষের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ও একটি সবজির আড়তের ম্যানেজার।
৩. আবু সায়েদ সাজ্জাদ: কক্সবাজার সরকারি কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের একাদশ শ্রেণির ছাত্র।

সংগৃহীত দাপ্তরিক নথিপত্র ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বৈধ প্রত্যয়নপত্র পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ঘটনার দিন ও সময়ে পুলিশ সদস্য আবু বক্কর ছিদ্দিক উত্তরায় নিজ কর্মস্থলে সরকারি দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। ছোট ভাই আবু সায়েদ সাজ্জাদ কক্সবাজারে এবং মোঃ আবু সাঈদ নিজ কর্মস্থলে উপস্থিত ছিলেন।
​সম্ভাবনাময় তিন তরুণ শিক্ষার্থী এবং পুলিশ বাহিনীর একজন সদস্যের পরিবারের বিরুদ্ধে এমন ভিত্তিহীন মামলা দায়ের করায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সচেতন এলাকা বাসী।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ও মামলার বাদী আমীর হোছেনের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

উর্ধ্বতন প্রশাসনের নিকট ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি:
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ভুক্তভোগী পরিবার,শিক্ষার্থী সমাজ এবং স্থানীয়রা পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করে নিম্নোক্ত বিচার দাবি করেছেন—

* ​১. নিরপেক্ষ দাপ্তরিক তদন্ত: পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে উত্তরার ডিউটি রেজিস্টার ও কলেজের প্রত্যয়নপত্র যাচাই করে তিন শিক্ষার্থী সহ নির্দোষ সদস্যদের অবিলম্বে মামলা থেকে অব্যাহতি প্রদান করা।
* ​২. অপরাধীদের আইনগত শাস্তি: জমি সংক্রান্ত বৈধ কাগজপত্র ও সংসংগৃহীত ভিডিও ফুটেজে চিহ্নিত হামলাকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
* ​৩. ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ:পুলিশ বাহিনীর আহত পরিবারের সঠিক বিচার ও তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।