ধর্ষণ মামলায় সাক্ষ্য দিতে আদালতে না আসায় চিকিৎসককে জরিমানা, ৬ মাসের কারাদণ্ড
জামালপুরের একটি ধর্ষণ মামলায় বারবার সমন ও কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করার পরও আদালতে হাজির হয়ে সাক্ষ্য না দেওয়ায় এক নারী চিকিৎসককে ২৫০ টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। একই সঙ্গে জরিমানা অনাদায়ে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১ জুলাই) জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮৫-এ ধারায় এ আদেশ দেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. ফজলুল হক জানান, বকশীগঞ্জ থানায় দায়ের করা একটি ধর্ষণ মামলায় চিকিৎসক সানজিদা ইসলাম ভুক্তভোগীর মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন। পরবর্তীতে মামলার বিচারিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য আদালত একাধিকবার তাকে সমন জারি করলেও তিনি কোনোবারই আদালতে উপস্থিত হননি।
তিনি আরও জানান, সর্বশেষ গত ২৯ জুন আদালত চিকিৎসক সানজিদা ইসলামকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে ১ জুলাই আদালতে হাজির হয়ে সাক্ষ্য দেওয়ার নির্দেশ দেন। তবে ওই নির্দেশও তিনি পালন না করায় আদালত তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
আদালতের আদেশ অনুযায়ী, চিকিৎসক সানজিদা ইসলামকে ২৫০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। নির্ধারিত জরিমানা পরিশোধে ব্যর্থ হলে তাকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ধর্ষণ মামলাটিতে মোট আটজন আসামি রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একজন বর্তমানে কারাগারে আছেন। বাকি আসামিরা বুধবার আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন
[gs-fb-comments]