এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক তাসনুভা জাবীনের পদত্যাগ
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর যুগ্ম আহ্বায়ক তাসনুভা জাবীন পদত্যাগ করেছেন। মঙ্গলবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য হলে যোগ হবে) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক দীর্ঘ বিবৃতিতে তিনি দল ছাড়ার সিদ্ধান্তের কথা জানান।
বিবৃতিতে তাসনুভা জাবীন জানান, এনসিপির সাম্প্রতিক রাজনৈতিক জোট গঠনের প্রক্রিয়া নিয়ে তার গভীর আপত্তি রয়েছে। তিনি বলেন, বিষয়টি কেবল আদর্শগত নয়, বরং বিশ্বাস ও আস্থার সংকটের জায়গায় পৌঁছেছে। তার অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে একটি নির্দিষ্ট জোটের দিকে দলকে ঠেলে নেওয়া হয়েছে এবং মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা হয়নি।
তিনি উল্লেখ করেন, সারাদেশ থেকে মনোনয়ন সংগ্রহের আহ্বান জানিয়ে ১২৫ জনকে মনোনয়ন দেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত মাত্র ৩০টি আসনে সমঝোতা করে বাকিদের নির্বাচনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। এমন সিদ্ধান্ত এত দেরিতে চূড়ান্ত করা হয়েছে যে, অনেকের পক্ষেই স্বতন্ত্র নির্বাচন করার সুযোগ থাকেনি।
তাসনুভা জাবীন বলেন, এনসিপির ঘোষিত গণপরিষদ, মধ্যপন্থা, নারী ও বিভিন্ন জাতিসত্তাভিত্তিক রাজনীতির যে প্রতিশ্রুতি ছিল, বাস্তবে তার প্রতিফলন তিনি দেখছেন না। তিনি নিজেকে দলের একজন ফাউন্ডার মেম্বার হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, দলীয় নেতৃত্বের ভেতরে পারস্পরিক অবিশ্বাস ও ‘মাইনাসের রাজনীতি’ নতুন ধরনের বাংলাদেশপন্থী রাজনীতির পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
জামায়াতের সঙ্গে জোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দলটি যদি নিজস্ব স্বকীয়তা নিয়ে শক্তভাবে দাঁড়াতে পারত, তাহলে ভবিষ্যতে যেকোনো রাজনৈতিক জোটে যাওয়া সম্ভব ছিল। কিন্তু প্রথম নির্বাচনেই বিকল্প সব পথ বন্ধ করে একটি নির্দিষ্ট জোটের দিকে যাওয়াকে তিনি পরিকল্পিত সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জোটবিরোধিতার কারণে তাকে মনোনয়ন হারানোর ভয় দেখিয়ে সমালোচনা করা হচ্ছে, যা তিনি প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি দাবি করেন, আগে থেকেই তিনি পরিষ্কার করে বলেছিলেন যে নিজের আসনে সমঝোতা হলে তিনি নির্বাচন করবেন না।
পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে তাসনুভা জাবীন জানান, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি অংশগ্রহণ করছেন না। তিনি তার সমর্থকদের কাছ থেকে পাওয়া সব ডোনেশন পর্যায়ক্রমে ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
শেষে তিনি বলেন, এনসিপি ছাড়লেও তিনি রাজনীতি ছাড়ছেন না। গণতান্ত্রিক পরিবর্তন ও মধ্যপন্থার বাংলাদেশপন্থী নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত প্রতিষ্ঠার লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেন তিনি।
আপনি চাইলে আমি এটাকে
জোট প্রক্রিয়া নিয়ে আস্থাহীনতার অভিযোগ
গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি : মাসুম হাসান
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর যুগ্ম আহ্বায়ক তাসনুভা জাবীন পদত্যাগ করেছেন। মঙ্গলবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য হলে যোগ হবে) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক দীর্ঘ বিবৃতিতে তিনি দল ছাড়ার সিদ্ধান্তের কথা জানান।
বিবৃতিতে তাসনুভা জাবীন জানান, এনসিপির সাম্প্রতিক রাজনৈতিক জোট গঠনের প্রক্রিয়া নিয়ে তার গভীর আপত্তি রয়েছে। তিনি বলেন, বিষয়টি কেবল আদর্শগত নয়, বরং বিশ্বাস ও আস্থার সংকটের জায়গায় পৌঁছেছে। তার অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে একটি নির্দিষ্ট জোটের দিকে দলকে ঠেলে নেওয়া হয়েছে এবং মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা হয়নি।
তিনি উল্লেখ করেন, সারাদেশ থেকে মনোনয়ন সংগ্রহের আহ্বান জানিয়ে ১২৫ জনকে মনোনয়ন দেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত মাত্র ৩০টি আসনে সমঝোতা করে বাকিদের নির্বাচনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। এমন সিদ্ধান্ত এত দেরিতে চূড়ান্ত করা হয়েছে যে, অনেকের পক্ষেই স্বতন্ত্র নির্বাচন করার সুযোগ থাকেনি।
তাসনুভা জাবীন বলেন, এনসিপির ঘোষিত গণপরিষদ, মধ্যপন্থা, নারী ও বিভিন্ন জাতিসত্তাভিত্তিক রাজনীতির যে প্রতিশ্রুতি ছিল, বাস্তবে তার প্রতিফলন তিনি দেখছেন না। তিনি নিজেকে দলের একজন ফাউন্ডার মেম্বার হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, দলীয় নেতৃত্বের ভেতরে পারস্পরিক অবিশ্বাস ও ‘মাইনাসের রাজনীতি’ নতুন ধরনের বাংলাদেশপন্থী রাজনীতির পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
জামায়াতের সঙ্গে জোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দলটি যদি নিজস্ব স্বকীয়তা নিয়ে শক্তভাবে দাঁড়াতে পারত, তাহলে ভবিষ্যতে যেকোনো রাজনৈতিক জোটে যাওয়া সম্ভব ছিল। কিন্তু প্রথম নির্বাচনেই বিকল্প সব পথ বন্ধ করে একটি নির্দিষ্ট জোটের দিকে যাওয়াকে তিনি পরিকল্পিত সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জোটবিরোধিতার কারণে তাকে মনোনয়ন হারানোর ভয় দেখিয়ে সমালোচনা করা হচ্ছে, যা তিনি প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি দাবি করেন, আগে থেকেই তিনি পরিষ্কার করে বলেছিলেন যে নিজের আসনে সমঝোতা হলে তিনি নির্বাচন করবেন না।
পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে তাসনুভা জাবীন জানান, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি অংশগ্রহণ করছেন না। তিনি তার সমর্থকদের কাছ থেকে পাওয়া সব ডোনেশন পর্যায়ক্রমে ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
শেষে তিনি বলেন, এনসিপি ছাড়লেও তিনি রাজনীতি ছাড়ছেন না। গণতান্ত্রিক পরিবর্তন ও মধ্যপন্থার বাংলাদেশপন্থী নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত প্রতিষ্ঠার লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেন তিনি।
আপনি চাইলে আমি এটাকে

আপনার মতামত লিখুন
[gs-fb-comments]