খুলনায় আদালতের আদেশ অমান্য করে ভোগ দখলীয় সম্পত্তি জবর দখলের চেষ্টায় রাতের আঁধারে টিনশেট ঘর তৈরি অভিযোগ।
খুলনায় আদালতের আদেশ অমান্য করে দীর্ঘদিন ভোগদখলীয় সম্পত্তি জবর দখলের চেষ্টায় রাতের আঁধারে টিনশেট ঘর তৈরির অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত মঙ্গলবার দিবাগত গভীর রাতে জমিটি জবরদখলের চেষ্টায় সেখানে ঘরবাড়ি তৈরি করা হয়।
সিনিয়র সিভিল জজ আদালতে (ডুমুরিয়া) দায়ের করা অভিযোগে আঃ রহিম গাজী দিং উল্লেখ করেন, দাদি মৃত শুকজান বিবির ওয়ারেশ সূত্রে ০.১২৬৬ একর জমি পেয়েছেন তারা। উক্ত জমি বিআরএস ১২০ নং খতিয়ান থেকে দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু মডেল মহিলা কলেজের বিপরীত পাশে অবস্থিত জমিটি অনেকদিন ধরে তাদের প্রতিপক্ষরা জবরদখলের চেষ্টা করে আসছেন। অনেকবার চেষ্টাও করেছেন জমিটি জবরদখল করার জন্য। কিন্তু দখল করতে পারেনি, তবে চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। নিরুপায় হয়ে বাদীপক্ষ নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। গত ১৮/০৫/২০২৬ ইং তারিখ আবেদনের প্রেক্ষিতে দীর্ঘ শুনানি শেষে গত ১৯/০৫/২০২৬ ইং তারিখ আদালত শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার্থে মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত উভয় পক্ষকে স্থিতিবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেন। কিন্তু ঐ রাতেই বিবাদী মোহাম্মদ আলী গাজী, তার ছোট ভাই আব্দুল হালিম গাজী ও আব্দুল হালিম গাজীর ছেলে ইকবাল হোসেন গাজীসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১৫/২০ লোক নিয়ে জমিটি জবরদখলের উদ্দেশ্যে সেখানে টিনশেট ঘর, রান্নাঘর, বাথরুম ও নেট দিয়ে সীমানা প্রাচীর দেন।
এব্যাপারে রহিম সরদার, পীরবাক্স সরদার ও খুদাবাক্স সরদার বলেন, দাদি শুকজান বিবি ওয়ারেশ সূত্রে আমরা জমিটি দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছি। কিন্তু মোহাম্মদ আলী গাজী, আব্দুল হালিম গাজী ও ইকবাল গাজীর নেতৃত্বে আরও ১৫/২৫ জন ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে জমিটি জবরদখলের উদ্দেশ্যে গায়ের জোরে সেখানে রাতের আঁধারে ঘরবাড়ি তৈরি করেছেন। বিবাদী আব্দুল হালিম গাজী বলেন, আমরা বাড়ির জমি পাবো। বাড়ির জমি না ছাড়া পর্যন্ত আমরা এ জমি ছাড়বো না।

আপনার মতামত লিখুন
[gs-fb-comments]