সিলেটে সিআইডির এসআইকে ছুরিকাঘাত: ৭ ঘণ্টায় পলাতক আসামি রাজু গ্রেফতার
সিলেটে সিআইডির এসআইকে ছুরিকাঘাত: ৭ ঘণ্টায় পলাতক আসামি রাজু গ্রেফতার
সিলেটে সাইবার সুরক্ষা মামলার এক পলাতক আসামিকে গ্রেফতারের সময় সিআইডির এসআইকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যাওয়া রাজুকে মাত্র ৭ ঘণ্টার ব্যবধানে গ্রেফতার করেছে সিআইডি ও এসএমপির যৌথ অভিযানকারী দল।
গত ৮ ডিসেম্বর ২০২৫, সোমবার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে সিলেট মহানগর পুলিশের (এসএমপি) কোতয়ালী থানার সাগরদিঘীরপাড় এলাকায় কোতয়ালী থানা পুলিশের সহযোগিতায় সাইবার মামলার আসামি রহিম উদ্দিন রাজুকে ধরতে অভিযান পরিচালনা করেন সিআইডির এসআই খোরশেদ আলম।
অভিযানের এক পর্যায়ে রাজু হঠাৎই এসআই খোরশেদকে ধারালো ছুরি দিয়ে বাম বগলের নিচে আঘাত করে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে তাকে এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পরদিন ৯ ডিসেম্বর ভোর ৩টা ৫৭ মিনিটে, সিআইডির ফোর্স এবং এসএমপির কোতয়ালী ও এয়ারপোর্ট থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে এয়ারপোর্ট থানাধীন মজুমদারী এলাকার সৈয়দ বাড়ির একটি মেস থেকে রহিম উদ্দিন রাজুকে গ্রেফতার করা হয়।
তল্লাশির সময় রাজুর কাছ থেকে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ‘কেন্দ্রীয় সদস্য’ পরিচয়যুক্ত একটি ভিজিটিং কার্ড উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে— রাজুর বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, পেনাল কোডের বিভিন্ন ধারায় মারামারি, অস্ত্র, চুরি, হামলা, ব্ল্যাকমেইলিংসহ ৬টি মামলা রয়েছে। গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে সে এসব অপরাধের কথা স্বীকার করেছে।
পরবর্তীতে আসামির স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এসআই খোরশেদ আলমকে আঘাত করতে ব্যবহৃত ছুরিটি সাগরদিঘীর সরকারি নালা থেকে উদ্ধার করা হয়।
বর্তমানে অস্ত্রোপচারের পর এসআই খোরশেদ আলম এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণে চিকিৎসাধীন আছেন। এ ঘটনায় সিআইডির এক কনস্টেবল বাদী হয়ে নতুন একটি মামলা দায়ের করেছেন, যা নিয়মিত মামলা হিসেবে গ্রহণের প্রক্রিয়াধীন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আসামি রাজুর বিরুদ্ধে প্রাপ্ত সব তথ্য ও অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চলমান থাকবে এবং তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

আপনার মতামত লিখুন
[gs-fb-comments]