গাইবান্ধায় গভীর রাতে তরুণীর বাড়িতে ছাত্র আন্দোলন নেতা, পরে স্থানীয়দের মধ্যস্থতায় বিয়ে; আটকের অভিযোগ অস্বীকার
গাইবান্ধা জেলা ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি মাহ্ফুজ সরকার রাকিবকে গভীর রাতে এক তরুণীর বাড়িতে আপত্তিকর অবস্থায় আটকের অভিযোগ উঠেছে। পরে স্থানীয়দের মধ্যস্থতায় ওই তরুণীর সঙ্গে তার বিয়ে সম্পন্ন হয়। তবে বিয়ের বিষয়টি স্বীকার করলেও আটকের অভিযোগ নাকচ করে ঘটনাটিকে নিজের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণের অপচেষ্টা বলে দাবি করেছেন তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাতে গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ঘোলদহ (সৈয়দপুর) গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল জলিলের বাড়িতে যান মাহ্ফুজ সরকার রাকিব। এ সময় স্থানীয়রা তাকে ওই বাড়িতে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান বলে অভিযোগ করেন। খবর ছড়িয়ে পড়লে শেষরাতের দিকে এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে তাকে আটক করেন।
পরে স্থানীয়দের মধ্যস্থতায় আব্দুল জলিলের মেয়ে জুই আক্তারের সঙ্গে মাহ্ফুজ সরকার রাকিবের বিয়ে সম্পন্ন হয়।
তবে এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন মাহ্ফুজ সরকার রাকিব। তিনি বলেন, শুক্রবার পারিবারিকভাবেই তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। তার ভাষ্য, আগের রাতে উভয় পরিবারের অভিভাবকদের উপস্থিতিতে কনের বাড়িতে বিয়ের বিষয়ে আলোচনা চলছিল। সে কারণেই তিনি রাতে সেখানে অবস্থান করেন। পরদিন সকালে পারিবারিকভাবেই বিয়ে সম্পন্ন হয় এবং সেখানে কোনো আপত্তিকর ঘটনা ঘটেনি।
মাহ্ফুজ আরও দাবি করেন, কিছু ব্যক্তি গোপনে ভিডিও ধারণ করে তার আংশিক ও খণ্ডিত অংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি ও তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণের চেষ্টা করছেন। প্রচারিত ভিডিওগুলো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উল্লেখ করে তিনি জানান, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে কঞ্চিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহেল রানা শালু গণমাধ্যমকে বলেন, মাহ্ফুজ রাকিব ও জুই আক্তারের মধ্যে আগে থেকেই সম্পর্ক ছিল। রাতে এলাকাবাসীর হাতে আটকের পর শুক্রবার স্থানীয়দের মধ্যস্থতায় ৭ লাখ টাকা দেনমোহরে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন
[gs-fb-comments]